হারুনূর রশিদ, নরসিংদী প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ। টানা কয়েক দিনের তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করেই শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরব রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা।
দীর্ঘদিন পর ঘাঁটি পুনর্দখল করতে মাঠে নেমেছে বিএনপি। তবে সেটা সহজ হবে না; কারণ অধিকাংশ আসনে গড়ে উঠেছে বিএনপি বনাম স্বতন্ত্র এবং জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের জোটগত ত্রিমুখী লড়াই। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে নরসিংদীর পাঁচটি আসনে মোট ৪৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
তরুণ ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জন্য কর্মসংস্থান ও আইসিটি সেক্টরে সুযোগ—এসবই হবে ভোটের মূল ইস্যু। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের কথা যাঁরা চিন্তা করেন, তাঁদের ভোট দেব।’
নরসিংদী-১ (সদর): স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পালাক্রমে এই আসনে জয় পেলেও এবার আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. ইব্রাহিম ভূঁইয়া। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের শিরিন আক্তার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের হামিদুল হক পারভেজ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাখাওয়াত হোসেন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মোস্তফা জামান, গণফোরামের শহিদুজ্জামান চৌধুরীসহ মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন।
নরসিংদী-২ (পলাশ): আসনটিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি আমজাদ হোসেন এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম সারোয়ার তুষারের সঙ্গে। আসনটি বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হলেও সম্প্রতি নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগ এখানে ধারাবাহিকভাবে জয় পেয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ইঞ্জিনিয়ার মুহসীন আহম্মেদ, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের আসিফ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ফারুক ভূঁইয়া, জাতীয় পার্টির রফিকুল আলম সেলিমসহ আটজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নরসিংদী-৩ (শিবপুর): আসনটিতে বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহীর বিপরীতে রয়েছেন দলটির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুল ইসলাম মৃধা। বিশ্লেষকদের মতে, এটি জেলার সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডির আসন হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রাকিবুল ইসলাম রাকিব, জাকের পার্টির আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম আলী পাঠানসহ ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. জাহাঙ্গীর আলম। টানা চার মেয়াদে আওয়ামী লীগ জয়ী হওয়ায় এবার আসনটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি।
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা): এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবচেয়ে জটিল। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল ও দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র জামাল আহাম্মদ চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলনের বদরুজ্জামান উজ্জ্বল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান, জামায়াতের সাবেক নেতা মুহাম্মদ পনির হোসেনে বিভক্ত ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র মো. সোলায়মান খন্দকার, স্বতন্ত্র মো. গোলাপ মিয়া, জাতীয় পার্টির মেহেরুন নেছা খান হেনা ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ। টানা কয়েক দিনের তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করেই শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরব রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা।
দীর্ঘদিন পর ঘাঁটি পুনর্দখল করতে মাঠে নেমেছে বিএনপি। তবে সেটা সহজ হবে না; কারণ অধিকাংশ আসনে গড়ে উঠেছে বিএনপি বনাম স্বতন্ত্র এবং জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের জোটগত ত্রিমুখী লড়াই। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে নরসিংদীর পাঁচটি আসনে মোট ৪৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
তরুণ ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জন্য কর্মসংস্থান ও আইসিটি সেক্টরে সুযোগ—এসবই হবে ভোটের মূল ইস্যু। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের কথা যাঁরা চিন্তা করেন, তাঁদের ভোট দেব।’
নরসিংদী-১ (সদর): স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পালাক্রমে এই আসনে জয় পেলেও এবার আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. ইব্রাহিম ভূঁইয়া। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের শিরিন আক্তার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের হামিদুল হক পারভেজ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাখাওয়াত হোসেন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মোস্তফা জামান, গণফোরামের শহিদুজ্জামান চৌধুরীসহ মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন।
নরসিংদী-২ (পলাশ): আসনটিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি আমজাদ হোসেন এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম সারোয়ার তুষারের সঙ্গে। আসনটি বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হলেও সম্প্রতি নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগ এখানে ধারাবাহিকভাবে জয় পেয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ইঞ্জিনিয়ার মুহসীন আহম্মেদ, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের আসিফ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ফারুক ভূঁইয়া, জাতীয় পার্টির রফিকুল আলম সেলিমসহ আটজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নরসিংদী-৩ (শিবপুর): আসনটিতে বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহীর বিপরীতে রয়েছেন দলটির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুল ইসলাম মৃধা। বিশ্লেষকদের মতে, এটি জেলার সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডির আসন হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রাকিবুল ইসলাম রাকিব, জাকের পার্টির আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম আলী পাঠানসহ ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. জাহাঙ্গীর আলম। টানা চার মেয়াদে আওয়ামী লীগ জয়ী হওয়ায় এবার আসনটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি।
নরসিংদী-৫ (রায়পুরা): এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবচেয়ে জটিল। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল ও দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র জামাল আহাম্মদ চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলনের বদরুজ্জামান উজ্জ্বল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান, জামায়াতের সাবেক নেতা মুহাম্মদ পনির হোসেনে বিভক্ত ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র মো. সোলায়মান খন্দকার, স্বতন্ত্র মো. গোলাপ মিয়া, জাতীয় পার্টির মেহেরুন নেছা খান হেনা ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে
সিলেটবাসী এবং ভ্রমণে আসা পর্যটকদের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রেলপথ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রেলযাত্রা হয়ে উঠছে বিরক্তির ও ভোগান্তির। টিকিট-সংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো, ইঞ্জিনের ত্রুটি ও সংকটের কারণে নিয়মিতই ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যস্ত হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে