মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার থানায় গিয়ে ব্যর্থ হয়ে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তিনজনের নামে মামলা করেছেন ওই স্কুলছাত্রীর বাবা।
এ মামলার আসামিরা হলেন কালুখান্দী গ্রামের ইমারত মোল্লার ছেলে ও স্থানীয় একটি ইটভাটার মালিক গোলাম রব্বানী (৪২), তাঁর সহযোগী কালুকান্দি গ্রামের আমজাদ মোল্লার ছেলে আছাদ (৩৫) এবং বাকি মোল্লার ছেলে আলমগীর (২৭)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গোলাম রব্বানী দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এমনকি বিয়ের প্রস্তাবও দেন। কিন্তু স্কুলছাত্রীর পরিবার এটি প্রত্যাখ্যান করায় রব্বানী তাঁকে জোর করে তুলে নেওয়ার হুমকি দেন। গত রোববার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে আসে ওই ছাত্রী। এ সময় গোলাম রব্বানী, তাঁর সহযোগী আছাদ (৩৫) ও আলমগীরের (২৭) সহযোগিতায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই ছাত্রীকে স্থানীয় একটি ইটভাটায় নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন তাঁরা। এদিকে মেয়েকে ঘরে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে বাড়ির নিকটবর্তী ওই ইটভাটা থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, গতকাল সোমবার মহম্মদপুর থানায় মামলা করতে যান তিনি। কিন্তু থানায় মামলা রুজু করতে টালবাহানা করায় ওই দিন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে আদালত সেটি এজাহার লিপিবদ্ধ করে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ জানান, মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রণয় কুমার দাশ অভিযোগ আমলে নিয়ে এটিকে এজাহার হিসেবে দলবদ্ধ করার জন্য মহম্মদপুর থানাকে আদেশ দেন।
থানায় মামলা না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ থানায় দিতে এসে কারও ফিরে যাওয়ার কথা আমার জানা নেই। রাতের আঁধারে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীরা হাসপাতাল থেকে আদালতে গিয়ে মামলা করেছেন।’
আদালতের আদেশের বিষয়ে ওসি বলেন, আদালতের আদেশের কপি হাতে পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার থানায় গিয়ে ব্যর্থ হয়ে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তিনজনের নামে মামলা করেছেন ওই স্কুলছাত্রীর বাবা।
এ মামলার আসামিরা হলেন কালুখান্দী গ্রামের ইমারত মোল্লার ছেলে ও স্থানীয় একটি ইটভাটার মালিক গোলাম রব্বানী (৪২), তাঁর সহযোগী কালুকান্দি গ্রামের আমজাদ মোল্লার ছেলে আছাদ (৩৫) এবং বাকি মোল্লার ছেলে আলমগীর (২৭)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গোলাম রব্বানী দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এমনকি বিয়ের প্রস্তাবও দেন। কিন্তু স্কুলছাত্রীর পরিবার এটি প্রত্যাখ্যান করায় রব্বানী তাঁকে জোর করে তুলে নেওয়ার হুমকি দেন। গত রোববার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে আসে ওই ছাত্রী। এ সময় গোলাম রব্বানী, তাঁর সহযোগী আছাদ (৩৫) ও আলমগীরের (২৭) সহযোগিতায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই ছাত্রীকে স্থানীয় একটি ইটভাটায় নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন তাঁরা। এদিকে মেয়েকে ঘরে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে বাড়ির নিকটবর্তী ওই ইটভাটা থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, গতকাল সোমবার মহম্মদপুর থানায় মামলা করতে যান তিনি। কিন্তু থানায় মামলা রুজু করতে টালবাহানা করায় ওই দিন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে আদালত সেটি এজাহার লিপিবদ্ধ করে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ জানান, মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্রণয় কুমার দাশ অভিযোগ আমলে নিয়ে এটিকে এজাহার হিসেবে দলবদ্ধ করার জন্য মহম্মদপুর থানাকে আদেশ দেন।
থানায় মামলা না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ থানায় দিতে এসে কারও ফিরে যাওয়ার কথা আমার জানা নেই। রাতের আঁধারে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীরা হাসপাতাল থেকে আদালতে গিয়ে মামলা করেছেন।’
আদালতের আদেশের বিষয়ে ওসি বলেন, আদালতের আদেশের কপি হাতে পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১২ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২১ দিন আগে