
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক-শিল্প কমান্ড, অপারেশনাল এবং লজিস্টিক্যাল ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর অংশ হিসেবে এই সমন্বিত অভিযান চালায় আইআরজিসি। এই হামলার মুখে পাঁচ হাজার সেনাসহ মার্কিন উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘এলএইচএ-৭’ ভারত মহাসাগরের গভীরে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম আইআরজিসির বিবৃতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, পাঁচ হাজারের বেশি নাবিক, নৌ-সেনা ও বেশ কিছু হেলিকপ্টার নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উভচর জাহাজ এলএইচএ-৭ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের কবলে পড়ে। পরে তীব্র হামলার মুখে যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে সরে গেছে।
অভিযানের প্রথম ধাপে আইআরজিসি নেভি ইসরায়েলি কার্গো জাহাজ ‘এসডিএন৭’ লক্ষ্য করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। এতে জাহাজটি ধ্বংস হয়ে যায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তেল আবিবের উত্তর ও দক্ষিণ অংশ, হাইফা, বিয়ার শেভার রাসায়নিক কারখানা এবং পেতাহ তিকভায় ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলোতে নিখুঁতভাবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রুখতে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান।
এ ছাড়া এই অভিযানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের যৌথ ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত বেশ কিছু যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসি জানিয়েছে, শত্রুদের লক্ষ্যবস্তুতে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মিয়ানমারের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার আদালতে গণহত্যার মামলা করা হয়েছে। রোহিঙ্গা গণহত্যায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গতকাল সোমবার ইন্দোনেশিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ মামলা করা হয়। ইয়াসমিন উল্লাহ নামের এক রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং ইন্দোনেশিয়ার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ
৫ মিনিট আগে
অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ২১টি সামরিক বিমান শত্রুদের আকাশসীমায় পাঠিয়েছিল। অনেক বিমান নিচ দিয়ে উড়ছিল এবং সেগুলোতে গুলি লাগছিল। দিনের আলোতে টানা সাত ঘণ্টা ইরানে এই অভিযান চালানো হয়। কিছু জায়গায় আমাদের সেনারা শত্রুপক্ষের ভারী গুলিবর্ষণের মুখোমুখি হয়েছে।’
১৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকিকে ঘিরে ইরানে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন—যদি ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানো হবে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের তেল নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি এখন আমাদের দখলের অপেক্ষায় আছে, এটি নিয়ে তাদের (ইরান) কিছুই করার নেই। দুর্ভাগ্যবশত, আমেরিকান জনগণ চায়, আমরা বাড়ি ফিরে যাই। যদি এটি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি ইরানের তেল নিতাম।
২ ঘণ্টা আগে