সরকারগুলো দুর্নীতির লাগাম টানতে না পারায় দেশ ছাড়তে চান আফ্রিকার দেশগুলোর অন্তত ৬০ শতাংশ তরুণ। আফ্রিকার ১৬ দেশে পরিচালিত জরিপের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
আফ্রিকান ইয়ুথ সার্ভে-২০২৪ শীর্ষক জরিপটি পরিচালনা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গভিত্তিক ইচিকোভিটস ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন। বতসোয়ানা, ক্যামেরুন, শাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, আইভরি কোস্ট, ইথিওপিয়া, গ্যাবন, ঘানা, কেনিয়া, মালাউই, নামিবিয়া, নাইজেরিয়া, রুয়ান্ডা, দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া এবং জাম্বিয়ার ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৫ হাজার ৬০৪ জন তরুণের ওপর এই জরিপ চালানো হয়।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৮০ শতাংশই জানিয়েছেন, তারা তাদের দেশে দুর্নীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। ৬২ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তাদের দেশের সরকার দুর্নীতির লাগাম টানতে ব্যর্থ হয়েছে। এ ছাড়া, ৫৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী তরুণ জানিয়েছেন, তারা আগামী ৩ বছরের মধ্যে নিজ দেশ ছাড়ার ব্যাপাকে ‘খুবই’ কিংবা ‘অনেকটাই আগ্রহী’।
চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে পরিচালিত এই জরিপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার, ব্যবসা এবং পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিস্তার নিয়ে তরুণেরা ব্যাপক উদ্বিগ্ন। তরুণেরা দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা চায়। বিশেষ করে তারা যাতে আর ক্ষমতায় ফিরতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে চান তারা।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি—৫৫ শতাংশ—বলেছেন, আফ্রিকা ‘ভুল পথে’ যাচ্ছে। তবে বিপরীতে আফ্রিকা ভালোর দিকে যাচ্ছে এমন আশাবাদী মানুষের সংখ্যাও কম নয়। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ জানিয়েছেন, আফ্রিকার দেশগুলো ইতিবাচক পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে।
ইচিকোভিটস ফ্যামিলি ফাউন্ডেশনের জরিপ বলছে, তরুণ যেসব আফ্রিকান দেশত্যাগ করতে চান তারা উত্তর আমেরিকাকে তাদের শীর্ষ গন্তব্য হিসেবে পছন্দ করেন। এরপর তাদের পছন্দের শীর্ষে আছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং স্পেনসহ পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা বা আলোচনার খবর সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আলোচনার দাবি করা হলেও বর্তমানে কোনো আলোচনা চলছে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রর উত্থাপিত ১৫ দফা প্রস্তাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর আরোপিত জ্বালানি অবরোধ আংশিক শিথিল করে একটি রুশ তেলবাহী একটি ট্যাংকারকে দেশটিতে পৌঁছানোর অনুমতি দিয়েছেন। ফলে দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকটে ভোগা কিউবা সাময়িক স্বস্তি পেয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ইরানের নতুন নেতাদের সঙ্গে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। আলোচনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু যদি কোনো কারণে চুক্তি না হয় এবং হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে খুলে দেওয়া না হয়, তবে আমরা আমাদের এই ‘অবস্থান’ থেকে সরে এসে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র,
১১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই দ্বীপটি পারস্য উপসাগরের উত্তরে অবস্থিত এবং ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১২ ঘণ্টা আগে