
সাত মাস ধরে ইউক্রেনীয় সেনাদের দখলে থাকা কুরস্ক অঞ্চল পুনর্দখলের দ্বারপ্রান্তে রাশিয়া। খুব শিগগিরই অঞ্চলটি থেকে সব ইউক্রেনীয় সেনাদের উৎখাত করা হবে বলে দাবি করছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তার পরও স্বস্তি পাচ্ছে না অঞ্চলটির বাসিন্দারা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম আবারও কোনো সংঘাত দেখলেন তাঁরা। আর এই সংঘাতের জন্য পশ্চিমাদেরই দায়ী করছেন তারা।
তিন বছর ধরে চলমান এই যুদ্ধের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে, কুরস্কের বাসিন্দারা এখনো ভরসা করতে পারছেন না ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতিতে। কুরস্কের বাসিন্দা একাতেরিনা বলেন, ‘আমার মনে হয় না আমাদের অঞ্চলে অদূর ভবিষ্যতে শান্তি আসবে। ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর রাশিয়ার প্রতি যে শত্রুতা আছে, তা বহুদিন ধরে চলবে।’
কুরস্কের বাসিন্দা ৮৩ বছর বয়সী লিওনিদ বোয়ারিনৎসেভ, ১৯৬৯ সালে চীন-সোভিয়েত সীমান্ত সংঘর্ষ দেখেছেন। তিনি মনে করেন, কুরস্কে ইউক্রেনীয় সেনাদের আক্রমণ রাশিয়ার জন্য ইউক্রেনে তার সামরিক অভিযান জোরদার করার ন্যায্যতা তৈরি করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে লিওনিদ বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার জয়লাভই শান্তির একমাত্র উপায়। কারণ, আমরা জয়ী হলেই আর কেউ আমাদের ওপর হামলার সাহস পাবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই সংঘাতের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোই দায়ী। তারাই ইউক্রেনকে উসকে দিয়েছে।’
রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কুরস্কের যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর রিলস্কের মেয়র। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর শহরটির বিখ্যাত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে ইউক্রেনীয় হামলায়। রয়টার্স সেই সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে পড়ে থাকা গানের বই, বিধ্বস্ত পিয়ানো এবং ধ্বংসস্তূপে পরিণত নাট্যমঞ্চ যুদ্ধের বিভীষিকাই তুলে ধরে। ২০ ডিসেম্বরের ওই হামলায় পশ্চিমা বিশ্বের দেওয়া হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেন। রাশিয়ার দাবি, ওই হামলায় ছয়জন নিহত ও ১২ জন আহত হন। মেয়র বলেন, ‘আমরা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই শান্তি চাই।’
রয়টার্স বলছে, যদিও প্রায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর সবাইকেই কুরস্ক থেকে বিতাড়িত করেছে রাশিয়া, তবু এলাকাজুড়ে তাদের পোতা মাইন বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েই গেছে। অব্যাহত রয়েছে ড্রোন হামলা। তবে, গুলি-বিস্ফোরণের শব্দে এখন আর শিউরে ওঠেন না স্থানীয় বেসামরিক নাগরিকেরা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুরচাতভ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে চলমান বেসামরিক গাড়িগুলোতে ড্রোন-জ্যামিং ডিভাইস লাগানো ছিল। দূর থেকে গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা গেলেও স্বাভাবিকভাবেই বাজার-সদাই করছিল বাসিন্দারা।
রিমা ইরোফেয়েভা নামের এক বাসিন্দা বলেন, ‘পুরো ব্যাপারটাই খুব ভীতিকর। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, মানুষ এখন এই পরিস্থিতির সঙ্গে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে তারা আর সাইরেনের শব্দেও প্রতিক্রিয়া দেখায় না।’
কুরস্কের বাসিন্দাদের মতো ইউক্রেনের নাগরিকেরাও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান। সতর্কতা সাইরেন, বিস্ফোরণের শব্দ আর ড্রোনের পাখার আওয়াজ আর শুনতে চায় না তারা।
রুশ সেনাবাহিনীর মতে, ৬ আগস্ট ইউক্রেনের সেনাবাহিনী কুরস্কে অভিযান শুরু করে। প্রচুর ড্রোন ও পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে নেয়। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রাশিয়া সেখানে ব্যাপক বাহিনী মোতায়েন করলে ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ কমতে শুরু করে।
২৩ মার্চ পর্যন্ত ইউক্রেনীয় উন্মুক্ত সূত্রের (ওপেন সোর্স) তথ্যভিত্তিক সমর বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ডিপ স্টেট (Deep State) প্রকাশিত সর্বশেষ মানচিত্র অনুযায়ী, ইউক্রেন মাত্র ৮১ বর্গকিলোমিটার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। অন্যদিকে, রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের ১ লাখ ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ডের দখল নিয়ে নিয়েছে, যা দেশটির মোট ভূখণ্ডের প্রায় ২০ শতাংশ।
ইউক্রেনের মতে, কুরস্কের অভিযান রাশিয়ার ভূখণ্ডে যুদ্ধ ছড়িয়ে দেওয়া, রুশ বাহিনীর মনোযোগ বিভ্রান্ত করা, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বিব্রত করা এবং ভবিষ্যতের আলোচনায় সুবিধা পাওয়ার জন্য চালানো হয়েছিল। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ রয়টার্সকে জানিয়েছে, অভিযানের ‘বেশির ভাগ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।’
অন্যদিকে, রাশিয়ার সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ ১২ মার্চ কুরস্ক অঞ্চলে এক বৈঠকে পুতিনকে জানান, ইউক্রেন হাজার হাজার দক্ষ সেনা হারিয়েছে এবং তাদের পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
গেরাসিমভ বলেন, ‘কিয়েভ সরকার কুরস্কে কৌশলগত অবস্থান গড়ে তুলে সেটাকে আলোচনার সময় ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে গেছে।’
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুরস্কে ইউক্রেনের প্রায় ৬৯ হাজার ৭০০ সেনা হতাহত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে ৫ হাজার ৭০০ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান। তবে এই পরিসংখ্যান প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেন।

সাত মাস ধরে ইউক্রেনীয় সেনাদের দখলে থাকা কুরস্ক অঞ্চল পুনর্দখলের দ্বারপ্রান্তে রাশিয়া। খুব শিগগিরই অঞ্চলটি থেকে সব ইউক্রেনীয় সেনাদের উৎখাত করা হবে বলে দাবি করছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তার পরও স্বস্তি পাচ্ছে না অঞ্চলটির বাসিন্দারা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম আবারও কোনো সংঘাত দেখলেন তাঁরা। আর এই সংঘাতের জন্য পশ্চিমাদেরই দায়ী করছেন তারা।
তিন বছর ধরে চলমান এই যুদ্ধের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে, কুরস্কের বাসিন্দারা এখনো ভরসা করতে পারছেন না ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতিতে। কুরস্কের বাসিন্দা একাতেরিনা বলেন, ‘আমার মনে হয় না আমাদের অঞ্চলে অদূর ভবিষ্যতে শান্তি আসবে। ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলোর রাশিয়ার প্রতি যে শত্রুতা আছে, তা বহুদিন ধরে চলবে।’
কুরস্কের বাসিন্দা ৮৩ বছর বয়সী লিওনিদ বোয়ারিনৎসেভ, ১৯৬৯ সালে চীন-সোভিয়েত সীমান্ত সংঘর্ষ দেখেছেন। তিনি মনে করেন, কুরস্কে ইউক্রেনীয় সেনাদের আক্রমণ রাশিয়ার জন্য ইউক্রেনে তার সামরিক অভিযান জোরদার করার ন্যায্যতা তৈরি করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে লিওনিদ বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার জয়লাভই শান্তির একমাত্র উপায়। কারণ, আমরা জয়ী হলেই আর কেউ আমাদের ওপর হামলার সাহস পাবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই সংঘাতের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোই দায়ী। তারাই ইউক্রেনকে উসকে দিয়েছে।’
রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কুরস্কের যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর রিলস্কের মেয়র। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর শহরটির বিখ্যাত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে ইউক্রেনীয় হামলায়। রয়টার্স সেই সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে পড়ে থাকা গানের বই, বিধ্বস্ত পিয়ানো এবং ধ্বংসস্তূপে পরিণত নাট্যমঞ্চ যুদ্ধের বিভীষিকাই তুলে ধরে। ২০ ডিসেম্বরের ওই হামলায় পশ্চিমা বিশ্বের দেওয়া হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেন। রাশিয়ার দাবি, ওই হামলায় ছয়জন নিহত ও ১২ জন আহত হন। মেয়র বলেন, ‘আমরা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই শান্তি চাই।’
