
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১১০ জন।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে গত ২৪ ঘণ্টার (গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) হিসাব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৫, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এক, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১২, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২১, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) আট, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তি খুলনা বিভাগের হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে এবং মে ও জুন মাসে একজন করে রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৩ হাজার ১৩৮ জন।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ নারী।

সন্তান জন্মদানের পর মানসিক চাপ ও ট্রমা, পরিবার সম্পূর্ণ হওয়া কিংবা ভবিষ্যতে সন্তান না নেওয়ার নিজস্ব ইচ্ছার কারণে স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে ‘ভ্যাসেকটমি’ বা পুরুষদের স্থায়ী অস্ত্রোপচারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
সংকটাপন্ন রোগীর জীবন বাঁচাতে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা ইউনিট। তবে এই সংবেদনশীল ইউনিটই এখন অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর সবচেয়ে বড় বিস্তারকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
অল্প বয়সে বিয়ে, অসচেতনতা এবং শিশুকে মাতৃদুগ্ধ না দেওয়ার কারণেই দেশে পুষ্টিহীনতা বাড়ছে। শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই। জন্মের পরপরই শিশুকে শালদুধ খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের প্রথম ছয় মাস শিশুর প্রধান খাদ্য হওয়া উচিত মায়ের বুকের দুধ। কিন্তু...
২০ ঘণ্টা আগে
আষাঢ়-শ্রাবণের রিমঝিম বৃষ্টি যেমন আমাদের মন ছুঁয়ে যায়, তেমনই আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে তৈরি হয় নানান স্বাস্থ্যঝুঁকি। বর্ষাকালে আবহাওয়া থাকে ভেজা স্যাঁতসেঁতে, বাতাস ও তাপমাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করে এবং আর্দ্রতা থাকে অতিরিক্ত। সব মিলিয়ে এই ঋতুতে হঠাৎ ঘরে ঘরে শুরু হয় হাঁচি, কাশি, জ্বর কিংবা সর্দির উপদ্রব।
১ দিন আগে