Ajker Patrika

ঝিনাইদহ-৪: রাশেদ খানকে অফিস ছেড়ে দিতে হুমকির অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৩৮
রাশেদ খান। ছবি: সংগৃহীত
রাশেদ খান। ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদরের চার ইউনিয়ন) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খানকে তাঁর অফিস দুই দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাশেদ খানের দাবি, গতকাল শনিবার বিকেলে তাঁর অফিস ভবনের মালিক মনিরুজ্জামান বাবলুর কাছে এসে ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ও তাঁর লোকজন এ হুমকি দিয়ে যান।

বিল্লাল হোসেন কালীগঞ্জ পৌরসভাধীন চাঁচড়া মাঠপাড়ার মো. আজহার মণ্ডলের ছেলে।

সম্প্রতি রাশেদ খান কালীগঞ্জ পৌর শহরের কোটচাঁদপুর সড়কের আড়পাড়া টিভিএস শোরুমের বিল্ডিংয়ে অফিস ভাড়া নিয়েছেন। কয়েক দিন ধরে অফিস গোছানোর কাজ চলছে। এখনো অফিস ব্যবহার শুরু করেননি তিনি। রাশেদ খান গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত ২৭ ডিসেম্বর বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন তিনি। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঝিনাইদহ-৪-এ মো. রাশেদ খান দলীয় প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেন।

ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। তিনি এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। রাশেদ খানকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়ায় সাইফুলের অনুসারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে মিছিল-মিটিংও করেছেন।

জানতে চাইলে রাশেদ খানের অফিসের বিল্ডিংয়ের মালিক মনিরুজ্জামান বাবলু বলেন, ‘এটা হুমকি বলা যায় না। বিল্লাল, আমি, আমরা সবাই একসঙ্গে বিএনপি করি। বিল্লাল বলছিল, আমরা একসঙ্গে দল করি, রাশেদের ঝামেলা এখানে না আনাই ভালো। আমরা এখানে মিলেমিশে দল করছি, ভালো আছি। রাশেদ অন্য কোথাও অফিস ভাড়া নিক।’

রাশেদ খান বলেন, ‘আমি বিষয়টি জেনেছি। যারা অফিস না নেওয়ার জন্য বলছে, তারাও বিএনপির নেতা-কর্মী। আমাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়ন দিয়ে পাঠিয়েছেন। তা ছাড়া এই আসন থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ভাই আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে লেখাপড়া করেছি। এখন যদি তাঁর কোনো চাওয়া বা অভিযোগ থাকে, দলের উচ্চপর্যায়ে জানাতে পারেন, বিষয়টি তাঁরা দেখবেন এবং সমাধান করবেন। আমরা দেশ ও জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’ এভাবে শত্রুতা করতে থাকলে সুস্থ গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। এ ঘটনায় কোথাও লিখিত অভিযোগ দেননি বলেও যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে বিল্লাল হোসেনের মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত