আজকের পত্রিকা ডেস্ক

দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ‘দেশে বিরাজমান পরিস্থিতি’ বিবেচনায়।
চলমান বিক্ষোভের মধ্যে ইরানে ইন্টারনেট ও যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণভাবে অচল হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, দেশের সামগ্রিক ইন্টারনেট ব্যবহার স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে মাত্র ১ শতাংশে নেমে এসেছে।
ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ, সংবাদপ্রবাহ এবং জরুরি সেবায় প্রবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে হতাহতের তথ্য যাচাই ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইরানে ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে একে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে।

দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট কার্যকর করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ‘দেশে বিরাজমান পরিস্থিতি’ বিবেচনায়।
চলমান বিক্ষোভের মধ্যে ইরানে ইন্টারনেট ও যোগাযোগব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণভাবে অচল হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, দেশের সামগ্রিক ইন্টারনেট ব্যবহার স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে মাত্র ১ শতাংশে নেমে এসেছে।
ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ, সংবাদপ্রবাহ এবং জরুরি সেবায় প্রবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে হতাহতের তথ্য যাচাই ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইরানে ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে একে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
১০ ঘণ্টা আগে
কঠোর দমনপীড়নের মধ্যেও ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় শুক্রবার রাতে আবার ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে দেওয়া বর্ণনায় তিনি জানান, শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীরা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন।
১০ ঘণ্টা আগে