
বাংলাদেশে জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। বাংলাদেশে সংস্থাটির অগ্রাধিকার, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি, টিকা, জলবায়ু পরিবর্তন ও শিশু সুরক্ষা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মাদ শফিউল্লাহ।
প্রশ্ন: গত কয়েক দশকে শিশু সুরক্ষা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যে বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। ইউনিসেফের দৃষ্টিতে কোথায় মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন?
রানা ফ্লাওয়ার্স: টিকাদান, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, প্রাথমিক শিক্ষা, নির্যাতন ও সহিংসতা থেকে শিশুদের সুরক্ষায় বিনিয়োগ একটি দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এগুলো মানবসম্পদ উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য শক্ত ভিত তৈরি করে।
বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক কল্যাণ এবং নারী ও শিশু সুরক্ষার মতো খাতে বিনিয়োগ তুলনামূলক কম। অতীতে বিনিয়োগের ঘাটতির কারণে এসব খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রত্যাশিত সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। স্বাস্থ্য খাতে বিশেষায়িত সেবায় বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্ব কম।
অথচ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং রোগপ্রতিরোধে কার্যকর। হাসপাতালের ওপর চাপ কমাতে কমিউনিটি পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা জরুরি। গত এক দশকে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার এবং খর্বতার হার কমেছে, বেড়েছে জন্মনিবন্ধন। তবে কৃশকায় শিশুদের হার বৃদ্ধিতে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। টিকাদান শক্তিশালী হলেও মাঝেমধ্যে ঘাটতি দেখা দেয়।
প্রশ্ন: সবশেষ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) কিছু সূচককে গুরুত্বপূর্ণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কোন বিষয়গুলো বেশি উদ্বেগের এবং কেন?
রানা ফ্লাওয়ার্স: এমআইসিএস কয়েকটি বিষয় সতর্কসংকেত দিচ্ছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জন্মনিবন্ধন। শক্তিশালী জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থা ছাড়া কত শিশু স্কুলের বাইরে থেকে যাচ্ছে বা টিকা পাচ্ছে না, তা জানা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জন্মনিবন্ধনের হার এখনো কম, এটি বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ইউনিসেফ সহায়তা দিতে প্রস্তুত।
জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৮ শতাংশ নারী সিসার বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত এবং অর্ধেকের বেশি শিশুর শরীরে সিসার উপস্থিতি রয়েছে। এটি শিশুদের মস্তিষ্ক, শেখার ক্ষমতা ও আচরণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া কৃশতা এবং শিশুশ্রম বৃদ্ধিও উদ্বেগজনক।
প্রশ্ন: পুষ্টিহীনতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউনিসেফ সরকারকে কীভাবে সহায়তা করছে?
রানা ফ্লাওয়ার্স: জন্মের পর থেকে এক হাজার দিনে সঠিক পুষ্টি না পেলে শিশুদের বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়ে যায়। আমরা প্রথম হাজার দিন এবং কিশোর বয়সকে চিহ্নিত করি। এরপর শক্তিশালী পুষ্টি কর্মী বাহিনী গড়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শিশুদের চিকিৎসা ও পুষ্টি সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য সহজলভ্য করা জরুরি। সম্ভব হলে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ‘রেডি টু ইউজ থেরাপিউটিক ফুড’ সারা দেশে সহজলভ্য করা প্রয়োজন। বাবা-মায়েদের সঠিক পুষ্টির গুরুত্ব বোঝানো দরকার। বিভিন্ন বিষয়ে ইউনিসেফ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
প্রশ্ন: নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি এবং এইচপিভি, রোটাভাইরাস ও পিসিভি টিকা প্রয়োগে বাংলাদেশের অগ্রগতি কেমন?
রানা ফ্লাওয়ার্স: নিঃসন্দেহে বাংলাদেশে টিকাদান ও টিকা প্রচারণা বিশ্বমানের। জনবহুল দেশে এটি কঠিন হলেও জাতীয়ভাবে প্রায় ৮৫ শতাংশ শিশুকে নিয়মিত টিকাদানের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা অসাধারণ সাফল্য। ফলে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি কমেছে। গ্রামীণ এলাকায় টিকাদানের হার শহরের তুলনায় বেশি, যা বিস্ময়কর। তবে শহরের শিশুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার পর্যাপ্ত সুবিধা পায় না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গ্রাম ও শহর উভয় জায়গায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে টিকাদান নিশ্চিত করা জরুরি।
সবশেষ টাইফয়েড কনজুগেট টিকা লক্ষ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছেছে। আর কিশোরীদের ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা প্রায় ৯৭ শতাংশের কাছে পৌঁছেছে। এটি টিকাদান ব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং মানুষের আস্থার স্পষ্ট প্রমাণ।
প্রশ্ন: কিশোরীদের স্বাস্থ্য সমস্যা, মাতৃস্বাস্থ্য এবং অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউনিসেফ কোন কৌশলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে?
রানা ফ্লাওয়ার্স: এমআইসিএস অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৫-১৯ বছর বয়সী মেয়েদের বিয়ের হার বেশি, এটিকে স্বাভাবিকভাবে দেখা হয়। এ বয়সের শরীর সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয়, ফলে মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। কিশোরী মেয়েদের মধ্যে রক্তশূন্যতার হারও বেশি এবং তাদের নবজাতকদের মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশি। বিবাহবিচ্ছেদও এ বয়সে বেশি দেখা যায়। অনেক পরিবার বাল্যবিবাহকে মর্যাদা রক্ষার উপায় মনে করে। কিন্তু কিশোরী বয়সে মাতৃমৃত্যু বা তালাক কি মর্যাদার প্রতীক হতে পারে? তাই জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পুষ্টির দিক থেকেও কিশোরী মেয়েরা ঝুঁকিতে থাকে। তাদের জন্য ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য সম্পূরক গুরুত্বপূর্ণ, যা বর্তমান স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের জন্য প্রয়োজন।
প্রশ্ন: বাল্যবিবাহ, সহিংসতা এবং অনলাইন শোষণ (এক্সপ্লয়টেশন) এখনো বড় হুমকি হিসেবে রয়েছে। শিশু সুরক্ষা শক্তিশালী করতে ইউনিসেফ কি কোনো নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে?
রানা ফ্লাওয়ার্স: আমরা জাতিসংঘের অংশ হিসেবে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলি, যাতে প্রতিটি শিশুর কাছে সেবা পৌঁছায়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা হয়। শিশু সুরক্ষায় আমরা শুধু মন্ত্রণালয় বা তহবিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকি না; বরং শিশুদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলা বিষয়গুলোর দিকে নজর দিই। স্বাস্থ্যকর্মী ও সেবিকাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করি। পাশাপাশি ‘মীনা’র মতো সচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করি। সমস্যা শুধু রাস্তায় বা বাড়িতে সীমাবদ্ধ নয়; অনলাইনেও এটি বিস্তার পাচ্ছে। ফলে ইতিবাচক কণ্ঠগুলো সামনে আনা অত্যন্ত জরুরি।
প্রশ্ন: শহরে মানুষের অভিবাসনের কারণে বস্তি এলাকায় চাপ বেড়েছে। এ ধরনের উচ্চঝুঁকিপূর্ণ শহুরে পরিবেশে থাকা শিশুদের জন্য ইউনিসেফ কীভাবে সহায়তা করছে?
রানা ফ্লাওয়ার্স: ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতিও আমরা মনোযোগ দিই। শিশু অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা ১১টির বেশি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করি। বস্তি এলাকায় ‘হোল অব চাইল্ড’ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে, যা শুধু টিকাদান নয়; স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং শিশু সুরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত করে। প্রতিটি বস্তিতে শিশু সুরক্ষা দল গঠন করা হয়, যেখানে স্থানীয় জনগণ সহায়তা পায়। কোনো শিশুকে বাল্যবিবাহে বাধ্য করা বা কোনো নারীকে বাড়িতে নির্যাতন করা হলে ওই দল কার্যকর ভূমিকা নেয়। ফলে পরিবারগুলোকে কমিউনিটিভিত্তিক সহায়তা দেওয়া যায় এবং শিশু বা পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপর নির্যাতন প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন উন্নয়নও নিশ্চিত করা হয়।
প্রশ্ন: দুর্যোগপ্রবণ এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা কী?
