
রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তবে এই পরিকল্পনায় গ্যাসের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা শেষ করে এনেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেছেন, তাঁরা রুশ তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ফেলার দিকে এগোচ্ছেন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে রাশিয়ার তেল ক্রয় নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন, এটি খুব একটা সহজ হবে না, কারণ ইউরোপের বেশ কিছু দেশ রাশিয়ার তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল। হাঙ্গেরি এরই মধ্যে রাশিয়া থেকে যেকোনো ধরনের জ্বালানি আমদানি নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির তীব্র বিরোধিতা করেছে।
এদিকে, তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি প্রস্তাব করা হলেও রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ করার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ দেশের মধ্যে কোনো ঐকমত্য নেই। তাই ভন ডার লেয়নের প্রস্তাবে রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসকে নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এককভাবে রাশিয়ার রপ্তানি করা গ্যাসের প্রায় ৪১ শতাংশ কিনে থাকে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) হিসাব অনুসারে ২০২০ সালে জার্মানি রাশিয়ার গ্যাসের শীর্ষ আমদানিকারক ছিল। সে বছর জার্মানি রাশিয়া থেকে ৪২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল। তালিকার দ্বিতীয়তে আছে ইতালি। সে বছর ইতালি কিনেছিল ২৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস। তালিকার ৩ নম্বরে থাকা দেশটির নাম বেলারুশ। দেশটি রাশিয়া থেকে ২০২০ সালে ১৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল।
বেলারুশের চেয়ে রাশিয়ার গ্যাস ক্রয়ে খুব বেশি পিছিয়ে নেই তুরস্ক এবং নেদারল্যান্ডসও। দেশ দুটি যথাক্রমে ১৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার এবং ১৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল রাশিয়ার কাছ থেকে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অবরোধ আরোপে নারাজ হাঙ্গেরি কিনেছে ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস। হাঙ্গেরির প্রায় কাছাকাছি পরিমাণ গ্যাস কিনেছিল কাজাখস্তান। দেশটি ওই বছর ১০ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল।
রাশিয়ার বৈরী দেশ পোল্যান্ড এবং মিত্রদেশ চীন প্রায় সমপরিমাণ গ্যাস কিনেছিল রাশিয়া থেকে। দেশ দুটি যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘনমিটার এবং ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল রাশিয়া থেকে। রাশিয়া থেকে গ্যাস ক্রয়ের তালিকা থেকে বাদ যায়নি আরেক রুশ বৈরী দেশ জাপানও। দেশটি রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস কিনে থাকে। আইইএ-এর দেওয়া তথ্য অনুসারে জাপান রাশিয়া থেকে ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কিনে থাকে।
মোটা দাগে, ইউক্রেন সংকট শুরু হওয়ার আগে, এসব দেশই রাশিয়ার রপ্তানিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সিংহভাগ কিনত। প্রতিবছর ক্রমান্বয়ে রুশ গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে এসব দেশগুলোতে। জার্মানি এবং হাঙ্গেরি যেমনটা জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে না। একই রকম অবস্থা অন্য দেশগুলোরও। ফলে এসব দেশে শিগগিরই রুশ গ্যাসের নির্ভরতা কমছে না বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের।

রাশিয়ার তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তবে এই পরিকল্পনায় গ্যাসের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা শেষ করে এনেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেছেন, তাঁরা রুশ তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ফেলার দিকে এগোচ্ছেন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে রাশিয়ার তেল ক্রয় নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন, এটি খুব একটা সহজ হবে না, কারণ ইউরোপের বেশ কিছু দেশ রাশিয়ার তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল। হাঙ্গেরি এরই মধ্যে রাশিয়া থেকে যেকোনো ধরনের জ্বালানি আমদানি নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির তীব্র বিরোধিতা করেছে।
এদিকে, তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি প্রস্তাব করা হলেও রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ করার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ দেশের মধ্যে কোনো ঐকমত্য নেই। তাই ভন ডার লেয়নের প্রস্তাবে রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসকে নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এককভাবে রাশিয়ার রপ্তানি করা গ্যাসের প্রায় ৪১ শতাংশ কিনে থাকে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) হিসাব অনুসারে ২০২০ সালে জার্মানি রাশিয়ার গ্যাসের শীর্ষ আমদানিকারক ছিল। সে বছর জার্মানি রাশিয়া থেকে ৪২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল। তালিকার দ্বিতীয়তে আছে ইতালি। সে বছর ইতালি কিনেছিল ২৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস। তালিকার ৩ নম্বরে থাকা দেশটির নাম বেলারুশ। দেশটি রাশিয়া থেকে ২০২০ সালে ১৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল।
বেলারুশের চেয়ে রাশিয়ার গ্যাস ক্রয়ে খুব বেশি পিছিয়ে নেই তুরস্ক এবং নেদারল্যান্ডসও। দেশ দুটি যথাক্রমে ১৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার এবং ১৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল রাশিয়ার কাছ থেকে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অবরোধ আরোপে নারাজ হাঙ্গেরি কিনেছে ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস। হাঙ্গেরির প্রায় কাছাকাছি পরিমাণ গ্যাস কিনেছিল কাজাখস্তান। দেশটি ওই বছর ১০ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল।
রাশিয়ার বৈরী দেশ পোল্যান্ড এবং মিত্রদেশ চীন প্রায় সমপরিমাণ গ্যাস কিনেছিল রাশিয়া থেকে। দেশ দুটি যথাক্রমে ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘনমিটার এবং ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস কিনেছিল রাশিয়া থেকে। রাশিয়া থেকে গ্যাস ক্রয়ের তালিকা থেকে বাদ যায়নি আরেক রুশ বৈরী দেশ জাপানও। দেশটি রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস কিনে থাকে। আইইএ-এর দেওয়া তথ্য অনুসারে জাপান রাশিয়া থেকে ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কিনে থাকে।
মোটা দাগে, ইউক্রেন সংকট শুরু হওয়ার আগে, এসব দেশই রাশিয়ার রপ্তানিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সিংহভাগ কিনত। প্রতিবছর ক্রমান্বয়ে রুশ গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে এসব দেশগুলোতে। জার্মানি এবং হাঙ্গেরি যেমনটা জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে না। একই রকম অবস্থা অন্য দেশগুলোরও। ফলে এসব দেশে শিগগিরই রুশ গ্যাসের নির্ভরতা কমছে না বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান জুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভে প্রাণহানীর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার জানিয়েছেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় এবং তাদের হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে হস্তক্ষেপ করবে।
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ, ওই নারী ছুরি দিয়ে লোকটির গোপনাঙ্গে আঘাত করেছেন। বর্তমানে আহত ব্যক্তি মুম্বাইয়ের সায়ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অভিযুক্ত নারী পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তাঁরা একে অপরের আত্মীয়। অভিযুক্ত নারী ভুক্তভোগীর বোনের ননদ। গত ছয়-সাত বছর ধরে তাঁদের মধ্যে এক অবৈধ সম্পর্ক চলছিল।
১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) সিনেটর রানা সানাউল্লাহ পাকিস্তানের শীর্ষ পাঁচ ব্যক্তিত্বের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, সর্বোচ্চ পর্যায়ে এই আস্থার পরিবেশ তৈরি না হলে দেশে কোনো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানে দীর্ঘ খরা শেষে ভারী বৃষ্টি আর তুষারপাত শুরু হয়েছে। এই বৃষ্টি কিছু স্বস্তি দিলেও সেই স্বস্তি দ্রুতই বিষাদে রূপ নিয়েছে। প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছে আরও ১১ জন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে