
তেলের দামে আজ সোমবার বড় উল্লম্ফন দেখা গেছে। এর এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের জবাব ‘অগ্রহণযোগ্য’। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলের জ্বালানি বা ‘জেট ফুয়েল’-এর দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। বর্তমানে এর দাম যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১৮১ ডলারে পৌঁছেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ২৫ শতাংশ মুনাফা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে যখন বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ বাড়তি জীবনযাত্রার খরচে চাপে পড়েছে, তখন কিছু বহুজাতিক কোম্পানি এই সংকট থেকেই বিপুল মুনাফা অর্জন করছে। যুদ্ধ ও অনিশ্চয়তার কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।