
সুইজারল্যান্ডে চলমান শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক স্বস্তি দিল ওয়াশিংটন। আজ সোমবার মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ (অর্থ মন্ত্রণালয়) জানিয়েছে, তারা সাময়িকভাবে ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এর ফলে আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত দেশটি অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও তেলজাত পণ্য উৎপা

অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা সাময়িকভাবে কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। কয়েক দিনের ওঠানামার পর আবারও কমেছে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম। একই সঙ্গে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা কমতে...

ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইতিমধ্যেই বাণিজ্যিক জাহাজগুলো বের হতে শুরু করেছে এবং এগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি জাহাজ তেল বোঝাই অবস্থায় রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও যুদ্ধের সময় সাধারণত সোনার বাজার চাঙা হয়ে ওঠে। নিরাপদ বিনিয়োগের আশ্রয় হিসেবে বিনিয়োগকারীরা তখন ঝুঁকে পড়েন এই মূল্যবান ধাতুর দিকে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি বাড়লে সোনাকে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র।