
ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য এবার পাঁচটি দেশের জন্য নতুন ভিসা নীতি আরোপ করেছে। অভিবাসন ব্যবস্থার সুযোগের অপব্যবহার করায় এই পাঁচ দেশের জন্য এই নতুন নীতি কার্যকর হবে। এখন থেকে এই পাঁচটি দেশের সব নাগরিকের ওপরই এই নীতি কার্যকর হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান জানিয়েছেন, তালিকায় থাকা পাঁচটি দেশ হলো—ডমিনিকান রিপাবলিক, হন্ডুরাস, নামিবিয়া, তিমুর-লেসতে এবং ভানুয়াতু।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন এই নীতি কেবলই ‘অভিবাসন এবং সীমান্ত সুরক্ষার কারণে’ই করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই নীতি তালিকায় থাকা দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক খারাপ এমনটা ইঙ্গিত করে না।
বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের কাছে লিখিত এক বিবৃতিতে সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান বলেছেন, ডমিনিকান রিপাবলিক এবং ভানুয়াতুতে টাকার বিনিময়ে নাগরিকত্ব দেওয়া হয় এবং এই দেশ দুটি ব্রিটিশ অভিবাসন নীতির অপব্যবহার করেছে। কমনওয়েলথভুক্ত এই দেশ দুটি এমন সব মানুষকে নাগরিকত্ব দিচ্ছে যা কিনা সরাসরি যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান আরও বলেছেন, আরও দুটি দেশ—নামিবিয়া এবং হন্ডুরাসের নাগরিকেরা ব্রিটিশ অভিবাসন নীতির অপব্যবহার করেছে। তারা সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে তাদের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করার পরও একাধিকবার যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেছে এবং রাজনৈতিক আশ্রয় সুবিধার অপব্যবহার করেছে।
তিমুর-লেসতে সম্পর্কে ব্র্যাভারম্যান বলেছেন, দেশটির নাগরিকেরা ক্রমবর্ধমানহারে ‘অবৈধ পর্যটক’ হিসেব আসছে যুক্তরাজ্যে এবং তারা এরপর প্রায়ই এ দেশে তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তির মাধ্যমে ভুয়া উপায়ে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব হাসিলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিকে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করায় মধ্য আমেরিকার চারটি দেশের ৩৯ জন নাগরিকের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন করে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ব্যক্তিরা মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদরের। ৩৯ জনের মধ্যে ১০ জন গুয়াতেমালার, ১০ জন হন্ডুরাসের, ১৩ জন নিকারাগুয়ার এবং ৬ জন এল সালভেদরের।

ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য এবার পাঁচটি দেশের জন্য নতুন ভিসা নীতি আরোপ করেছে। অভিবাসন ব্যবস্থার সুযোগের অপব্যবহার করায় এই পাঁচ দেশের জন্য এই নতুন নীতি কার্যকর হবে। এখন থেকে এই পাঁচটি দেশের সব নাগরিকের ওপরই এই নীতি কার্যকর হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান জানিয়েছেন, তালিকায় থাকা পাঁচটি দেশ হলো—ডমিনিকান রিপাবলিক, হন্ডুরাস, নামিবিয়া, তিমুর-লেসতে এবং ভানুয়াতু।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন এই নীতি কেবলই ‘অভিবাসন এবং সীমান্ত সুরক্ষার কারণে’ই করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই নীতি তালিকায় থাকা দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক খারাপ এমনটা ইঙ্গিত করে না।
বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের কাছে লিখিত এক বিবৃতিতে সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান বলেছেন, ডমিনিকান রিপাবলিক এবং ভানুয়াতুতে টাকার বিনিময়ে নাগরিকত্ব দেওয়া হয় এবং এই দেশ দুটি ব্রিটিশ অভিবাসন নীতির অপব্যবহার করেছে। কমনওয়েলথভুক্ত এই দেশ দুটি এমন সব মানুষকে নাগরিকত্ব দিচ্ছে যা কিনা সরাসরি যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান আরও বলেছেন, আরও দুটি দেশ—নামিবিয়া এবং হন্ডুরাসের নাগরিকেরা ব্রিটিশ অভিবাসন নীতির অপব্যবহার করেছে। তারা সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে তাদের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করার পরও একাধিকবার যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেছে এবং রাজনৈতিক আশ্রয় সুবিধার অপব্যবহার করেছে।
তিমুর-লেসতে সম্পর্কে ব্র্যাভারম্যান বলেছেন, দেশটির নাগরিকেরা ক্রমবর্ধমানহারে ‘অবৈধ পর্যটক’ হিসেব আসছে যুক্তরাজ্যে এবং তারা এরপর প্রায়ই এ দেশে তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তির মাধ্যমে ভুয়া উপায়ে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব হাসিলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিকে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করায় মধ্য আমেরিকার চারটি দেশের ৩৯ জন নাগরিকের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন করে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ব্যক্তিরা মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদরের। ৩৯ জনের মধ্যে ১০ জন গুয়াতেমালার, ১০ জন হন্ডুরাসের, ১৩ জন নিকারাগুয়ার এবং ৬ জন এল সালভেদরের।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
২২ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে