Ajker Patrika

সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটে ঢুকছে তুরস্ক ও কাতার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ১৬: ০৩
সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটে ঢুকছে তুরস্ক ও কাতার
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা জোটগুলোর সমীকরণ বদলে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ইঙ্গিত দিয়েছে, সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিতে তুরস্ক ও কাতারও যুক্ত হতে পারে। আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, এই ব্যবস্থার চূড়ান্ত রূপ বর্তমানে নির্ধারণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এটি আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোতে রূপ নিতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই এই উদ্যোগ সামনে এল। এই সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোকে সরাসরি প্রভাবিত করেছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা, সমুদ্রপথ ও সামগ্রিক আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

সংকটের সময় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ইসলামাবাদ একদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগে সহায়তা করছে, অন্যদিকে প্রকাশ্যে সংলাপ ও উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে।

গত সোমবার রাতে পাকিস্তানের একটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, ‘কাতার ও তুরস্ক যদি এই বিদ্যমান চুক্তিতে যোগ দেয়, তাহলে সেটি অবশ্যই স্বাগতম জানানোর মতো ঘটনা হবে।’ তিনি বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ‘সমমনা’ দেশগুলোর মধ্যে আরও বিস্তৃত সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা, যাতে ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও যৌথ নিরাপত্তা’ শক্তিশালী করা যায়।

এর আগে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ও পাকিস্তান একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। ওই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ‘যেকোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধেই আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’

ইরানের পাল্টা হামলায় আঞ্চলিক বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর থেকে সৌদি আরব ও পাকিস্তান তাদের নিরাপত্তা সমন্বয় আরও জোরদার করেছে। গত মাসে যৌথ সামরিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিতে পাকিস্তানের একটি সামরিক দল সৌদি আরবের বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে পৌঁছায়।

তুরস্ক ও কাতারকে অন্তর্ভুক্ত করে যদি এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হয়, তাহলে সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি প্রভাবশালী মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র একত্রিত হবে। এর মধ্যে সৌদি আরব ও তুরস্কও থাকবে, যাদের সম্পর্ক অতীতে নানা ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

শেষ বিদায়ে সহকর্মীদের ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধা: অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেনে থমকে গেল জনপদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৬ থেকে ২৩ দিনের টানা ছুটি আসছে

চট্টগ্রাম নগরীর ফ্লাইওভারে ঝুলছিল ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ

জাবিতে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা কোচের পদত্যাগ, গন্তব্য কি বাংলাদেশ

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত