দক্ষিণ আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে মাদক চোরাচালান একটি বড় সমস্যা। মাদক নিয়ে নানান দ্বন্দ্বে দেশটিতে প্রায়ই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দেশটির সরকারও মাদকবিরোধী নানান অভিযান পরিচালনা করে। সম্প্রতি এমনই এক অভিযানে কুখ্যাত মাফিয়া মাদকসম্রাট এল চাপোর ছেলে গুজম্যান লোপেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর জেরে মেক্সিকোতে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা দেখা দিয়েছে।
আজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার মেক্সিকোর সিনালোয়া রাজ্যের কুলিয়াকান শহরে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গায় নিরাপত্তা বাহিনীর তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া সড়ক বন্ধ করে যানবাহনে আগুন দিয়েছে দাঙ্গাকারীরা এবং স্থানীয় বিমানবন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে। দুটি উড়োজাহাজে গুলি করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি উড়োজাহাজ উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ ঘটনার পর শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
রাজ্যের গভর্নর বলেছেন, এ পর্যন্ত আহত ১৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এল চাপোর ছেলে গুজম্যান লোপেজ নিজেকে তাঁর বাবার সাবেক অপরাধী চক্র ‘সিনালোয়া কার্টলের’ নেতা বলে দাবি করতেন।
মেক্সিকোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী লুয়িস ক্রেসেনসিও সান্দোভাল বলেছেন, গুজম্যান লোপেজ কুখ্যাত সিনালোয়া কার্টলের একটি উপদলের নেতৃত্বে ছিলেন। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মাদক পাচারকারী দল।
মার্কিন গোয়েন্দাদের সহায়তায় গুজম্যান লোপেজকে দীর্ঘ ৬ মাসের নজরদারির পর গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান মেক্সিকোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী লুয়িস ক্রেসেনসিও সান্দোভাল।
এর আগে ২০১৯ সালের দিকে গুজম্যান লোপেজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে সহিংসতা এড়াতে সে সময় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন গুজম্যান লোপেজের বাবা কুখ্যাত মাদকসম্রাট এল চাপো। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ও অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
৪১ মিনিট আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
২ ঘণ্টা আগে
চলমান সংঘাত নিরসনে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আজ বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরআইবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
৩ ঘণ্টা আগে