
হামে মৃত্যু যেন থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ ও নিশ্চিত হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৩৬ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৮৩ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৫৩ জন।
আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ঢাকায় চার, রাজশাহীতে এক, সিলেটে এক, বরিশালে এক ও ময়মনসিংহে দুজন মারা গেছে। এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫৫৫ শিশুর। এর মধ্যে হামের উপসর্গে দেশে ৪৬৭ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৮৮ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৬ হাজার ২৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫২ হাজার ৫৩০ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৮ হাজার ৮০০ শিশু বাড়ি ফিরেছে। অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৭৭২।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬ ও নিশ্চিত হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২২৪ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১২৭ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৯৭ জন।
১ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩০৬ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ১২৮ জন।
২ দিন আগে
দেশে হামের প্রকোপ এখনো আশানুরূপভাবে স্থিতিশীল হয়নি। সংখ্যা ওঠানামা করলেও মৃত্যুর মিছিলও থেমে নেই। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মে মাসের শুরুর কয়েক দিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সবকটি সূচক সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এর ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সামগ্রিক চিত্র এখনো উদ্বেগজনক।
৩ দিন আগে
ঈদের আমেজে নানা পদের মুখরোচক খাবার খাওয়া হবে। সঙ্গে হঠাৎ গরম এবং হঠাৎ ঠান্ডা আবহাওয়া। এই কারণে অনেকের রক্তচাপ কিংবা ব্লাড প্রেশার হুট করে বেড়ে যেতে পারে।
৩ দিন আগে