
রমজান মাসের আগে এখনো পর্যন্ত গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে পারেনি মধ্যস্থতাকারীরা। এমন অবস্থায় গতকাল রোববার হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ফিলিস্তিনের এই স্বাধীনতাকামী সংগঠন। বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি দিয়েছে।
বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ আজ সোমবার থেকে রমজান মাস শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে এক টেলিভিশন ভাষণে ইসমাইল হানিয়া বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি যে যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে না পৌঁছানোর দায় দখলদার বাহিনীর। তবে আমরা এখনো আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রস্তুত।’
গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার এখন চলছে ষষ্ঠ মাস। রমজান মাস শুরুর আগেই যুদ্ধবিরতির চেষ্টা করেছে মধ্যস্থতাকারীরা। তবে এখনো তাঁদের প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখেনি। তবে কাতারে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়া গতকাল বলেছেন, ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করার যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল; তা পূরণ করার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইসরায়েল।
এ ছাড়া, টেকসই যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহার, বাস্তুচ্যুত গাজাবাসীদের তাদের বাড়িতে ফিরে যাওয়া এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলে যেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, সেখানে মানবিক সহায়তার দ্রুত প্রবেশাধিকারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন হানিয়া।
ইসরায়েল তার সৈন্যদের গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাবকে বাতিল করে দিয়েছে। সে সঙ্গে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও হামাসকে ধ্বংস করার জন্য তার অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
হামাস চুক্তিতে আগ্রহী নয় এবং রমজানে অঞ্চলটিতে তারা উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে গত শনিবার এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি সংগঠনটিকে অভিযুক্ত করেছে ইসরায়েল। এর জবাবে হানিয়া বলেন, গতকালের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেও মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মধ্যস্থতাকারী ভাইদের কাছ থেকে সেনা প্রত্যাহার, আগ্রাসন বন্ধ এবং বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবর্তনের প্রতিশ্রুতিসহ দখলদারদের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাই তাহলে আমরা চুক্তি সম্পন্ন করতে প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত হয়েছে আরও অন্তত ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি। গতকাল রাতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

রমজান মাসের আগে এখনো পর্যন্ত গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে পারেনি মধ্যস্থতাকারীরা। এমন অবস্থায় গতকাল রোববার হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে ফিলিস্তিনের এই স্বাধীনতাকামী সংগঠন। বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি দিয়েছে।
বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ আজ সোমবার থেকে রমজান মাস শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। এরই মধ্যে এক টেলিভিশন ভাষণে ইসমাইল হানিয়া বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি যে যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে না পৌঁছানোর দায় দখলদার বাহিনীর। তবে আমরা এখনো আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রস্তুত।’
গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার এখন চলছে ষষ্ঠ মাস। রমজান মাস শুরুর আগেই যুদ্ধবিরতির চেষ্টা করেছে মধ্যস্থতাকারীরা। তবে এখনো তাঁদের প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখেনি। তবে কাতারে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়া গতকাল বলেছেন, ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করার যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল; তা পূরণ করার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইসরায়েল।
এ ছাড়া, টেকসই যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে ইসরায়েলি সৈন্য প্রত্যাহার, বাস্তুচ্যুত গাজাবাসীদের তাদের বাড়িতে ফিরে যাওয়া এবং অবরুদ্ধ অঞ্চলে যেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, সেখানে মানবিক সহায়তার দ্রুত প্রবেশাধিকারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন হানিয়া।
ইসরায়েল তার সৈন্যদের গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাবকে বাতিল করে দিয়েছে। সে সঙ্গে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও হামাসকে ধ্বংস করার জন্য তার অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
হামাস চুক্তিতে আগ্রহী নয় এবং রমজানে অঞ্চলটিতে তারা উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে গত শনিবার এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি সংগঠনটিকে অভিযুক্ত করেছে ইসরায়েল। এর জবাবে হানিয়া বলেন, গতকালের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেও মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মধ্যস্থতাকারী ভাইদের কাছ থেকে সেনা প্রত্যাহার, আগ্রাসন বন্ধ এবং বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবর্তনের প্রতিশ্রুতিসহ দখলদারদের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাই তাহলে আমরা চুক্তি সম্পন্ন করতে প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত হয়েছে আরও অন্তত ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি। গতকাল রাতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৭ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে