দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের পেছনের কারণ এবং হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় রয়েছে এবং সেসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে।
আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত ‘হামের প্রাদুর্ভাব ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। এ বৈঠকের আয়োজন করে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি হলে তা জানানো হবে। রাষ্ট্রের একটা দায়িত্ব আছে। প্রত্যেকটি ঘটনায় তদন্ত হওয়া দরকার।
উল্লেখ্য, চলতি বছর এ পর্যন্ত বাংলাদেশে অন্তত ৬১ জন শিশু ল্যাব-নিশ্চিত হামের সংক্রমণে মারা গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া হামের মতো উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ২৯১ শিশু। এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৩৫২ শিশুর মৃত্যু হলো।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ মে পর্যন্ত সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ৬ হাজার ৯৭৯ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সর্বশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৪৭ হাজার ৫৫৬ জন সন্দেহভাজন হামের রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৯ হাজার ৭৪৬ জন।

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশু নিশ্চিতভাবে হামে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫২ জনে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ ও একুশ শতকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অকল্পনীয় উন্নতি সত্ত্বেও একটি সাধারণ অভ্যাস এখনো প্রাণ বাঁচানোর কার্যকরী হাতিয়ার হিসেবে স্বীকৃত। সেটি হলো ‘হাত ধোয়া’। ৫ মে ছিল ‘বিশ্ব হাত পরিচ্ছন্নতা দিবস’। ‘পদক্ষেপই জীবন বাঁচায়—নিরাপদ চিকিৎসা পরিচ্ছন্ন হাত থেকে শুরু হয়’ প্রতিপাদ্যে প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিশ্ব....
৫ ঘণ্টা আগে
জন্মগত গ্লকোমা হলো এমন একটি চক্ষুরোগ, যা শিশুর জন্মের সময় বা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে চোখের ভেতরের চাপ বাড়ার কারণে ঘটে। এটি বিরল রোগ। তবে চিকিৎসা ছাড়া তা স্থায়ীভাবে চোখের ক্ষতি এবং অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। জন্মগত গ্লকোমার মূল কারণ হলো চোখের অভ্যন্তরীণ তরল সঠিকভাবে নিষ্কাশিত না হওয়া, যা চোখের ভেতরের..
৭ ঘণ্টা আগে
অনিদ্রা বা ইনসমনিয়া এমন একটি সাধারণ সমস্যা, যেখানে একজন ব্যক্তি ঘুমাতে যেতে দেরি করেন, মাঝরাতে বারবার জেগে ওঠেন অথবা ভোরে উঠে আবার ঘুমাতে পারেন না। দীর্ঘদিন এ সমস্যা থাকলে মনোযোগের ঘাটতি, ক্লান্তি, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার মতো শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
৯ ঘণ্টা আগে