
সরকার গঠনে অনেকটাই এগিয়ে গেছে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দল। তার পরও পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও অন্যান্য পদের জন্য প্রার্থী মনোনয়ন দেবে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত এমএনএনরা। এ ছাড়া, পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সরকার গঠনের জন্যও চেষ্টা চালাবেন দলটির সমর্থিত নির্বাচিত আইনপ্রণেতারা।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) একাধিকবার অভিযোগ করেছে যে, সরকার ইচ্ছা করেই তাদের সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজিত হিসেবে দেখিয়েছে। যাতে করে পাকিস্তান আরও গভীর সংকটে পড়ে। তবে এর পরও পিটিআই রাজনৈতিকভাবে বিষয়গুলো মোকাবিলার পথেই এগিয়ে যাবে।
পিটিআইয়ের অভ্যন্তরীণ একটি সূত্রের বারত দিয়ে দ্য ডন জানিয়েছে, দলটি এরই মধ্যে কেন্দ্র, পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুন খাওয়ায় প্রাদেশিক সরকার গঠনের লক্ষ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।
উল্লেখ্য, পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আসন পেয়েছেন ১৩৮টি; যাদের বেশির ভাগই পিটিআই সমর্থিত। আর নওয়াজের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ পেয়েছে ১৩৭টি আসন। নওয়াজের দলের মিত্র পাকিস্তান পিপলস পার্টি পেয়েছে ১০টি আসন।
অন্যদিকে, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯০টি আসন। বাকি দলগুলো এখানে পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সঙ্গে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি। ফলে এই প্রদেশে পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সরকার গঠন নিশ্চিতই বলা যায়।
পিটিআইয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানই দেশকে বিরাজমান অগণিত সংকট থেকে বের করে আনার একমাত্র অনিবার্য গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক উপায় ছিল। কিন্তু ইসিপি (পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন) তার অযোগ্যতা ও ঘৃণ্য এজেন্ডা দিয়ে এই সুযোগ নষ্ট করছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর দল প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনে ‘কারচুপির’ বিষয়টি উত্থাপন করেছে।
এক বিবৃতিতে পিটিআই বলেছে, পাকিস্তানের জনগণ একটি সুস্পষ্ট রায় দিয়েছে এবং তাদের ভোটের শক্তি দিয়ে দৃঢ় ও স্পষ্টভাবে নিজেদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, গণতন্ত্রকে হত্যা করে এবং সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও অখণ্ডতাকে কলঙ্কিত করে আপসহীন রিটার্নিং অফিসারদের ভয় দেখিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠকে সংখ্যালঘুতে রূপান্তরিত করার চেষ্টা চলেছে। ইসিপির দৃশ্যমান পক্ষপাতমূলক অবস্থান ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের কারণে পুরো বিশ্ব নির্বাচনকে সন্দেহের চোখে দেখছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট যদি পিটিআইয়ের উদ্বেগ ও ইসিপির প্রকৃত উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত আবেদনগুলো গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করত, তাহলে কমিশন জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে খেলার সাহস পেত না। বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় জনগণ আবারও ‘টাউট ও বেনারসি ঠগিদের’ মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির বিষয়টি সহ্য করতে পারে না। তাই জনগণের নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠকে সম্মান করা উচিত।

সরকার গঠনে অনেকটাই এগিয়ে গেছে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দল। তার পরও পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও অন্যান্য পদের জন্য প্রার্থী মনোনয়ন দেবে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত এমএনএনরা। এ ছাড়া, পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সরকার গঠনের জন্যও চেষ্টা চালাবেন দলটির সমর্থিত নির্বাচিত আইনপ্রণেতারা।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) একাধিকবার অভিযোগ করেছে যে, সরকার ইচ্ছা করেই তাদের সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজিত হিসেবে দেখিয়েছে। যাতে করে পাকিস্তান আরও গভীর সংকটে পড়ে। তবে এর পরও পিটিআই রাজনৈতিকভাবে বিষয়গুলো মোকাবিলার পথেই এগিয়ে যাবে।
পিটিআইয়ের অভ্যন্তরীণ একটি সূত্রের বারত দিয়ে দ্য ডন জানিয়েছে, দলটি এরই মধ্যে কেন্দ্র, পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুন খাওয়ায় প্রাদেশিক সরকার গঠনের লক্ষ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।
উল্লেখ্য, পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আসন পেয়েছেন ১৩৮টি; যাদের বেশির ভাগই পিটিআই সমর্থিত। আর নওয়াজের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ পেয়েছে ১৩৭টি আসন। নওয়াজের দলের মিত্র পাকিস্তান পিপলস পার্টি পেয়েছে ১০টি আসন।
অন্যদিকে, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৯০টি আসন। বাকি দলগুলো এখানে পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সঙ্গে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি। ফলে এই প্রদেশে পিটিআই সমর্থিত প্রার্থীদের সরকার গঠন নিশ্চিতই বলা যায়।
পিটিআইয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানই দেশকে বিরাজমান অগণিত সংকট থেকে বের করে আনার একমাত্র অনিবার্য গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক উপায় ছিল। কিন্তু ইসিপি (পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন) তার অযোগ্যতা ও ঘৃণ্য এজেন্ডা দিয়ে এই সুযোগ নষ্ট করছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর দল প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনে ‘কারচুপির’ বিষয়টি উত্থাপন করেছে।
এক বিবৃতিতে পিটিআই বলেছে, পাকিস্তানের জনগণ একটি সুস্পষ্ট রায় দিয়েছে এবং তাদের ভোটের শক্তি দিয়ে দৃঢ় ও স্পষ্টভাবে নিজেদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, গণতন্ত্রকে হত্যা করে এবং সমগ্র নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও অখণ্ডতাকে কলঙ্কিত করে আপসহীন রিটার্নিং অফিসারদের ভয় দেখিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠকে সংখ্যালঘুতে রূপান্তরিত করার চেষ্টা চলেছে। ইসিপির দৃশ্যমান পক্ষপাতমূলক অবস্থান ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের কারণে পুরো বিশ্ব নির্বাচনকে সন্দেহের চোখে দেখছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট যদি পিটিআইয়ের উদ্বেগ ও ইসিপির প্রকৃত উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত আবেদনগুলো গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করত, তাহলে কমিশন জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে খেলার সাহস পেত না। বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় জনগণ আবারও ‘টাউট ও বেনারসি ঠগিদের’ মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগির বিষয়টি সহ্য করতে পারে না। তাই জনগণের নির্বাচিত সংখ্যাগরিষ্ঠকে সম্মান করা উচিত।

গত বছরের ডিসেম্বরে মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে দেশের ঋণ সংকট সামাল দিতে সহায়তা চায় সরকার। কিন্তু বাহিনী সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। অথচ সেনাবাহিনীর গোপন রিজার্ভে মিসরের মোট বৈদেশিক ঋণের চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ রয়েছে—এমন দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ব্যাংকিং ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা এই তথ্য জানিয়েছেন
২৪ মিনিট আগে
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৩ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৪ ঘণ্টা আগে