
গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে প্রতিবেদন দাবি করা সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের প্রস্তাব বাতিল করেছে মার্কিন সিনেট। গত মঙ্গলবার রাতে ৭২-১১ ভোটে সিনেটররা প্রস্তাবটি বাতিল করেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
সিনেটে প্রস্তাবটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক মাসের মধ্যে ইসরায়েলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সম্পর্কে কংগ্রেসে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য থাকত। আর প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হলে ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা পাঠানো বন্ধ হয়ে যেত।
এ ছাড়া, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকারের সম্ভাব্য লঙ্ঘন সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য যে কোনো তথ্য সরবরাহের জন্য স্যান্ডার্সের প্রস্তাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশনা ছিল।
প্রস্তাবটি বাতিল হওয়ায় জো বাইডেন প্রশাসনের প্রতি বেশ কয়েকজন ডেমোক্র্যাটের উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে। কারণ, গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে বেসামরিকদের মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে পৌঁছেছে ২৫ হাজারে। এ ছাড়া, আহত হয়েছে প্রায় ৬২ হাজার। তারপরও ইসরায়েলে মার্কিন নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রস্তাবটির সমর্থন বক্তব্য দেওয়ার সময় সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে, মার্কিন সহায়তা মানবাধিকার এবং আমাদের নিজস্ব আইন অনুসারে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, সিনেট বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যুদ্ধের প্রভাবের দিকে তাকিয়েও কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘গাজার লাখ লাখ শিশু, নিষ্পাপ শিশু, আমাদের চোখের সামনেই ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিনযাপন করছে। আমরা তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারি না। আমাদের অবশ্যই করণীয় আছে। ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট আমরা দেখতে পাচ্ছি। দুঃখজনকভাবে, জাতিসংঘ এবং অন্যান্যদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানবেতর জীবনযাপন করা মানুষদের কাছে সাহায্য পৌঁছানো যাচ্ছে না। পরিস্থিতি তাই আরও খারাপ হয়েছে।’
হোয়াইট হাউস এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেছে যে, এটি ইসরায়েলকে নিরাপত্তা সহায়তার শর্ত আরোপের পথকে প্রশস্ত করতে পারে। এই প্রস্তাবের বিরোধিতাকারী সিনেটররা বলেছেন যে, প্রস্তাবটি পাস করা হবে ভুল সময়ে ভুল বার্তা দেওয়া। কারণ, এখন আরও নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু কেন্দ্রিক অভিযানের দিকে যাওয়া কথা বলছে ইসরায়েল।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ‘প্রস্তাবটি কেবল ভিত্তিহীনই নয়, বিপজ্জনকও। এটা ভুল সময়ে ভুল বার্তা পাঠাতে পারে।’
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলকে ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাঝে যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে শক্তিশালী বোমাও আছে। গাজায় চলমান সহিংসতার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলকে অতিরিক্ত ১৪০০ কোটি ডলার সহায়তা অনুমোদন করতে কংগ্রেসকে বলেছেন।

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে প্রতিবেদন দাবি করা সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের প্রস্তাব বাতিল করেছে মার্কিন সিনেট। গত মঙ্গলবার রাতে ৭২-১১ ভোটে সিনেটররা প্রস্তাবটি বাতিল করেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
সিনেটে প্রস্তাবটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক মাসের মধ্যে ইসরায়েলি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সম্পর্কে কংগ্রেসে প্রতিবেদন দিতে বাধ্য থাকত। আর প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হলে ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা পাঠানো বন্ধ হয়ে যেত।
এ ছাড়া, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকারের সম্ভাব্য লঙ্ঘন সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য যে কোনো তথ্য সরবরাহের জন্য স্যান্ডার্সের প্রস্তাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশনা ছিল।
প্রস্তাবটি বাতিল হওয়ায় জো বাইডেন প্রশাসনের প্রতি বেশ কয়েকজন ডেমোক্র্যাটের উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে। কারণ, গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে বেসামরিকদের মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে পৌঁছেছে ২৫ হাজারে। এ ছাড়া, আহত হয়েছে প্রায় ৬২ হাজার। তারপরও ইসরায়েলে মার্কিন নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রস্তাবটির সমর্থন বক্তব্য দেওয়ার সময় সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে, মার্কিন সহায়তা মানবাধিকার এবং আমাদের নিজস্ব আইন অনুসারে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, সিনেট বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যুদ্ধের প্রভাবের দিকে তাকিয়েও কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘গাজার লাখ লাখ শিশু, নিষ্পাপ শিশু, আমাদের চোখের সামনেই ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিনযাপন করছে। আমরা তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারি না। আমাদের অবশ্যই করণীয় আছে। ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট আমরা দেখতে পাচ্ছি। দুঃখজনকভাবে, জাতিসংঘ এবং অন্যান্যদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানবেতর জীবনযাপন করা মানুষদের কাছে সাহায্য পৌঁছানো যাচ্ছে না। পরিস্থিতি তাই আরও খারাপ হয়েছে।’
হোয়াইট হাউস এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেছে যে, এটি ইসরায়েলকে নিরাপত্তা সহায়তার শর্ত আরোপের পথকে প্রশস্ত করতে পারে। এই প্রস্তাবের বিরোধিতাকারী সিনেটররা বলেছেন যে, প্রস্তাবটি পাস করা হবে ভুল সময়ে ভুল বার্তা দেওয়া। কারণ, এখন আরও নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু কেন্দ্রিক অভিযানের দিকে যাওয়া কথা বলছে ইসরায়েল।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ‘প্রস্তাবটি কেবল ভিত্তিহীনই নয়, বিপজ্জনকও। এটা ভুল সময়ে ভুল বার্তা পাঠাতে পারে।’
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলকে ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাঝে যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে শক্তিশালী বোমাও আছে। গাজায় চলমান সহিংসতার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলকে অতিরিক্ত ১৪০০ কোটি ডলার সহায়তা অনুমোদন করতে কংগ্রেসকে বলেছেন।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৬ ঘণ্টা আগে