নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর মাস অন্য সব মাসকে ছাড়িয়ে গেছে। এই মাসে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৭৬ জন মারা গেছে। আগস্ট মাসে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ৩৯ জনের। অর্থাৎ আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ।
আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ৫৫৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। মশাবাহিত এই রোগে মৃত্যু হয়েছে আরও তিনজনের। চলতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৭ হাজার ৩৪২ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ১৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে এ বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৬৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১ এবং আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যার ক্ষেত্রেও জুলাই এ বছরের দ্বিতীয় অবস্থানে। এ মাসে ডেঙ্গুতে ৪১ জন মারা যায়। জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩, জুনে ১৯ ও আগস্টে ৩৯ জন ডেঙ্গুতে মারা যায়। তবে এ রোগে মার্চে কোনো মৃত্যু হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আজকের তথ্যে জানানো হয়েছে, গত এক দিনে মৃত তিনজনই বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে একজন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, একজন বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং একজন বরগুনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত তিনজনই পুরুষ এবং তাঁদের বয়স যথাক্রমে ৩৮, ৬৮ ও ৩৩ বছর।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি নতুন রোগীর মধ্যে ২১৪ জন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার। এ ছাড়া রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৮, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭০, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫, বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৭ এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
ডেঙ্গুতে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ৩৪৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৭৩ জন এবং রাজধানীর বাইরের হাসপাতালে ১ হাজার ৫৭৫ জন রয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল এবং মারা গেছে ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

দেশে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর মাস অন্য সব মাসকে ছাড়িয়ে গেছে। এই মাসে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৭৬ জন মারা গেছে। আগস্ট মাসে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ৩৯ জনের। অর্থাৎ আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ।
আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ৫৫৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। মশাবাহিত এই রোগে মৃত্যু হয়েছে আরও তিনজনের। চলতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৭ হাজার ৩৪২ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ১৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে এ বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৬৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১ এবং আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যার ক্ষেত্রেও জুলাই এ বছরের দ্বিতীয় অবস্থানে। এ মাসে ডেঙ্গুতে ৪১ জন মারা যায়। জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩, জুনে ১৯ ও আগস্টে ৩৯ জন ডেঙ্গুতে মারা যায়। তবে এ রোগে মার্চে কোনো মৃত্যু হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আজকের তথ্যে জানানো হয়েছে, গত এক দিনে মৃত তিনজনই বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে একজন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, একজন বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং একজন বরগুনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত তিনজনই পুরুষ এবং তাঁদের বয়স যথাক্রমে ৩৮, ৬৮ ও ৩৩ বছর।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি নতুন রোগীর মধ্যে ২১৪ জন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার। এ ছাড়া রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৮, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭০, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫, বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৭ এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
ডেঙ্গুতে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ৩৪৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৭৩ জন এবং রাজধানীর বাইরের হাসপাতালে ১ হাজার ৫৭৫ জন রয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল এবং মারা গেছে ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে