
ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রিজার্ভ সেনাদের ডেকে পাঠানোর ঘোষণার পর থেকে রাশিয়ায় বিক্ষোভ করছেন সাধারণ মানুষ। চলমান বিক্ষোভ থেকে শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে একটি মানবাধিকার গ্রুপ জানিয়েছে।
ওভিডি-ইনফো নামের মানবাধিকার সংস্থাটির বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে ৭২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইউক্রেনে যুদ্ধে যোগ দিতে গত বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) ৩ লাখ সৈন্য সমাবেশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর এর জন্য দেশটির রিজার্ভ সেনাদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যাঁদের সামরিক প্রশিক্ষণ আছে, তাঁদেরও এতে তালিকাভুক্ত করা হয়।
প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওই ঘোষণার পর থেকেই রাশিয়াজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। আইন অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করা নিষিদ্ধ রাশিয়ায়। এর পরও দেশটির অন্তত ৩২টি শহরজুড়ে বড় আকারের বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ শুরুর পরই অন্তত ১ হাজার ৩০০ ব্যক্তিকে আটক করে নিরাপত্তা বাহিনী।
সবশেষ শনিবার ৩২টি শহর থেকে ৭২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের কারও কারও হাতে সেনাবাহিনীতে জোগাদানের কাগজ দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
ক্রেমলিন এর আগে জানিয়েছিল, এটা আইনের মধ্য থেকেই করা হচ্ছে। নতুন আইন অনুযায়ী, সেনাবাহিনীতে একবার নাম লেখানোর পর পালিয়ে গেলে বা দায়িত্ব পালন না করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
এদিকে পুতিনের রিজার্ভ সেনাদের ডেকে পাঠানোর ঘোষণার পর থেকে দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন রাশিয়ানরা। বিশেষ করে যুদ্ধে যাওয়ার বয়সী তরুণদের দেশ ছেড়ে যাওয়ার খবর বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রিজার্ভ সেনাদের ডেকে পাঠানোর ঘোষণার পর থেকে রাশিয়ায় বিক্ষোভ করছেন সাধারণ মানুষ। চলমান বিক্ষোভ থেকে শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে একটি মানবাধিকার গ্রুপ জানিয়েছে।
ওভিডি-ইনফো নামের মানবাধিকার সংস্থাটির বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে ৭২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইউক্রেনে যুদ্ধে যোগ দিতে গত বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) ৩ লাখ সৈন্য সমাবেশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর এর জন্য দেশটির রিজার্ভ সেনাদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যাঁদের সামরিক প্রশিক্ষণ আছে, তাঁদেরও এতে তালিকাভুক্ত করা হয়।
প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওই ঘোষণার পর থেকেই রাশিয়াজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। আইন অনুযায়ী, অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করা নিষিদ্ধ রাশিয়ায়। এর পরও দেশটির অন্তত ৩২টি শহরজুড়ে বড় আকারের বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ শুরুর পরই অন্তত ১ হাজার ৩০০ ব্যক্তিকে আটক করে নিরাপত্তা বাহিনী।
সবশেষ শনিবার ৩২টি শহর থেকে ৭২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের কারও কারও হাতে সেনাবাহিনীতে জোগাদানের কাগজ দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
ক্রেমলিন এর আগে জানিয়েছিল, এটা আইনের মধ্য থেকেই করা হচ্ছে। নতুন আইন অনুযায়ী, সেনাবাহিনীতে একবার নাম লেখানোর পর পালিয়ে গেলে বা দায়িত্ব পালন না করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
এদিকে পুতিনের রিজার্ভ সেনাদের ডেকে পাঠানোর ঘোষণার পর থেকে দেশ ছাড়তে শুরু করেছেন রাশিয়ানরা। বিশেষ করে যুদ্ধে যাওয়ার বয়সী তরুণদের দেশ ছেড়ে যাওয়ার খবর বেশি পাওয়া যাচ্ছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৭ ঘণ্টা আগে