
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ও রোজ স্কুল অব বিজনেস থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন দীপ্র প্রত্যয়। বর্তমানে তিনি শিকাগোর স্বনামধন্য কনসালটিং ফার্ম ক্রোতে সাইবার সিকিউরিটি পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে নানান কোম্পানিতে ইন্টার্নশীপ এর পাশাপাশি মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশনস অফিসেও কর্মরত ছিলেন। উদ্যোক্তা, স্পিকার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে তিনি টেডএক্স ইউএফএম, গ্লোকাল টিন হিরো, আন্তর্জাতিক এমইউএনের মতো প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়। এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ডিপি টিউটরিয়ালসের মাধ্যমে এসএটি, আইইএলটিএস ও উচ্চশিক্ষার আবেদনপ্রক্রিয়ায় গাইড করছেন। আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি এবং ক্যারিয়ার নিয়ে তিনি কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক খান।
আব্দুর রাজ্জাক খান

আপনার শৈশব ও প্রাথমিক শিক্ষাজীবন নিয়ে জানতে চাই।
আমি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করলেও শৈশব এবং শিক্ষাজীবনের বড় অংশ কেটেছে চট্টগ্রামে। প্লে-গ্রুপ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চিটাগাং গ্রামার স্কুলে পড়াশোনা করেছি। সেখান থেকে ও লেভেল এবং এ লেভেল সম্পন্ন করেছি। পড়াশোনায় সব সময় মনোযোগী ছিলাম।
এর ফল হিসেবে ও লেভেলে ৯টি এ স্টার এবং এ লেভেলে ৫টি এ স্টার অর্জন করি। এই শিক্ষাজীবন আমাকে শৃঙ্খলা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিক মানসিকতা গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনারঅভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
অসাধারণ। প্রায় তিন বছরে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং এক বছরে রোজ স্কুল অব বিজনেস থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। কোভিডের কঠিন সময়ের মাঝেও প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। চার বছরের কম সময়ে দুটি ডিগ্রি সম্পন্ন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল, কিন্তু আত্মতৃপ্তিদায়কও।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা কেন যুক্তরাষ্ট্র বেছে নেন?
কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিশ্বের সেরা গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা, আধুনিক গবেষণার সুযোগ, ইন্ডাস্ট্রি এক্সপোজার, গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এবং বিশ্বমানের অধ্যাপকদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার সুযোগ থাকায় শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রমুখী করে তোলে।
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান পার্থক্য কী?
সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো প্র্যাকটিক্যাল লার্নিং ও এক্সপোজার। বাংলাদেশে এখনো অনেক ক্ষেত্রে হাতে লিখে কোড শেখানো হয়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষা, গ্রুপ ওয়ার্ক এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে জোর দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের শেখানো হয়, কীভাবে জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তিপ্রক্রিয়া কেমন হয় এবং সাধারণত কত সময় লাগে?
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে কোনো এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিতে হয় না। বরং একটি বিস্তৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এখানে একাডেমিক রেজাল্ট, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজ, প্রবন্ধ, সুপারিশপত্র—সবকিছু মিলিয়ে একজন শিক্ষার্থীর প্রোফাইল মূল্যায়ন করা হয়। এই প্রোফাইল গড়তে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছরও লাগতে পারে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কী ধরনের বৃত্তি থাকে?
প্রধানত দুই ধরনের সহায়তা থাকে—মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ এবং আর্থিক সহায়তা (ফিন্যান্সিয়াল এইড)। মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ ভালো একাডেমিক ফলের ওপর নির্ভর করে, আর ফিন্যান্সিয়াল এইড দেওয়া হয়, যাদের আর্থিক সক্ষমতা সীমিত, তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই শক্তিশালী প্রোফাইলের অধিকারী হতে হয়।
বৃত্তি পাওয়ার প্রক্রিয়া ও ভিসাবিষয়ক অভিজ্ঞতা কেমন?
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে শিক্ষার্থী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃত্তির জন্য বিবেচিত হন। ভিসা প্রক্রিয়াটিও ধৈর্যের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হয়। ইমিগ্রেশনের প্রক্রিয়া খুব সহজ, তা বলব না। তবে নিয়ম মেনে এবং ধৈর্য ধরে এগোলে সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করা কি সম্ভব?
হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব। শিক্ষার্থীরা অন-ক্যাম্পাসে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। পাশাপাশি সিপিটির (সিপিটি) মাধ্যমে ইন্টার্নশিপ এবং পড়াশোনা শেষে ওপিটি করার সুযোগও রয়েছে।
একজন শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন খরচ কেমন?
রাজ্যভেদে খরচ ভিন্ন—টেক্সাসের মতো রাজ্যে তুলনামূলক কম, আর নিউইয়র্ক বা ক্যালিফোর্নিয়ায় বেশি। শুরুতে সবকিছু ব্যয়বহুল মনে হতে পারে, তবে আয়ও ডলারে হয়।
পার্টটাইম চাকরি ও ক্যারিয়ার সাপোর্ট কেমন?
পার্টটাইম চাকরির যথেষ্ট সুযোগ আছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে পরিবর্তিত হয়। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ইন্টারন্যাশনাল ক্যারিয়ার সেন্টার থাকে, অভিজ্ঞ অ্যাডভাইজাররা সেখানে সহায়তা করেন। তবে আমার পরামর্শ হলো, শুধু অ্যাডভাইজারের ওপর নির্ভর না করে নিজে গবেষণা করা।
পড়াশোনা শেষে চাকরির সুযোগ কেমন?
চাকরির সুযোগ আছে। তবে শুধু ডিগ্রি থাকলেই হবে না; স্কিল, নেটওয়ার্কিং এবং নিজেকে এক্সপোজ করা জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চাইলে কী করা দরকার?
লিগ্যাল স্ট্যাটাস বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শর্টকাট কিংবা অবৈধ পথ অনুসরণ করা উচিত নয়। ধৈর্য এবং নিয়মিত প্রক্রিয়ায় আপনাকে এগোতে হবে।
‘ডিপি টিউটরিয়ালস’ শিক্ষার্থীদের জন্য কতটা সহায়ক?
দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের আইইএলটিএস, এসএটি এবং উচ্চশিক্ষার আবেদনের প্রক্রিয়ায় হাতে-কলমে গাইড করি। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা।
স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি করতে আগ্রহীদের জন্য পরামর্শ কী?
আগেভাগে প্রস্তুতি নিন। রিসার্চ কিংবা টিচিং— দুই ক্ষেত্রেই ফান্ডিং পাওয়া যায়। তাই শুরু থেকে শক্তিশালী পোর্টফোলিও গড়ে তোলার পরামর্শ দেব।
আপনার শৈশব ও প্রাথমিক শিক্ষাজীবন নিয়ে জানতে চাই।
আমি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করলেও শৈশব এবং শিক্ষাজীবনের বড় অংশ কেটেছে চট্টগ্রামে। প্লে-গ্রুপ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চিটাগাং গ্রামার স্কুলে পড়াশোনা করেছি। সেখান থেকে ও লেভেল এবং এ লেভেল সম্পন্ন করেছি। পড়াশোনায় সব সময় মনোযোগী ছিলাম।
এর ফল হিসেবে ও লেভেলে ৯টি এ স্টার এবং এ লেভেলে ৫টি এ স্টার অর্জন করি। এই শিক্ষাজীবন আমাকে শৃঙ্খলা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিক মানসিকতা গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনারঅভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
অসাধারণ। প্রায় তিন বছরে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং এক বছরে রোজ স্কুল অব বিজনেস থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। কোভিডের কঠিন সময়ের মাঝেও প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। চার বছরের কম সময়ে দুটি ডিগ্রি সম্পন্ন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল, কিন্তু আত্মতৃপ্তিদায়কও।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা কেন যুক্তরাষ্ট্র বেছে নেন?
কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিশ্বের সেরা গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা, আধুনিক গবেষণার সুযোগ, ইন্ডাস্ট্রি এক্সপোজার, গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এবং বিশ্বমানের অধ্যাপকদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার সুযোগ থাকায় শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রমুখী করে তোলে।
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান পার্থক্য কী?
সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো প্র্যাকটিক্যাল লার্নিং ও এক্সপোজার। বাংলাদেশে এখনো অনেক ক্ষেত্রে হাতে লিখে কোড শেখানো হয়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষা, গ্রুপ ওয়ার্ক এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে জোর দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের শেখানো হয়, কীভাবে জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তিপ্রক্রিয়া কেমন হয় এবং সাধারণত কত সময় লাগে?
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে কোনো এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিতে হয় না। বরং একটি বিস্তৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এখানে একাডেমিক রেজাল্ট, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজ, প্রবন্ধ, সুপারিশপত্র—সবকিছু মিলিয়ে একজন শিক্ষার্থীর প্রোফাইল মূল্যায়ন করা হয়। এই প্রোফাইল গড়তে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছরও লাগতে পারে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কী ধরনের বৃত্তি থাকে?
প্রধানত দুই ধরনের সহায়তা থাকে—মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ এবং আর্থিক সহায়তা (ফিন্যান্সিয়াল এইড)। মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ ভালো একাডেমিক ফলের ওপর নির্ভর করে, আর ফিন্যান্সিয়াল এইড দেওয়া হয়, যাদের আর্থিক সক্ষমতা সীমিত, তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই শক্তিশালী প্রোফাইলের অধিকারী হতে হয়।
বৃত্তি পাওয়ার প্রক্রিয়া ও ভিসাবিষয়ক অভিজ্ঞতা কেমন?
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলে শিক্ষার্থী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃত্তির জন্য বিবেচিত হন। ভিসা প্রক্রিয়াটিও ধৈর্যের সঙ্গে এগিয়ে যেতে হয়। ইমিগ্রেশনের প্রক্রিয়া খুব সহজ, তা বলব না। তবে নিয়ম মেনে এবং ধৈর্য ধরে এগোলে সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করা কি সম্ভব?
হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব। শিক্ষার্থীরা অন-ক্যাম্পাসে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। পাশাপাশি সিপিটির (সিপিটি) মাধ্যমে ইন্টার্নশিপ এবং পড়াশোনা শেষে ওপিটি করার সুযোগও রয়েছে।
একজন শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন খরচ কেমন?
রাজ্যভেদে খরচ ভিন্ন—টেক্সাসের মতো রাজ্যে তুলনামূলক কম, আর নিউইয়র্ক বা ক্যালিফোর্নিয়ায় বেশি। শুরুতে সবকিছু ব্যয়বহুল মনে হতে পারে, তবে আয়ও ডলারে হয়।
পার্টটাইম চাকরি ও ক্যারিয়ার সাপোর্ট কেমন?
পার্টটাইম চাকরির যথেষ্ট সুযোগ আছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে পরিবর্তিত হয়। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ইন্টারন্যাশনাল ক্যারিয়ার সেন্টার থাকে, অভিজ্ঞ অ্যাডভাইজাররা সেখানে সহায়তা করেন। তবে আমার পরামর্শ হলো, শুধু অ্যাডভাইজারের ওপর নির্ভর না করে নিজে গবেষণা করা।
পড়াশোনা শেষে চাকরির সুযোগ কেমন?
চাকরির সুযোগ আছে। তবে শুধু ডিগ্রি থাকলেই হবে না; স্কিল, নেটওয়ার্কিং এবং নিজেকে এক্সপোজ করা জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চাইলে কী করা দরকার?
লিগ্যাল স্ট্যাটাস বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শর্টকাট কিংবা অবৈধ পথ অনুসরণ করা উচিত নয়। ধৈর্য এবং নিয়মিত প্রক্রিয়ায় আপনাকে এগোতে হবে।
‘ডিপি টিউটরিয়ালস’ শিক্ষার্থীদের জন্য কতটা সহায়ক?
দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের আইইএলটিএস, এসএটি এবং উচ্চশিক্ষার আবেদনের প্রক্রিয়ায় হাতে-কলমে গাইড করি। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা।
স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি করতে আগ্রহীদের জন্য পরামর্শ কী?
আগেভাগে প্রস্তুতি নিন। রিসার্চ কিংবা টিচিং— দুই ক্ষেত্রেই ফান্ডিং পাওয়া যায়। তাই শুরু থেকে শক্তিশালী পোর্টফোলিও গড়ে তোলার পরামর্শ দেব।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বারবার স্থগিত হওয়ায় ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় পর জকসু নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন হতাশায় রূপ নিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য আজ রোববার নিশ্চিত করেন এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এখন প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাজ শেষে শিগগির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে। পরীক্ষার ফল ১০ মার্চের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে ভোটের দিন ক্যাম্পাসে কাউকে (শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অন্য যে কেউ) ব্যক্তিগত গাড়ি না আনার অনুরোধ করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে