ডা. মো. আরমান হোসেন রনি

নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন পরিকল্পনা এবং নিজের যত্ন নেওয়ার নতুন অঙ্গীকার। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো চোখের যত্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক জীবনে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও টিভির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চোখের ওপর চাপ বাড়ছে। তাই নতুন বছরে সুস্থ ও উজ্জ্বল দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে চোখের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডিজিটাল যুগে চোখের ঝুঁকি
মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও টিভির অতিরিক্ত ব্যবহার চোখের ক্ষতি করছে। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখে ক্লান্তি ও শুষ্কতা দেখা দেয়।
চোখ ভালো রাখতে যা করণীয়
২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করুন: প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের দিকে তাকান। এতে চোখের চাপ কমে এবং দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক থাকে।
পর্যাপ্ত আলোতে কাজ করুন: কম আলো বা অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোতে কাজ করলে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কাজের পরিবেশে সঠিক পরিমাণের আলোর ব্যবস্থা থাকা দরকার।
চোখের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণ: ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার চোখ ভালো রাখে। গাজর, শাকসবজি, আমলকী এবং মৌসুমি ফলমূল নিয়মিত খেতে হবে। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ চোখের শুষ্কতা দূর করে এবং চোখের স্নায়ু সুস্থ রাখতে সহায়ক।
পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস করুন পর্যাপ্ত পানি পান চোখ আর্দ্র রাখে। শরীরে পানিশূন্যতা থাকলে চোখের জ্বালা বাড়াতে পারে।
চোখ পরিষ্কার রাখুন: অপরিষ্কার হাতে চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ধুলা ঢুকলে পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিতে হবে।
অপ্রয়োজনীয় চোখ ঘষা বাদ দিন: চোখ ঘষলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এতে চোখ লাল ও চোখে ব্যথা হতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম চোখের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। ঘুমের অভাবে চোখ ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে।
চোখের ব্যায়াম করুন: চোখ ঘোরানো ও কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়ার মতো ব্যায়ামগুলো করুন। এটি চোখের পেশি সক্রিয় রাখে।
চশমা বা সানগ্লাস ব্যবহার করুন: ধোঁয়া ও ধুলাবালু থেকে চোখ রক্ষা করতে বাইরে গেলে প্রয়োজনে চশমা ব্যবহার করুন। দূষণ চোখের ক্ষতি করতে পারে। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে চোখ রক্ষা করতে মানসম্মত সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করুন: বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানো জরুরি। তাতে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা আগেভাগে ধরা পড়ে।
সঠিক পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করুন: ভুল পাওয়ারের চশমা চোখের ক্ষতি করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করুন।
নতুন বছরে সচেতন জীবন যাপন করুন: স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চোখ ভালো রাখতে সহায়তা করে। মানসিক চাপ কম থাকলেও চোখ ভালো থাকে।
চোখের সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন: লাল ভাব বা ব্যথা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। নিজের ইচ্ছায় ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. মো. আরমান হোসেন রনি, চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন পরিকল্পনা এবং নিজের যত্ন নেওয়ার নতুন অঙ্গীকার। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো চোখের যত্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক জীবনে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও টিভির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চোখের ওপর চাপ বাড়ছে। তাই নতুন বছরে সুস্থ ও উজ্জ্বল দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে চোখের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডিজিটাল যুগে চোখের ঝুঁকি
মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও টিভির অতিরিক্ত ব্যবহার চোখের ক্ষতি করছে। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে চোখে ক্লান্তি ও শুষ্কতা দেখা দেয়।
চোখ ভালো রাখতে যা করণীয়
২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করুন: প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের দিকে তাকান। এতে চোখের চাপ কমে এবং দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক থাকে।
পর্যাপ্ত আলোতে কাজ করুন: কম আলো বা অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোতে কাজ করলে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কাজের পরিবেশে সঠিক পরিমাণের আলোর ব্যবস্থা থাকা দরকার।
চোখের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণ: ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার চোখ ভালো রাখে। গাজর, শাকসবজি, আমলকী এবং মৌসুমি ফলমূল নিয়মিত খেতে হবে। এ ছাড়া সামুদ্রিক মাছ চোখের শুষ্কতা দূর করে এবং চোখের স্নায়ু সুস্থ রাখতে সহায়ক।
পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস করুন পর্যাপ্ত পানি পান চোখ আর্দ্র রাখে। শরীরে পানিশূন্যতা থাকলে চোখের জ্বালা বাড়াতে পারে।
চোখ পরিষ্কার রাখুন: অপরিষ্কার হাতে চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ধুলা ঢুকলে পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিতে হবে।
অপ্রয়োজনীয় চোখ ঘষা বাদ দিন: চোখ ঘষলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এতে চোখ লাল ও চোখে ব্যথা হতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম চোখের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। ঘুমের অভাবে চোখ ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে।
চোখের ব্যায়াম করুন: চোখ ঘোরানো ও কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেওয়ার মতো ব্যায়ামগুলো করুন। এটি চোখের পেশি সক্রিয় রাখে।
চশমা বা সানগ্লাস ব্যবহার করুন: ধোঁয়া ও ধুলাবালু থেকে চোখ রক্ষা করতে বাইরে গেলে প্রয়োজনে চশমা ব্যবহার করুন। দূষণ চোখের ক্ষতি করতে পারে। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে চোখ রক্ষা করতে মানসম্মত সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করুন: বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানো জরুরি। তাতে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা আগেভাগে ধরা পড়ে।
সঠিক পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করুন: ভুল পাওয়ারের চশমা চোখের ক্ষতি করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করুন।
নতুন বছরে সচেতন জীবন যাপন করুন: স্বাস্থ্যকর অভ্যাস চোখ ভালো রাখতে সহায়তা করে। মানসিক চাপ কম থাকলেও চোখ ভালো থাকে।
চোখের সংক্রমণ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন: লাল ভাব বা ব্যথা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। নিজের ইচ্ছায় ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. মো. আরমান হোসেন রনি, চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা

সুষম খাবারের অন্যতম উপাদান হচ্ছে চর্বি বা ফ্যাট। চর্বিযুক্ত খাবার মানেই খারাপ, বিষয়টি তেমন নয়। তবে সেই চর্বি বাছাই করা শিখতে হবে এবং জানতে হবে, কোন চর্বি ভালো আর কোনটি খারাপ। যেমন মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড—এই ক্যাটাগরির চর্বি ভালো কিংবা গুড ফ্যাট।
৩ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের শুরুতে আমাদের সবার মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের এক বাড়তি উদ্দীপনা কাজ করে। জিমগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ে, নতুন সব ওয়ার্কআউট প্ল্যান তৈরি হয়। তবে ফিটনেসের মূল চাবিকাঠি কঠোর পরিশ্রম নয়, বরং ধারাবাহিকতা।
৪ ঘণ্টা আগে
ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে শরীর থেকে দ্রুত পানি ও খনিজ লবণ বেরিয়ে যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি খুব দ্রুত সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সুস্থ থাকতে হলে এর লক্ষণ ও তাৎক্ষণিক করণীয়গুলো মনে রাখা জরুরি।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বাদে ও পুষ্টিগুণে শীতের রানি ফুলকপি। বহুভাবে খাওয়া যায় এ সবজি। হৃদ্রোগ, ক্যানসারসহ জটিল কিছু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে এতে থাকা খনিজ।
৬ ঘণ্টা আগে