রানা ফ্লাওয়ার্স: জলবায়ু সংকট শিশুদের সব ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলছে। এ প্রভাব বাংলাদেশের শিশুদের ওপর বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে। এখানে প্রতিরোধ ও প্রস্তুতিতে মনোযোগের অভাব রয়েছে।
২০২৪ সালে ফেনী ও নোয়াখালীর বন্যায় হাসপাতাল প্রস্তুত ছিল না, বইপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিদ্যালয় ও হাসপাতালের জন্য জলবায়ুসহনশীল ভবনের অভাব রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় কমিউনিটির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন; কারণ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীরা চলে যান। তাই শিশুদের সুরক্ষা ও সম্প্রদায়ের সহনশীলতা বাড়াতে একটি স্থিতিশীল, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অপরিহার্য।
প্রশ্ন: বড় পরিসরের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইউনিসেফ কীভাবে সরকারের সঙ্গে দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা এবং শক্তিশালী অংশীদারত্ব নিশ্চিত করে?
রানা ফ্লাওয়ার্স: আমাদের লক্ষ্য হলো, সরকারের নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সমন্বয় করা। নতুন সরকারের নীতি বোঝার মাধ্যমে আমরা চিহ্নিত করি, কোন ক্ষেত্রে সহায়তা সবচেয়ে প্রয়োজন। শিশু অধিকার-সংক্রান্ত কনভেনশন অনুসরণ করে কার্যকর পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়। আমাদের দলকে উৎসাহিত করা হয় ১০ বছরের লক্ষ্য তৈরি করতে—শিশুদের জন্য কী পরিবর্তন চাই এবং তা সরকারের সঙ্গে মিলিয়ে কীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। গত বছর শিশু অধিকার ঘোষণাপত্র চিহ্নিত হয়েছে। সেখানে ১২টি বড় রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে। নতুন সরকার ইতিমধ্যেই সামাজিক খাতে বাজেট বৃদ্ধি, ফ্যামিলি কার্ড, ই-হেলথ কার্যক্রম এবং জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রশ্ন: আগামী পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশে ইউনিসেফের শীর্ষ তিনটি অগ্রাধিকার কী?
রানা ফ্লাওয়ার্স: প্রথম বছরের প্রধান অগ্রাধিকার জন্মনিবন্ধন। সরকারের সহায়তায় আমরা পিছিয়ে থাকা শিশুদের জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।
পরবর্তী পাঁচ বছরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, ভালো পুষ্টির ব্যবস্থা এবং জীবাণুমুক্ত পানি, পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশন কার্যক্রমে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। কারণ, জরিপে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ১ শতাংশ পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার মানদণ্ড পূরণ করে। সিসা বিষক্রিয়া মানুষের স্বাস্থ্যে গুরুতর প্রভাব ফেলে। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি। নারী ও শিশুদের ওপর সংঘটিত সহিংসতা কমানোর উদ্যোগ এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন খাতের সমন্বয় ও সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কমিউনিটিকে দুর্যোগ প্রতিরোধে সক্ষমের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিএনপি নেতা শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। একই আসন থেকে তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালেও এমপি হন। এবার বিএনপির সরকারে পেয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। মন্ত্রণালয় এবং নিজের কাজের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলছেন আজকের পত্রিকার সঙ্গে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ২০২১ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী তিনি। সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার যশোর প্রতিনিধি জাহিদ হাসানের সঙ্গে।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন বিএনপি তার জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়ায় এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। ফলে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর জোটের প্রার্থী, এমনকি বিএনপিকেও আক্রমণ করছেন তিনি।
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছেন এস এম ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন তিনি। এ ছাড়া এরশাদের নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তিনি। গত মঙ্গলবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের...
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