
দেশে চলমান হাম প্রাদুর্ভাবকে শিশুদের জন্য একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। সংস্থাটি বলেছে, এ পরিস্থিতি শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবনের অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানছে এবং তাৎক্ষণিক, সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব কথা জানায় এমজেএফ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৩৩৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৯ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগে ৩৯ এবং সন্দেহজনক হাম রোগে ১৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট করে।
এমজেএফ জানায়, ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে ২০ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও, পরীক্ষার কিটের ঘাটতি এবং দীর্ঘদিন ধরে টিকা আমদানি বন্ধ থাকার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি সংসদে প্রধানমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন। এসব সীমাবদ্ধতা কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
এমজেএফ মনে করে, হাম প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগ হওয়া সত্ত্বেও শিশুদের এভাবে ঝুঁকির মধ্যে থাকা অগ্রহণযোগ্য। এটি শিশুদের বেঁচে থাকা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। রাষ্ট্রকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় টিকা, পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং এ সংকট মোকাবিলায় জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।
এমজেএফ আরও জানায়, শিশুদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। সময়মতো টিকাদান, পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থার অভাব এই প্রাদুর্ভাবকে আরও জটিল করে তুলছে।
এমজেএফ মনে করে, শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। এমজেএফ এ সংকট মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কাজ করতে প্রস্তুত এবং সব শিশুর জন্য নিরাপদ ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।

দেশে হামের রোগী বাড়তে থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগী ফেরত না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শয্যা সংকটের কারণ দেখিয়ে কোনো রোগীকে অন্যত্র পাঠানো যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। সে সঙ্গে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ১৭০ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৭৪ জন।
৯ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৯ জনের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৩৪ জনে। একই সময় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯০ জনে।
১ দিন আগে
অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি সত্ত্বেও অপুষ্টি দেশে এখনো বড় সমস্যা। অপুষ্টি নিরসনে দীর্ঘদিনের সরকারি-বেসরকারি কর্মসূচির পরও এ ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। বিশেষ করে শিশুপুষ্টির অবস্থা নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দেশে ৬ থেকে ২৩ মাস বয়সী প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে ৭ জন ‘ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য’...
২ দিন আগে