
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের শিল্প শহর সেভেরোদনেৎস্কে নিজেদের পূর্ণ দখল প্রতিষ্ঠিত করতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। রুশ আক্রমণ প্রতিহত করতে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ অবসানে রাশিয়া যাতে দ্রুত আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়, সেই লক্ষ্যে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধের আরও অস্ত্র সরবরাহ করবে, যাতে যুদ্ধক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানা যায়।’
বাইডেন বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনকে জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাংক মিসাইল, স্টিংগার অ্যান্টিএয়ারক্রাফ্ট মিসাইল, শক্তিশালী আর্টিলারি, রকেট সিস্টেম, রাডার, মনুষ্যবিহীন আকাশযান, এমআই-১৭ হেলিকপ্টার এবং গোলাবারুদসহ উন্নত অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যাব।’
বাইডেন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে এম ১৪২ হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেমও রয়েছে, যা রুশ হামলা মোকাবিলায় বেশ ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মাসখানেক আগে জানিয়েছিলেন ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান।
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ জানতে - এখানে ক্লিক করুন
ইউক্রেনকে এমন অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার ফলে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বন্দ্বে জড়াল কি না—এ প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এসব ক্ষেপণাস্ত্র শুধু রুশ আক্রমণ ঠেকাতে ব্যবহৃত হবে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ায় হামলা চালাতে ব্যবহার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে ইউক্রেন।
উল্লেখ্য, রাশিয়ান সৈন্যরা গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে। এখনো যুদ্ধ চলছে। রাশিয়ার দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না। ইউক্রেনে গত কয়েক মাসের রুশ আগ্রাসনে হাজারও মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ।
বিশ্বের নানা প্রান্তের খবর পড়ুন:

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের শিল্প শহর সেভেরোদনেৎস্কে নিজেদের পূর্ণ দখল প্রতিষ্ঠিত করতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। রুশ আক্রমণ প্রতিহত করতে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ অবসানে রাশিয়া যাতে দ্রুত আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়, সেই লক্ষ্যে ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধের আরও অস্ত্র সরবরাহ করবে, যাতে যুদ্ধক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানা যায়।’
বাইডেন বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনকে জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাংক মিসাইল, স্টিংগার অ্যান্টিএয়ারক্রাফ্ট মিসাইল, শক্তিশালী আর্টিলারি, রকেট সিস্টেম, রাডার, মনুষ্যবিহীন আকাশযান, এমআই-১৭ হেলিকপ্টার এবং গোলাবারুদসহ উন্নত অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যাব।’
বাইডেন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে এম ১৪২ হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেমও রয়েছে, যা রুশ হামলা মোকাবিলায় বেশ ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মাসখানেক আগে জানিয়েছিলেন ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান।
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ জানতে - এখানে ক্লিক করুন
ইউক্রেনকে এমন অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার ফলে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বন্দ্বে জড়াল কি না—এ প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এসব ক্ষেপণাস্ত্র শুধু রুশ আক্রমণ ঠেকাতে ব্যবহৃত হবে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ায় হামলা চালাতে ব্যবহার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে ইউক্রেন।
উল্লেখ্য, রাশিয়ান সৈন্যরা গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে। এখনো যুদ্ধ চলছে। রাশিয়ার দুজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না। ইউক্রেনে গত কয়েক মাসের রুশ আগ্রাসনে হাজারও মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ।
বিশ্বের নানা প্রান্তের খবর পড়ুন:

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকেরা গ্যাবার্ডের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। তাই তাঁকে এই অভিযানের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘সে (মাচাদো) আগামী সপ্তাহে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসছে। আমি তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি নোবেলের বিষয়টি শুনেছি। যদি সে এমন কিছু করে, তবে এটি বড় সম্মানের বিষয় হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস (আইআরজিসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশ্যে রেডলাইন ঘোষণা করে।
৪ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ‘শোচনীয়’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার—এমন কোনো প্রমাণ পায়নি। গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, কারাকাসের সমর্থন...
৬ ঘণ্টা আগে