
ডেঙ্গু আবারও হানা দিয়েছে। বছর বছর ডেঙ্গু রুদ্রমূর্তি নিয়ে ফিরে এলেও প্রায় সবার মধ্যে এখনো অনেক বিভ্রান্তি রয়ে গেছে এ নিয়ে। সাধারণ মানুষ ও চিকিৎসক উভয় পক্ষেই আছে কিছু ভুল জানাজানি।
ডেঙ্গু রোগে প্লাটিলেট কাউন্ট এবং এর ট্রান্সফিউশন নিয়ে রোগীরা আতঙ্ক ও নানা রকম বিভ্রান্তিতে ভুগতে থাকে। সমস্যা হচ্ছে, শুধু রোগী নয়, খোদ চিকিৎসকেরাও এই প্লাটিলেট কমে যাওয়া নিয়ে থাকেন আতঙ্কে। ফলে রোগীরা আরও বেশি আতঙ্কিত হয়। প্লাটিলেট কী, তার কাজ কী, কীভাবে এটি কাজ করে—সেই সব নিয়ে ঠিকমতো জানার চেষ্টা করলে আতঙ্কটা থাকার কথা ছিল না।
কেউ কেউ প্রোফাইলেকটিক বা আগাম সতর্কতামূলক প্লাটিলেট দেওয়ার জন্য অস্থির হয়ে পড়েন। এর জন্য তাঁরা কিছু নিজস্ব যুক্তিও তৈরি করেন। যেমন রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে প্লাটিলেট দিয়ে লাভ কী ইত্যাদি।
এগুলো মূলত মনগড়া আতঙ্ক এবং অনেকখানি অজ্ঞতাপ্রসূত ধারণা।
যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে
প্লাটিলেট কখন দেবেন
প্লাটিলেট তখনই দেবেন, যখন রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা দেবে শরীরে। র্যাশ হবে, রক্তক্ষরণ হবে—কেবল তখনই দিতে পারেন। আর রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখলেই আতঙ্কিত হবেন না। এটুকু রক্তক্ষরণে কিছু হবে না।
রক্তক্ষরণের চিহ্ন নেই কিন্তু প্লাটিলেট ১০ হাজার বা এর নিচে হলেও দিতে পারেন। ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট আসলে খুব জরুরি না হলে দেওয়ার দরকার নেই। জরুরি হলে সিদ্ধান্তটিও নেবেন চিকিৎসকেরা।
ডেঙ্গু হলেই বারবার প্লাটিলেটের মাত্রা দেখারও কোনো প্রয়োজন নেই। এটা দেখে রোগের তীব্রতা বোঝা যায় না। প্লাটিলেট পর্যাপ্ত থাকার পরও রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হতে পারে। মারাও যেতে পারে। জেনে রাখা ভালো, ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমে রক্তক্ষরণ হয়ে রোগী মারা যায়, ব্যাপারটা সব ক্ষেত্রে এমন নয়।
রোগী মারা যায় ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে। ডেঙ্গুতে ভাইরাসের কারণে রক্তনালিগুলো আক্রান্ত হয়। রক্তনালির গায়ে যে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, সেগুলো বড় হয়ে যায়। এই ছিদ্র দিয়ে রক্তের জলীয় উপাদান বা রক্তরস বের হয়ে আসে। ফলে রক্তচাপ কমতে থাকে। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে রক্তসঞ্চালন কমে যায়। তখন অরগান ফেইলিউর হয়, যা খুবই বিপজ্জনক।
এটা ঠেকাতে রোগীকে প্রচুর ফ্লুইড বা তরল খাওয়াতে হবে। মুখে খাওয়াতে হবে, প্রয়োজনে চিকিৎসক শিরাপথে শরীরে তরল ঢোকানোর ব্যবস্থা করবেন। তাই ঘন ঘন প্লাটিলেট না দেখে রক্তচাপ কমছে কি না, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ডায়রিয়া ও রক্তের পিসিভি বা হেমাটোক্রিট ঠিক আছে কি না দেখুন।
ডা. গুলজার হোসেন, রক্তরোগ ও রক্ত ক্যানসার বিশেষজ্ঞ, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পিআরও মাহমুদুল হাসান আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
২ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঈদের ছুটিতে রোগীদের সেবা অটুট রাখতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, লেবার রুম, জরুরি অস্ত্রোপচার এবং পরীক্ষাগার চালু রাখাসহ ১৬টি নির্দেশনা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান পাঠানো চিঠিতে বেসরকারি হাসপাতালেও জরুরি সেবা..
৪ দিন আগে
দীর্ঘায়ু লাভের আশায় বর্তমানে একদল মানুষ এমন কিছু ওষুধের দিকে ঝুঁকছেন, যা মূলত টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং স্থূলতা নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি। গ্লুকাগন-লাইক পেপটাইড-১ রিসেপ্টর অ্যাগোনিস্ট (জিএলপি-১) নামের এই ওষুধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো ‘সেমাগ্লুটাইড’ (যা ওজেম্পিক বা ওয়েগোভী নামে বাজারে পাওয়া যায়)।
৫ দিন আগে
ওষুধের যেমন নিরাময় করার ক্ষমতা আছে, তেমনি ক্ষতি করার ক্ষমতাও রয়েছে। আইবুপ্রোফেনের মতো ওষুধগুলো কার্যকর এবং নিরাপদ হলেও রোগীদের এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত—বিশেষ করে যাদের কিডনি রোগের ঝুঁকি আছে।’ তিনি রোগীদের প্রয়োজনে বিকল্প ওষুধ ব্যবহারের কথা বিবেচনা করতে এবং কোনো সংশয় থাকলে ফার্মাসিস্টের
৫ দিন আগে