রয়টার্স বলছে, যদিও প্রায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর সবাইকেই কুরস্ক থেকে বিতাড়িত করেছে রাশিয়া, তবু এলাকাজুড়ে তাদের পোতা মাইন বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েই গেছে। অব্যাহত রয়েছে ড্রোন হামলা। তবে, গুলি-বিস্ফোরণের শব্দে এখন আর শিউরে ওঠেন না স্থানীয় বেসামরিক নাগরিকেরা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুরচাতভ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে চলমান বেসামরিক গাড়িগুলোতে ড্রোন-জ্যামিং ডিভাইস লাগানো ছিল। দূর থেকে গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা গেলেও স্বাভাবিকভাবেই বাজার-সদাই করছিল বাসিন্দারা।
রিমা ইরোফেয়েভা নামের এক বাসিন্দা বলেন, ‘পুরো ব্যাপারটাই খুব ভীতিকর। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, মানুষ এখন এই পরিস্থিতির সঙ্গে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছে যে তারা আর সাইরেনের শব্দেও প্রতিক্রিয়া দেখায় না।’
কুরস্কের বাসিন্দাদের মতো ইউক্রেনের নাগরিকেরাও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান। সতর্কতা সাইরেন, বিস্ফোরণের শব্দ আর ড্রোনের পাখার আওয়াজ আর শুনতে চায় না তারা।
রুশ সেনাবাহিনীর মতে, ৬ আগস্ট ইউক্রেনের সেনাবাহিনী কুরস্কে অভিযান শুরু করে। প্রচুর ড্রোন ও পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করে প্রায় ১ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে নেয়। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রাশিয়া সেখানে ব্যাপক বাহিনী মোতায়েন করলে ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ কমতে শুরু করে।
২৩ মার্চ পর্যন্ত ইউক্রেনীয় উন্মুক্ত সূত্রের (ওপেন সোর্স) তথ্যভিত্তিক সমর বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ডিপ স্টেট (Deep State) প্রকাশিত সর্বশেষ মানচিত্র অনুযায়ী, ইউক্রেন মাত্র ৮১ বর্গকিলোমিটার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। অন্যদিকে, রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের ১ লাখ ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ডের দখল নিয়ে নিয়েছে, যা দেশটির মোট ভূখণ্ডের প্রায় ২০ শতাংশ।
ইউক্রেনের মতে, কুরস্কের অভিযান রাশিয়ার ভূখণ্ডে যুদ্ধ ছড়িয়ে দেওয়া, রুশ বাহিনীর মনোযোগ বিভ্রান্ত করা, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বিব্রত করা এবং ভবিষ্যতের আলোচনায় সুবিধা পাওয়ার জন্য চালানো হয়েছিল। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ রয়টার্সকে জানিয়েছে, অভিযানের ‘বেশির ভাগ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।’
অন্যদিকে, রাশিয়ার সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ ১২ মার্চ কুরস্ক অঞ্চলে এক বৈঠকে পুতিনকে জানান, ইউক্রেন হাজার হাজার দক্ষ সেনা হারিয়েছে এবং তাদের পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
গেরাসিমভ বলেন, ‘কিয়েভ সরকার কুরস্কে কৌশলগত অবস্থান গড়ে তুলে সেটাকে আলোচনার সময় ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে গেছে।’
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুরস্কে ইউক্রেনের প্রায় ৬৯ হাজার ৭০০ সেনা হতাহত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে ৫ হাজার ৭০০ ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান। তবে এই পরিসংখ্যান প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে বিক্ষোভকারীরা সহিংস কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ’ অভিহিত করে তিনি বলেন, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১২ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে