
মক্কা নগরী এবং এর চারপাশে ঘিরে থাকা নির্দিষ্ট একটি পরিধি ইসলামে ‘হারাম’ বা অতি সম্মানিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চল স্বয়ং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত। ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর খলিল হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে এই হারামের সীমানা দেখিয়ে দিয়েছিলেন। জিবরাইল (আ.)-এর সেই নির্দেশনা অনুযায়ী হজরত ইবরাহিম (আ.) হারামের সীমানা চিহ্নিত করতে স্তম্ভ স্থাপন করেন।
ইসলামে হারাম শরিফ অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘(বলো) আমাকে তো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই শহরের রবের ইবাদত করতে, যিনি এটিকে সম্মানিত করেছেন; এর সবকিছু তাঁরই অধিকারে।’ (সুরা নামল: ৯১)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যেদিন আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিনই মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। কিয়ামত পর্যন্ত এটি হারামই থাকবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৩১৮৯)। এই সীমানার ভেতরে যুদ্ধবিগ্রহ, হত্যা বা রক্তপাত করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এমনকি এখানকার কোনো জীবজন্তু শিকার করা বা কোনো গাছপালা ও ঘাস কাটাও শরিয়ত অনুযায়ী হারাম।
কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে হারামের সীমানা সব দিকে সমান নয়। বিভিন্ন দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থানের মাধ্যমে এই সীমানা নির্ধারিত হয়েছে। নিচে বায়তুল্লাহ থেকে সেগুলোর দূরত্ব দেওয়া হলো:
হারাম এলাকায় প্রবেশের সময় মুমিন বান্দার মনে বিশেষ বিনয় ও আল্লাহর ভয় থাকা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে কিছু আদব ও সুন্নাহ অনুসরণের নির্দেশনা রয়েছে:
মক্কার এই পুণ্যভূমিতে পা রাখার মুহূর্ত থেকে নিজেকে আল্লাহর একান্ত অনুগত বান্দা হিসেবে উপস্থাপন করা এবং সব ধরনের বিতর্ক ও অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকাই হারামের প্রকৃত সম্মান।

দম আদায়ের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও শর্ত রয়েছে। ফিকহ শাস্ত্রের বিভিন্ন কিতাব, যেমন—ফাতহুল কাদির, রদ্দুল মুহতার ও আল বাহরুর রায়েকের আলোকে দমের সঠিক বিধান নিচে আলোচনা করা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ, নির্ভরযোগ্য এবং অকৃত্রিম ভালোবাসার নাম হলো মা। একজন মানুষ যখন প্রথম পৃথিবীর আলো দেখে, তখন তার প্রথম আশ্রয়, প্রথম নিরাপত্তা এবং মমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন মা। ইসলাম এই পবিত্র সম্পর্কটিকে শুধু আবেগ বা পারিবারিক বন্ধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং মায়ের মর্যাদাকে উন্নীত....
৯ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৪ ঘণ্টা আগে
হজ একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ইবাদত। ইহরাম বাঁধার পর থেকে হজের প্রতিটি ধাপ সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পালন করতে হয়। হজের কোনো ওয়াজিব কাজ বাদ পড়লে বা ইহরামের নিষিদ্ধ কোনো কাজে লিপ্ত হলে তার প্রতিকার হিসেবে ‘দম’ বা কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব হয়ে যায়।
১ দিন আগে