
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব ভিডিওর মধ্যে শুধু একটি ভিডিওতেই তারিখ উল্লেখ রয়েছে—৯ জানুয়ারি।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিবিসি জানিয়েছে, প্রায় ছয় মিনিট দৈর্ঘ্যের ওই ভিডিওটিতে একাধিক সম্পাদনা রয়েছে। ভিডিওতে কেন্দ্রটির বাইরের বিভিন্ন কোণ থেকে দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। মেঝেতে সারি সারি বডি ব্যাগ এবং কাফনে মোড়ানো মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সেখানে উপস্থিত বহু মানুষকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা গেছে। একপর্যায়ে এক ব্যক্তি মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে অন্যরা তাকে উঠতে সাহায্য করেন।
ভিডিওর একটি অংশে দেখা যায়—কয়েকজন মানুষ একটি স্ক্রিনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, যেখানে পর্যায়ক্রমে মৃত ব্যক্তিদের মুখের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। অন্য ভিডিওগুলোর তুলনায় এই ভিডিওতে মর্গের ভেতরের দৃশ্য দেখা না গেলেও, মর্গের বাইরে রাখা বডি ব্যাগের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো।
সুনির্দিষ্ট একটি দৃশ্যে একসঙ্গে অন্তত ২১টি বডি ব্যাগ দেখা গেছে। পুরো ভিডিও জুড়ে মেঝে বা ট্রলির ওপর শোয়ানো অবস্থায় মোট ১৮২টি দেহ বা দেহ সদৃশ অবয়ব গণনা করা গেছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। ভিডিওগুলোর সত্যতা ও সেখানে প্রদর্শিত দৃশ্যের প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৭ মিনিট আগে