২০২৪ সালে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।
আজ বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের নির্বাচন আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশটির নির্বাচন কমিশন নতুন করে নির্বাচনী এলাকা চিহ্নিত করার ফলে তা বিলম্বিত হচ্ছে।
আজ একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নতুন নির্বাচনী এলাকার একটি চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে তা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। পরবর্তী ৫৪ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিল, বাছাই, আপিল ও প্রচারণা শেষে জানুয়ারির শেষ দিকে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
২৪ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার দেশ পাকিস্তানে গত আগস্টে পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে নতুন নির্বাচনের জন্য সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং নির্বাচন তদারকির জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়। নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী করা হয় দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজনীতিবিদ আনোয়ারুল হক কাকারকে।
নির্বাচনের সময় নির্ধারণের বিষয়ে পাকিস্তানি রাজনীতি বিশ্লেষক হাসান আসকারি রিজভী এএফপিকে বলেছেন, ‘তারিখ ঘোষণা ইতিবাচক এবং তাৎপর্যপূর্ণ। তবে পাকিস্তানের রাজনীতি এতটাই অস্থির যে তিন মাস পর কী ঘটবে তা অনুমান করা যায় না।’
নির্বাচনকে সামনে রেখে পাকিস্তানে নানা ধরনের গোলযোগ সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে দেশটির তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির (পিটিআই) জনপ্রিয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ বছরের রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। যদিও উচ্চ আদালতে ইমরান খানের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা স্থগিত করা হয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি-সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় এখনো তিনি জেলে আছেন।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে