রাশিয়া থেকে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি তেল আমদানি বন্ধের পরিকল্পনায় একমত হয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। তবে এ সিদ্ধান্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল আমদানিকে প্রভাবিত করবে না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ দেশের নেতারা অংশ নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রধান চার্লস মিশেল বলেছেন, ‘এ সিদ্ধান্তের কারণে রুশ যুদ্ধের অর্থায়নের একটি বিরাট উৎস বন্ধ হয়ে যাবে।’ এ ছাড়া রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যাংক সবারব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি সম্প্রচারমাধ্যমের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিতেও ইইউ একমত হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
এসব সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ইইউ নেতাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিতর্ক করতে হয়েছে। কারণ হাঙ্গেরি ছিল এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাকারী। দেশটি রাশিয়ার কাছ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল আমদানি বন্ধের বিষয়ে রাজি ছিল না। কারণ হাঙ্গেরি তার চাহিদার ৬৫ শতাংশ তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে আমদানি করে।
এদিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন বলেছেন, ‘রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়বে। কারণ জার্মানি ও পোল্যান্ড এ বছরের শেষ নাগাদ তাদের পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল আমদানি বন্ধ করতে স্বেচ্ছায় কাজ করেছে।’
এক মাস আগে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল ইউরোপীয় কমিশন। কিন্তু হাঙ্গেরির বিরোধিতার কারণে সিদ্ধান্ত নিতে এত দিন বিলম্ব হলো।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে