
ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও খনিজ লবণ বেরিয়ে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি খুব দ্রুত সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সুস্থ থাকতে হলে এর লক্ষণ ও তাৎক্ষণিক করণীয়গুলো মনে রাখা জরুরি।
ফুড পয়জনিংয়ের প্রধান লক্ষণ
ঘরোয়া প্রতিকার ও প্রাথমিক করণীয়
ওরাল স্যালাইন: শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া পানি ও লবণ পূরণে রোগীকে বারবার খাওয়ার স্যালাইন খাওয়াতে হবে। এটি ফুড পয়জনিংয়ের কার্যকর প্রাথমিক চিকিৎসা।
বিশ্রাম: এ সময় শরীর খুব দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রামে রাখতে হবে।
সহজপাচ্য খাবার: পেট খারাপ অবস্থায় ভারী বা তেল-মসলাযুক্ত খাবার একদম খাওয়ানো যাবে না। ডাবের পানি, ভাতের মাড়, কাঁচা কলা দিয়ে জাউ ভাত কিংবা চিড়ার পানি দেওয়া যেতে পারে।
আদা ও লেবুর রস: বমি ভাব কমাতে আদা-চা বা হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়। আদার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ পেটের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।
হাসপাতালে যখন নিতে হবে
যদি ঘরোয়া ব্যবস্থায় কাজ না হয় এবং তীব্র লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে কোনোভাবে দেরি করা যাবে না। চিকিৎসকের কাছে কিংবা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিতে হবে। লক্ষণগুলো হলো—
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. কাকলী হালদার সহকারী অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।

স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, বেড়েছে গড় আয়ু। তবে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে সীমাবদ্ধতা।
১৬ ঘণ্টা আগে
শীতকে বিদায় জানিয়ে চলে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে উষ্ণতা। এই অবস্থায় ঋতু পরিবর্তনজনিত কারণে অনেকেই এখন সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় অনুসরণ করলেই রোগীর কষ্ট কিছুটা কমানো সম্ভব।
১ দিন আগে
প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নটর ডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান হয়ে গেল। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়...
২ দিন আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে মাহে রমজান, মুসলিম জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ মাস। সুন্দরভাবে সিয়াম সাধনা করতে আগে থেকে মাসটি নিয়ে থাকে অনেক পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার একটা বড় অংশ হচ্ছে মাহে রমজানের খাওয়াদাওয়া। কীভাবে খাবার খেলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখা যাবে, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
৩ দিন আগে