
গাজা উপত্যকার খান ইউনিস ও দেইর আল-বালাহর বিধ্বস্ত পাড়াগুলোতে প্রতিদিন ইসরায়েলি ড্রোনের গর্জন ও নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের প্রচণ্ড ধাক্কার শোনা যায়। এগুলো স্থানীয়দের বারবার মনে করিয়ে দেয়—যুদ্ধ কখনো শেষই হয়নি।

অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় এখনো প্রায় ৮ হাজার মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। ইসরায়েলের দুই বছরের গণহত্যামূলক যুদ্ধের পর এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের ১ শতাংশেরও কম পরিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে, গাজায় ভূমি দখল ক্রমশ বাড়াচ্ছে ইসরায়েল। যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ইয়েলো লাইন বা হলুদ রেখাকে

গাজা উপত্যকার দিকে যাত্রা করা নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার নৌযানগুলোকে আটকাতে শুরু করেছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার রাত থেকে এই অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। হামাস নিয়ন্ত্রিত এই উপত্যকার ওপর ইসরায়েল আরোপিত নৌ অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যেই নৌবহরটি রওনা হয়েছিল বলে

সংঘাত-জর্জরিত গাজায় আশার আলো জ্বালাতে একটি গণবিয়ে আয়োজন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ওই বিয়েতে একসঙ্গে ৩০০ জুটির বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনটি ছিল মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ‘গালান্ত নাইট ৩ ’-এর অংশ। এটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ফাউন্ডেশন।