Ajker Patrika

কোন উদ্দেশ্যে ইসরায়েলে ১০০ রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
কোন উদ্দেশ্যে ইসরায়েলে ১০০ রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র
২০২৬ সালের মার্চে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থানরত কিছু মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান। ছবি: আনাদোলু

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) সামরিক বিমান ইসরায়েলে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই এই মোতায়েন হয়েছে বলে গতকাল রোববার ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়ালা ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের রামোন বিমানবন্দরে ১০০টি রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে।

সূত্রটি বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে তাদের হামলা আরও জোরদার করে, তাহলে ইসরায়েলে আরও বেশি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েনের প্রয়োজন হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সে ক্ষেত্রে এসব বিমান তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরেও অবতরণ করতে পারে।’

বর্তমানে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমে বেসামরিক বিমান চলাচলে সম্ভাব্য বিঘ্নের বিষয়ে ইসরায়েলের সতর্কবার্তার মধ্যেই বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩টি রিফুয়েলিং বিমান অবস্থান করছে। তবে বর্তমানে ইসরায়েলে মোট কতটি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েন রয়েছে, সে বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব বা অনুমান প্রকাশ করা হয়নি।

শনিবার ইসরায়েলের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম কান জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মোতায়েন পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনার কথা ইসরায়েলকে জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইসরায়েলে আরও রিফুয়েলিং বিমান পাঠানো হবে। এর মধ্যে কয়েকটি ইতোমধ্যেই দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে পৌঁছেছে, আর বাকিগুলো শিগগিরই অন্যান্য ঘাঁটিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জবাবে তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরান সংঘাতের অবসান এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছিল। তবে হরমুজ প্রণালি নিয়ে গত সপ্তাহে বিরোধ নতুন করে তীব্র হয়ে ওঠে এবং উভয় পক্ষ আবারও পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়ে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত