শিক্ষা ডেস্ক

ইউরোপের উন্নত ও শিক্ষাবান্ধব দেশ ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থায়িত বৃত্তির আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই স্কলারশিপের আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা টিউশন ছাড়াই দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। পড়াশোনাকালে শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের অতিরিক্ত আর্থিক ও একাডেমিক সহায়তা পাবেন।
ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয় ফিনল্যান্ডের অন্যতম আধুনিক ও গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালে ট্যাম্পেরে ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ও ইউনিভার্সিটি অব ট্যাম্পেরের একীভূতকরণের মাধ্যমে গঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সামাজিক বিজ্ঞানের সমন্বিত ধারার জন্য পরিচিত। উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন ও সমাজমুখী গবেষণায় ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ, আধুনিক ক্যাম্পাস এবং শিল্প সহযোগিতার কারণে ট্যাম্পেরে উচ্চশিক্ষার জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত।
সুযোগ-সুবিধা
ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি কর্মসূচি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অসাধারণ মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে টিউশন ফি সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে মওকুফ করা হতে পারে। এ ছাড়া ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা প্রথম শিক্ষাবর্ষে ১ হাজার ৫০০ ইউরো টিউশন ফি ছাড় সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে শিক্ষাকালে অথবা স্নাতক সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার ৫০০ ইউরো মূল্যমানের ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভান্সমেন্ট স্কলারশিপ’ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের যোগ্যতা
ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই ইইউ বা ইইএভুক্ত নয়, এমন কোনো দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদনকারীদের নির্ধারিত টিউশন ফি পরিশোধের যোগ্যতা থাকতে হবে। স্কলারশিপ প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর একাডেমিক ফলাফল ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বা মোটিভেশনকে প্রধান বিবেচ্য হিসেবে দেখা হবে।
প্রয়োজনীয় তথ্য
ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দিতে হবে। আবেদনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রথমে অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে পূর্ববর্তী পড়াশোনার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এবং ডিগ্রি সার্টিফিকেট জমা দেওয়া আবশ্যক। এ ছাড়া পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং একটি বৈধ পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি) প্রয়োজন হবে। ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার যোগ্যতা প্রমাণে ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ সংযুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য, আগ্রহ ও পড়াশোনার উদ্দেশ্য তুলে ধরতে একটি মোটিভেশন লেটার জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বহুমুখী ও ভবিষ্যৎমুখী বিষয়গুলোয় পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সমাজবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনাভিত্তিক শিক্ষায় বিশেষভাবে পরিচিত। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে যেসব বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পাওয়া যায়, তার মধ্যে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শাখায় উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন টেকনোলজি, ডেটা সায়েন্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ও অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং।
স্বাস্থ্য ও জীবনবিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে হেলথ সায়েন্সেস, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, পাবলিক হেলথ, মেডিকেল টেকনোলজি এবং সংশ্লিষ্ট গবেষণাভিত্তিক প্রোগ্রাম। সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারেন ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস, পাবলিক পলিসি, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, ইনোভেশন ম্যানেজমেন্ট ও ইকোনমিকস বিষয়ে। এ ছাড়া মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন, এডুকেশন, আরবান স্টাডিজ, গেম স্টাডিজ ও হিউম্যান-টেকনোলজি ইন্টারঅ্যাকশনের মতো আধুনিক ও চাহিদাসম্পন্ন বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এই লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়
স্নাতক (ব্যাচেলর) প্রোগ্রামে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ৭ জানুয়ারি থেকে। চলবে ২২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। অন্যদিকে, স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) প্রোগ্রামে আবেদন চলবে ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত।

ইউরোপের উন্নত ও শিক্ষাবান্ধব দেশ ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থায়িত বৃত্তির আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই স্কলারশিপের আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা টিউশন ছাড়াই দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। পড়াশোনাকালে শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের অতিরিক্ত আর্থিক ও একাডেমিক সহায়তা পাবেন।
ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয় ফিনল্যান্ডের অন্যতম আধুনিক ও গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ সালে ট্যাম্পেরে ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ও ইউনিভার্সিটি অব ট্যাম্পেরের একীভূতকরণের মাধ্যমে গঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা, প্রযুক্তি ও সামাজিক বিজ্ঞানের সমন্বিত ধারার জন্য পরিচিত। উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন ও সমাজমুখী গবেষণায় ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ, আধুনিক ক্যাম্পাস এবং শিল্প সহযোগিতার কারণে ট্যাম্পেরে উচ্চশিক্ষার জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত।
সুযোগ-সুবিধা
ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি কর্মসূচি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অসাধারণ মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে টিউশন ফি সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে মওকুফ করা হতে পারে। এ ছাড়া ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা প্রথম শিক্ষাবর্ষে ১ হাজার ৫০০ ইউরো টিউশন ফি ছাড় সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে শিক্ষাকালে অথবা স্নাতক সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার ৫০০ ইউরো মূল্যমানের ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভান্সমেন্ট স্কলারশিপ’ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের যোগ্যতা
ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই ইইউ বা ইইএভুক্ত নয়, এমন কোনো দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদনকারীদের নির্ধারিত টিউশন ফি পরিশোধের যোগ্যতা থাকতে হবে। স্কলারশিপ প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর একাডেমিক ফলাফল ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বা মোটিভেশনকে প্রধান বিবেচ্য হিসেবে দেখা হবে।
প্রয়োজনীয় তথ্য
ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দিতে হবে। আবেদনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রথমে অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে পূর্ববর্তী পড়াশোনার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এবং ডিগ্রি সার্টিফিকেট জমা দেওয়া আবশ্যক। এ ছাড়া পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং একটি বৈধ পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি) প্রয়োজন হবে। ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার যোগ্যতা প্রমাণে ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ সংযুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য, আগ্রহ ও পড়াশোনার উদ্দেশ্য তুলে ধরতে একটি মোটিভেশন লেটার জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
অধ্যয়নের ক্ষেত্রগুলো
ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বহুমুখী ও ভবিষ্যৎমুখী বিষয়গুলোয় পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সমাজবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনাভিত্তিক শিক্ষায় বিশেষভাবে পরিচিত। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে যেসব বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পাওয়া যায়, তার মধ্যে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শাখায় উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন টেকনোলজি, ডেটা সায়েন্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ও অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং।
স্বাস্থ্য ও জীবনবিজ্ঞান অনুষদের অধীনে রয়েছে হেলথ সায়েন্সেস, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, পাবলিক হেলথ, মেডিকেল টেকনোলজি এবং সংশ্লিষ্ট গবেষণাভিত্তিক প্রোগ্রাম। সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারেন ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস, পাবলিক পলিসি, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, বিজনেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, ইনোভেশন ম্যানেজমেন্ট ও ইকোনমিকস বিষয়ে। এ ছাড়া মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন, এডুকেশন, আরবান স্টাডিজ, গেম স্টাডিজ ও হিউম্যান-টেকনোলজি ইন্টারঅ্যাকশনের মতো আধুনিক ও চাহিদাসম্পন্ন বিষয়েও বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহী প্রার্থীরা এই লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়
স্নাতক (ব্যাচেলর) প্রোগ্রামে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ৭ জানুয়ারি থেকে। চলবে ২২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। অন্যদিকে, স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) প্রোগ্রামে আবেদন চলবে ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বারবার স্থগিত হওয়ায় ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় পর জকসু নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন হতাশায় রূপ নিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য আজ রোববার নিশ্চিত করেন এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এখন প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাজ শেষে শিগগির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে। পরীক্ষার ফল ১০ মার্চের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে ভোটের দিন ক্যাম্পাসে কাউকে (শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অন্য যে কেউ) ব্যক্তিগত গাড়ি না আনার অনুরোধ করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে