
গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্রিকসের সর্বশেষ বড় সম্মেলন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, জোট সম্প্রসারণ করা হবে। সিদ্ধান্ত অনুসারে আর্জেন্টিনা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জোটে যোগ দেওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। তবে সেই সিদ্ধান্ত থোড়াই কেয়ার করে জোটে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আর্জেন্টিনা। তবে বাকি পাঁচটি দেশ আনুষ্ঠিকভাবে জোটে যোগ দিয়েছে।
ব্রিকস জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নালেডি প্যান্ডর গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছে।
ব্রিকস জোটে আগে থেকেই পাঁচটি—ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা—সদস্য দেশ ছিল। এবার মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নতুন করে যোগ দেওয়ায় জোটের সদস্য সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ১০।
গতকাল বুধবার নালেডি প্যান্ডর বলেছেন, ‘ব্রিকসের সদস্যপদ নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে ছয়টি দেশের মধ্যে পাঁচটি দেশই নিশ্চিত করেছে। সেগুলো হলো—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া, ইরান ও মিসর।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আর্জেন্টিনা জানিয়েছে, তারা ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য আগের প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে না। আমরা তাদের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’
এর আগে, গত নভেম্বরে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডায়ানা মন্ডিনো গত রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুৎনিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘১ জানুয়ারি আর্জেন্টিনা ব্রিকসে যোগ দেবে এমন কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।’
ডায়ানা মন্ডিনো বলেছিলেন, ‘আমি বুঝি না, ব্রিকসে যোগ দেওয়া নিয়ে এত আগ্রহ কেন?’ এ সময় তিনি জানান, আর্জেন্টিনা কেন ব্রিকসে যোগ দেবে এবং দিলে কী কী সুবিধা আর্জেন্টিনা পাবে, সে বিষয়গুলো পরিষ্কার নয়। তিনি আরও জানান, সংস্থাটিতে আর্জেন্টিনা কেন যোগ দেবে, সে-বিষয়ক সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করবে আগে, তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সেই সূত্রে বলা যায়, আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রশাসন আপাতত ব্রিকসে যোগ দেবে না বলেই মনে হচ্ছে। শিগগির এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা আছে বলেও মনে হয় না।

গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্রিকসের সর্বশেষ বড় সম্মেলন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, জোট সম্প্রসারণ করা হবে। সিদ্ধান্ত অনুসারে আর্জেন্টিনা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জোটে যোগ দেওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। তবে সেই সিদ্ধান্ত থোড়াই কেয়ার করে জোটে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আর্জেন্টিনা। তবে বাকি পাঁচটি দেশ আনুষ্ঠিকভাবে জোটে যোগ দিয়েছে।
ব্রিকস জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী নালেডি প্যান্ডর গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছে।
ব্রিকস জোটে আগে থেকেই পাঁচটি—ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা—সদস্য দেশ ছিল। এবার মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নতুন করে যোগ দেওয়ায় জোটের সদস্য সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ১০।
গতকাল বুধবার নালেডি প্যান্ডর বলেছেন, ‘ব্রিকসের সদস্যপদ নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে ছয়টি দেশের মধ্যে পাঁচটি দেশই নিশ্চিত করেছে। সেগুলো হলো—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইথিওপিয়া, ইরান ও মিসর।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আর্জেন্টিনা জানিয়েছে, তারা ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য আগের প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে না। আমরা তাদের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’
এর আগে, গত নভেম্বরে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডায়ানা মন্ডিনো গত রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুৎনিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘১ জানুয়ারি আর্জেন্টিনা ব্রিকসে যোগ দেবে এমন কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।’
ডায়ানা মন্ডিনো বলেছিলেন, ‘আমি বুঝি না, ব্রিকসে যোগ দেওয়া নিয়ে এত আগ্রহ কেন?’ এ সময় তিনি জানান, আর্জেন্টিনা কেন ব্রিকসে যোগ দেবে এবং দিলে কী কী সুবিধা আর্জেন্টিনা পাবে, সে বিষয়গুলো পরিষ্কার নয়। তিনি আরও জানান, সংস্থাটিতে আর্জেন্টিনা কেন যোগ দেবে, সে-বিষয়ক সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করবে আগে, তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সেই সূত্রে বলা যায়, আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রশাসন আপাতত ব্রিকসে যোগ দেবে না বলেই মনে হচ্ছে। শিগগির এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা আছে বলেও মনে হয় না।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৭ ঘণ্টা আগে