
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবের জবাবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ইরান। তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো ‘অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি’ মেনে নেবে না। পরিবর্তে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করার ওপর জোর দিয়ে ১০ দফার একটি পাল্টা প্রস্তাব মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের কাছে জমা দিয়েছে ইরান। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইরানের দেওয়া এই ১০ দফা-সংবলিত প্রতিক্রিয়ায় যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। আইআরএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দফার উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো—
আঞ্চলিক সংঘাতের অবসান: পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান সব ধরনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে।
হরমুজ প্রণালি প্রটোকল: হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য একটি স্থায়ী ও নিরাপদ ‘সেফ প্যাসেজ’ প্রটোকল তৈরি করতে হবে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: ইরানের ওপর আরোপিত সব ধরনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নিতে হবে।
পুনর্গঠন ও ক্ষতিপূরণ: যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকাগুলোর পুনর্গঠন ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
আইআরএনএর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের এই অবস্থান মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে জানানো হয়েছে। ইরান বলেছে, জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই কেবল যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনার জন্য ১৫ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের সেই চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে পাল্টা ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান।

মিয়ানমারের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার আদালতে গণহত্যার মামলা করা হয়েছে। রোহিঙ্গা গণহত্যায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গতকাল সোমবার ইন্দোনেশিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ মামলা করা হয়। ইয়াসমিন উল্লাহ নামের এক রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং ইন্দোনেশিয়ার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ
৫ মিনিট আগে
অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ২১টি সামরিক বিমান শত্রুদের আকাশসীমায় পাঠিয়েছিল। অনেক বিমান নিচ দিয়ে উড়ছিল এবং সেগুলোতে গুলি লাগছিল। দিনের আলোতে টানা সাত ঘণ্টা ইরানে এই অভিযান চালানো হয়। কিছু জায়গায় আমাদের সেনারা শত্রুপক্ষের ভারী গুলিবর্ষণের মুখোমুখি হয়েছে।’
১৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকিকে ঘিরে ইরানে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন—যদি ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানো হবে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের তেল নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি এখন আমাদের দখলের অপেক্ষায় আছে, এটি নিয়ে তাদের (ইরান) কিছুই করার নেই। দুর্ভাগ্যবশত, আমেরিকান জনগণ চায়, আমরা বাড়ি ফিরে যাই। যদি এটি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি ইরানের তেল নিতাম।
২ ঘণ্টা আগে