ফেসবুকের কল্যাণে দেয়ালে চুলের টিকি বেঁধে রেখে পড়ার এ ছবিটিকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বলে জানেন অনেকেই। অসংখ্য ফেসবুক গ্রুপ, পেজ, আইডি এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছবিটি পোস্ট করতে দেখা গেছে। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে এটি পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দুর্লভ একটি ছবি। ফেসবুকে ভুল তথ্যসহ পোস্টগুলো দেখুন এখানে।
ফ্যাক্টচেক
জনপ্রিয় রুশ লেখক ও সাংবাদিক ভি এম দারোশেভিচের লেখা বই ‘ইস্ট অ্যান্ড ওয়ার’-এর ১১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ছবিটি ছাপানো হয়। মস্কোর সিটিন পাবলিশার ১৯০৫ সালে বইটি প্রকাশ করে।
ছবির ক্যাপশনে রুশ ভাষায় থাকা লেখাটি অনুবাদ করলে দাঁড়ায়—এটি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের। ওই ছাত্র পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কঠোর পরিশ্রম করে, পড়তে পড়তে যাতে ঘুমিয়ে না পড়েন, সে জন্য তিনি চুলের টিকি দেয়ালের পেরেকে বেঁধে রেখেছেন। ভারতীয় উপমহাদেশে ঔপনিবেশিক শাসনামলের ইতিহাস নিয়ে বইটি লেখা হয়েছে। ওই বইতে ওই সময়ে তোলা এ অঞ্চলের আরও বেশ কিছু ছবি প্রকাশিত হয়েছিল।
মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছিল ১৮৫৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর।
ইতিহাস-ঐতিহ্য সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ফারবাউন্ড ডটনেটে ২০১৮ সালে প্রকাশিত এ–সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন পড়ুন এখানে।
ইস্ট অ্যান্ড ওয়ার বইটি পড়ুন এখানে।

‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন, আই এম ভেরি ভেরি কনফিডেন্ট’—এটি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর উদ্ধৃতি দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে।
১৪ মিনিট আগে
‘যে শিক্ষার্থী ১১ সাবজেক্টে এ প্লাস পায় সে এক সাবজেক্টে কীভাবে ফেইল করে? এই সরকার পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে এমন অবিচার করছে’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
‘এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে শিক্ষার্থীরা’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
১ দিন আগে
‘ইউনুস ও বিএনপির ব্যর্থতায় আওয়ামী লীগ আজ গণমানুষের দল। ঠেকানোর সাধ্য আমাদের নেই’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উদ্ধৃতি দাবিতে এমন ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
১ দিন আগে