
যশোরের কেশবপুরে শরীরে জখম নিয়ে লোকালয়ে এসে মানুষকে নিজের ক্ষত দেখিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে বিরল প্রজাতির একটি কালোমুখ হনুমান। গতকাল সোমবার দুপুরে কেশবপুর শহরের ত্রিমোহিনী মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় এক সাংবাদিকের কাঁধে চেপে বসে নিজের জখম স্থান বাড়িয়ে দিলে, পাশের একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে সেটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করতে শহরের ওই মোড়ে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে আসা ওই কালোমুখ হনুমানটির কাঁধে ক্ষত ছিল। সোমবার দুপুরে কেশবপুর শহরের ত্রিমোহিনী মোড় সংলগ্ন একটি দোকানে আসার পর স্থানীয়রা সেটিকে রুটি ও অন্যান্য খাবার দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ব্যথায় কাতর হনুমানটি খাবার না খেয়ে অস্থির আচরণ করছিল।
এ সময় সেখানে উপস্থিত হন স্থানীয় সাংবাদিক এম এ রহমান। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘হনুমানটি দোকানে আসার পর অনেকেই খাবার দিলেও সে খাচ্ছিল না। আমি একটি রুটি হাতে নিয়ে তাকে বলি— “খেয়ে নাও, তোমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।” সঙ্গে সঙ্গেই হনুমানটি লাফিয়ে আমার ঘাড়ের ওপর উঠে পড়ে এবং পা দিয়ে কাঁধের জখমটি দেখাতে শুরু করে।’
পরে হনুমানটিকে পাশের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে জীবাণুনাশক কিনে সেটির ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা হয়। সেবা পাওয়ার পর কিছুটা সুস্থ বোধ করলে প্রাণীটি সেখান থেকে চলে যায়।
কেশবপুরে বিলুপ্তপ্রায় কালোমুখ হনুমানের উপস্থিতি দীর্ঘকালের ঐতিহ্য হলেও খাদ্য নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
সাংবাদিক এম এ রহমান জানান, কেশবপুরে হনুমানদের জন্য যে পরিমাণ সরকারি খাদ্য বরাদ্দ রয়েছে, তা অপ্রতুল। ফলে খাবারের খোঁজে নিয়মিত লোকালয় ও দোকানপাটে ছুটতে গিয়ে এসব প্রাণী প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয় বা আহত হয়। সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি করা গেলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রাণীগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

সকাল থেকেই ঢাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণত বৃষ্টি হলে ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কমতে থাকে। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারে দেখা যায়, ঢাকার বাতাসে দূষণ সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থান রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইউরোপে গ্রীষ্ম মানেই একসময় ছিল নরম রোদ, দীর্ঘ বিকেল আর কোমল উষ্ণতা। কিন্তু সেই চেনা গ্রীষ্ম যেন এখন অতীতের কোনো গল্প। ইউরোপের আকাশে আজ অন্য এক ঋতুর ছায়া—যেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে, নদীর বুক শুকিয়ে আসছে, বনভূমিতে আগুন ছুটছে আর শহরের রাস্তায় হাঁটাও হয়ে উঠছে ঝুঁকিপূর্ণ।
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর ও টেকসই উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
২০ ঘণ্টা আগে