ফিচার ডেস্ক

নতুন বছরের শুরুতে আমাদের সবার মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের এক বাড়তি উদ্দীপনা কাজ করে। জিমগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ে, নতুন সব ওয়ার্কআউট প্ল্যান তৈরি হয়। তবে ফিটনেসের মূল চাবিকাঠি কঠোর পরিশ্রম নয়, বরং ধারাবাহিকতা। যাঁরা শুধু এক মাস মনপ্রাণ দিয়ে ব্যায়াম করেন, তাঁদের চেয়ে যাঁরা সারা বছর সহজ ও টেকসই অভ্যাস মেনে চলেন, তাঁরাই বেশি সুস্থ থাকেন। নতুন বছরের এই সংকল্পগুলো নিয়মিত পালনের মাধ্যমেই আপনি সারা বছর কর্মক্ষম ও নীরোগ থাকতে পারবেন।
১. প্রতিদিন খুব কঠিন ব্যায়াম করতে হবে—এমন কোনো কথা নেই; বরং নিয়মিত ৩০ মিনিটের শরীরচর্চা আপনার হৃৎপিণ্ড ও মেটাবলিজম ঠিক রাখতে যথেষ্ট। এটি ফিটনেসকে সাময়িক চ্যালেঞ্জের বদলে জীবনযাত্রায় রূপান্তর করে।
২. ব্যায়াম শুরুর আগে শরীর প্রস্তুত করুন। শেষে পেশিকে শিথিল করা অত্যন্ত জরুরি। এটি পেশির নমনীয়তা বাড়ায় এবং ইনজুরির ঝুঁকি কমায়।
৩. সুস্থ থাকতে হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পেশি ও হাড় মজবুত করাও প্রয়োজন। তাই রুটিনে দৌড়ানো বা হাঁটার (কার্ডিও) পাশাপাশি ওজন তোলা কিংবা পেশির ব্যায়াম (স্ট্রেংথ ট্রেনিং) রাখা উচিত।
৪. তাড়াহুড়ো করে অনেকবার ব্যায়াম করার চেয়ে ধীরেসুস্থে সঠিক অঙ্গভঙ্গিতে অল্প সময় ব্যায়াম করা বেশি কার্যকর। ভুল পদ্ধতিতে ব্যায়াম করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি থাকে।
৫. বিশ্রামের দিনগুলো অলসতা নয়, বরং পেশি পুনর্গঠনের জন্য অপরিহার্য। অতিরিক্ত ব্যায়াম ক্লান্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে, তাই নিয়মিত বিরতি নিন।
৬. শরীর হাইড্রেটেড থাকলে পেশি ও পরিপাকতন্ত্র সচল থাকে। ব্যায়ামের সময় তো বটেই, সারা দিন অল্প অল্প করে পানি পানের অভ্যাস করুন।
৭. শুধু ব্যায়াম করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। পেশি মেরামতের জন্য প্রোটিন এবং শক্তির জন্য জটিল কার্বোহাইড্রেট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ সুষম খাবার গ্রহণ করুন।
৮. শরীর যদি অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ব্যথা অনুভব করে, তবে তাকে গুরুত্ব দিন। জোর করে ব্যথা নিয়ে ব্যায়াম করা চোটের কারণ হতে পারে।
৯. অবাস্তব কোনো লক্ষ্য না নিয়ে আপনার জীবনযাত্রার সঙ্গে মানানসই পরিকল্পনা করুন। কোনো দিন ব্যায়াম করতে না পারলে হতাশ না হয়ে পরের দিন থেকে আবার শুরু করার মানসিকতা রাখুন।

নতুন বছরের শুরুতে আমাদের সবার মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের এক বাড়তি উদ্দীপনা কাজ করে। জিমগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ে, নতুন সব ওয়ার্কআউট প্ল্যান তৈরি হয়। তবে ফিটনেসের মূল চাবিকাঠি কঠোর পরিশ্রম নয়, বরং ধারাবাহিকতা। যাঁরা শুধু এক মাস মনপ্রাণ দিয়ে ব্যায়াম করেন, তাঁদের চেয়ে যাঁরা সারা বছর সহজ ও টেকসই অভ্যাস মেনে চলেন, তাঁরাই বেশি সুস্থ থাকেন। নতুন বছরের এই সংকল্পগুলো নিয়মিত পালনের মাধ্যমেই আপনি সারা বছর কর্মক্ষম ও নীরোগ থাকতে পারবেন।
১. প্রতিদিন খুব কঠিন ব্যায়াম করতে হবে—এমন কোনো কথা নেই; বরং নিয়মিত ৩০ মিনিটের শরীরচর্চা আপনার হৃৎপিণ্ড ও মেটাবলিজম ঠিক রাখতে যথেষ্ট। এটি ফিটনেসকে সাময়িক চ্যালেঞ্জের বদলে জীবনযাত্রায় রূপান্তর করে।
২. ব্যায়াম শুরুর আগে শরীর প্রস্তুত করুন। শেষে পেশিকে শিথিল করা অত্যন্ত জরুরি। এটি পেশির নমনীয়তা বাড়ায় এবং ইনজুরির ঝুঁকি কমায়।
৩. সুস্থ থাকতে হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পেশি ও হাড় মজবুত করাও প্রয়োজন। তাই রুটিনে দৌড়ানো বা হাঁটার (কার্ডিও) পাশাপাশি ওজন তোলা কিংবা পেশির ব্যায়াম (স্ট্রেংথ ট্রেনিং) রাখা উচিত।
৪. তাড়াহুড়ো করে অনেকবার ব্যায়াম করার চেয়ে ধীরেসুস্থে সঠিক অঙ্গভঙ্গিতে অল্প সময় ব্যায়াম করা বেশি কার্যকর। ভুল পদ্ধতিতে ব্যায়াম করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি থাকে।
৫. বিশ্রামের দিনগুলো অলসতা নয়, বরং পেশি পুনর্গঠনের জন্য অপরিহার্য। অতিরিক্ত ব্যায়াম ক্লান্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে, তাই নিয়মিত বিরতি নিন।
৬. শরীর হাইড্রেটেড থাকলে পেশি ও পরিপাকতন্ত্র সচল থাকে। ব্যায়ামের সময় তো বটেই, সারা দিন অল্প অল্প করে পানি পানের অভ্যাস করুন।
৭. শুধু ব্যায়াম করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। পেশি মেরামতের জন্য প্রোটিন এবং শক্তির জন্য জটিল কার্বোহাইড্রেট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ সুষম খাবার গ্রহণ করুন।
৮. শরীর যদি অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ব্যথা অনুভব করে, তবে তাকে গুরুত্ব দিন। জোর করে ব্যথা নিয়ে ব্যায়াম করা চোটের কারণ হতে পারে।
৯. অবাস্তব কোনো লক্ষ্য না নিয়ে আপনার জীবনযাত্রার সঙ্গে মানানসই পরিকল্পনা করুন। কোনো দিন ব্যায়াম করতে না পারলে হতাশ না হয়ে পরের দিন থেকে আবার শুরু করার মানসিকতা রাখুন।

সুষম খাবারের অন্যতম উপাদান হচ্ছে চর্বি বা ফ্যাট। চর্বিযুক্ত খাবার মানেই খারাপ, বিষয়টি তেমন নয়। তবে সেই চর্বি বাছাই করা শিখতে হবে এবং জানতে হবে, কোন চর্বি ভালো আর কোনটি খারাপ। যেমন মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড—এই ক্যাটাগরির চর্বি ভালো কিংবা গুড ফ্যাট।
১ ঘণ্টা আগে
নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন পরিকল্পনা এবং নিজের যত্ন নেওয়ার নতুন অঙ্গীকার। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো চোখের যত্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক জীবনে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও টিভির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চোখের ওপর চাপ বাড়ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও খনিজ লবণ বেরিয়ে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি খুব দ্রুত সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সুস্থ থাকতে হলে এর লক্ষণ ও তাৎক্ষণিক করণীয়গুলো মনে রাখা জরুরি।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাদে ও পুষ্টিগুণে শীতের রানি ফুলকপি। বহুভাবে খাওয়া যায় এ সবজি। হৃদ্রোগ, ক্যানসারসহ জটিল কিছু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে এতে থাকা খনিজ।
৪ ঘণ্টা আগে