
ইসরায়েল-হামাসের চলমান সংঘাতের অবসানে ‘টেকসই যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। গতকাল শনিবার সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমসে প্রকাশিত এক নিবন্ধে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বায়েরবক এ আহ্বান জানান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বোমা হামলাকে ‘নির্বিচার’ বলে অভিহিত করার কয়েকদিন পরেই এই দুই পররাষ্টমন্ত্রী এই নিবন্ধ প্রকাশ করলেন।
ওই নিবন্ধে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মা-বাবা হিসেবে হামাস ইসরায়েল যুদ্ধে শতশত শিশুর মৃত্যু আমাদের ব্যথিত করে। ৭ অক্টোবরের পর থেকে প্রতিটি শিশুর মৃত্যু একেকটি ট্রাজেডি। অসংখ্য পরিবার শোকাহত, জাতি এবং পুরো অঞ্চলটি সংকটে।
আমাদের কেউ এই যুদ্ধ দেখতে চায় না। আমাদের (বৃটিশ-জার্মান) রাজনৈতিক ইতিহাস বলে, যেকোনো অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতির উত্তোরণ আমরা ঘটাতে পারি। আমরা মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথীবির সবখানে শান্তির জন্য কাতর।
তাঁরা আরও বলেন, ‘‘অনেক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি সরকারের উচিত হামলার সময় সন্ত্রাসবাদী এবং বেসামরিক নাগরিকদের ফারাক নির্ণয়ে আরও কিছু করা। তাঁদের অভিযানের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শুধু হামাস নেতা এবং সৈন্যরা। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করলে ইসরায়েল এই যুদ্ধে জিততে পারবে না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যুদ্ধবিরতি হওয়া উচিত, তবে এটি ‘টেকসই’ হতে হবে।
‘‘অবিলম্বে একটি যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। জিম্মিদের মুক্তি, গাজার দুর্দশাগ্রস্ত বেসামরিক জনগণের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো এবং প্রকৃতপক্ষে একটি মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্যই এটি করতে হবে, যা রাজনৈতিক সমাধানের সূচনা করবে।’’
শান্তি চুক্তির প্রকৃতি নিয়ে ভাবতে হবে জানিয়ে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তির প্রকৃতি সম্পর্কেও আমাদের অবশ্যই সাবধানে চিন্তা করতে হবে। এমনকি ৭ অক্টোবরের আগে হামাসকে শান্তির প্রকৃত অংশীদার হিসাবে কল্পনা করা কঠিন ছিল। ৭ অক্টোবরের পর এ নিয়ে আমাদের আর কোনো বিভ্রান্তি থাকতে পারে না। গাজার শাসনভার হামাসের হাতে ছেড়ে দেওয়া দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পথে স্থায়ী বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
‘‘একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের জন্য উভয়পক্ষকে পাশাপাশি নিরাপদ বোধ করতে হবে। পশ্চিম তীরে চরমপন্থী বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘরে হিংসাত্মক হামলা চালাচ্ছে। নাশকতা চালিয়ে তাঁদের বাড়িছাড়া করার চেষ্টা করছে। আমরা এসব ঘৃণ্য কাজের তীব্র নিন্দা জানাই।’’
এর আগে ইসরায়েল-হামাসের চলমান সংঘাতের অবসানে ‘অবিলম্বে টেকসই যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানিয়ে ফ্রান্স বলেছে, গাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন প্যারিস। ইসরায়েলে সফররত ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কলোনা আজ রোববার তেল আবিবে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেনের কাছে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ইসরায়েল-হামাসের চলমান সংঘাতের অবসানে ‘টেকসই যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। গতকাল শনিবার সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমসে প্রকাশিত এক নিবন্ধে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বায়েরবক এ আহ্বান জানান।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বোমা হামলাকে ‘নির্বিচার’ বলে অভিহিত করার কয়েকদিন পরেই এই দুই পররাষ্টমন্ত্রী এই নিবন্ধ প্রকাশ করলেন।
ওই নিবন্ধে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মা-বাবা হিসেবে হামাস ইসরায়েল যুদ্ধে শতশত শিশুর মৃত্যু আমাদের ব্যথিত করে। ৭ অক্টোবরের পর থেকে প্রতিটি শিশুর মৃত্যু একেকটি ট্রাজেডি। অসংখ্য পরিবার শোকাহত, জাতি এবং পুরো অঞ্চলটি সংকটে।
আমাদের কেউ এই যুদ্ধ দেখতে চায় না। আমাদের (বৃটিশ-জার্মান) রাজনৈতিক ইতিহাস বলে, যেকোনো অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতির উত্তোরণ আমরা ঘটাতে পারি। আমরা মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথীবির সবখানে শান্তির জন্য কাতর।
তাঁরা আরও বলেন, ‘‘অনেক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি সরকারের উচিত হামলার সময় সন্ত্রাসবাদী এবং বেসামরিক নাগরিকদের ফারাক নির্ণয়ে আরও কিছু করা। তাঁদের অভিযানের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শুধু হামাস নেতা এবং সৈন্যরা। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সম্ভাবনাকে ধ্বংস করলে ইসরায়েল এই যুদ্ধে জিততে পারবে না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যুদ্ধবিরতি হওয়া উচিত, তবে এটি ‘টেকসই’ হতে হবে।
‘‘অবিলম্বে একটি যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। জিম্মিদের মুক্তি, গাজার দুর্দশাগ্রস্ত বেসামরিক জনগণের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো এবং প্রকৃতপক্ষে একটি মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্যই এটি করতে হবে, যা রাজনৈতিক সমাধানের সূচনা করবে।’’
শান্তি চুক্তির প্রকৃতি নিয়ে ভাবতে হবে জানিয়ে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘দীর্ঘমেয়াদী শান্তি চুক্তির প্রকৃতি সম্পর্কেও আমাদের অবশ্যই সাবধানে চিন্তা করতে হবে। এমনকি ৭ অক্টোবরের আগে হামাসকে শান্তির প্রকৃত অংশীদার হিসাবে কল্পনা করা কঠিন ছিল। ৭ অক্টোবরের পর এ নিয়ে আমাদের আর কোনো বিভ্রান্তি থাকতে পারে না। গাজার শাসনভার হামাসের হাতে ছেড়ে দেওয়া দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের পথে স্থায়ী বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
‘‘একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের জন্য উভয়পক্ষকে পাশাপাশি নিরাপদ বোধ করতে হবে। পশ্চিম তীরে চরমপন্থী বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘরে হিংসাত্মক হামলা চালাচ্ছে। নাশকতা চালিয়ে তাঁদের বাড়িছাড়া করার চেষ্টা করছে। আমরা এসব ঘৃণ্য কাজের তীব্র নিন্দা জানাই।’’
এর আগে ইসরায়েল-হামাসের চলমান সংঘাতের অবসানে ‘অবিলম্বে টেকসই যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানিয়ে ফ্রান্স বলেছে, গাজার পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন প্যারিস। ইসরায়েলে সফররত ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কলোনা আজ রোববার তেল আবিবে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেনের কাছে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া, প্রচন্ড ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ৬ শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
১ ঘণ্টা আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে