
ইরানের আকাশসীমায় বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানটি সম্ভবত একটি ‘এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ধ্বংসাবশেষের ছবি বিশ্লেষণ করে সামরিক বিশেষজ্ঞরা এই যুদ্ধবিমানের মডেল নিশ্চিত করেছেন। এটি একটি ডুয়েল রোল ফাইটার জেট, যা একই সঙ্গে আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে ভূমিতে নিখুঁত হামলা চালাতে সক্ষম।
ইরান যুদ্ধে এই শক্তিশালী যুদ্ধবিমানগুলো মূলত ‘ডিফেন্সিভ কাউন্টার এয়ার’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য হলো ইরানি ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইল শনাক্ত করে ভূপাতিত করা। এ ছাড়া এটি লেজার এবং জিপিএস নিয়ন্ত্রিত সুনির্দিষ্ট বোমা নিক্ষেপে অত্যন্ত কার্যকর।
এই যুদ্ধবিমানের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এর দুই আসনবিশিষ্ট ককপিট। সামনের আসনে পাইলট বসে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ করেন। পেছনের আসনে বসেন একজন ক্রু। তাঁর সামনে চারটি স্ক্রিন থাকে ও তাঁর প্রধান কাজ হলো লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করা এবং প্রতিটি হামলার জন্য অস্ত্রগুলোকে সঠিকভাবে প্রোগ্রাম করা।
এই দুই ক্রু পদ্ধতির ফলে কাজের চাপ ভাগ হয়ে যায়, বিশেষ করে, যখন পাইলট শত্রুর আক্রমণ এড়িয়ে বিমান চালানোর চেষ্টা করেন, তখন ‘উইজো’ হামলার দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন।
যদিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি ইরানে বিধ্বস্ত মার্কিন বিমানটি এফ-১৫ নাকি এফ-৩৫। যেটিই হোক, যুদ্ধবিমানটি ঠিক কীভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এফ-১৫ হলে এটি সম্ভবত সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল বা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়েছে।
বিশেষ করে, ইরানে থাকা স্বল্পপাল্লার ‘ম্যানপ্যাড’ বা বহনযোগ্য ইনফ্রারেড গাইডেড সিস্টেমগুলো মার্কিন যুদ্ধবিমানের জন্য বড় হুমকি। কারণ, এগুলো খুব দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া যায়। সাধারণত এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বাঁচতে যুদ্ধবিমানগুলো ‘ফ্লেয়ার’ ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করার চেষ্টা করে।
মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা এই যুদ্ধে ইরানের অনেক অংশে আকাশপথের শ্রেষ্ঠত্ব বা ‘এয়ার সুপিরিয়রিটি’ দাবি করে এলেও এ ঘটনা প্রমাণ করে যে—মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকি এখনো প্রবল।

মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনির কাজের জন্য মজুত করে রাখা বিস্ফোরকের একটি গুদামে বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ৪৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটা এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।
২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আরব উপসাগরে আটকা পড়ে ১০৯টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তায় এই অবরুদ্ধ দশা থেকে ২৯টি বড় তেলের ট্যাংকার নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
গত মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানটি সম্ভবত চীনের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিষয়টির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে এই তথ্য জানিয়েছে...
২ ঘণ্টা আগে
আধুনিক বিশ্বে জ্বালানি ও তথ্য (ডেটা) সরবরাহের অন্যতম মাধ্যম সমুদ্রগর্ভের পাইপলাইন এবং সাবমেরিন কেব্ল। সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ ও রাশিয়া-চীনের গোপন নজরদারিতে সমুদ্রগর্ভের পাইপলাইন ও সাবমেরিন কেব্ল নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য...
২ ঘণ্টা আগে