নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাখিল করা চার্জশিট (অভিযোগপত্র) প্রত্যাখ্যান করে বাদীর নারাজি দাখিলের পর মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ নির্দেশ দেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) প্রসিকিউশন আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুপুরের আগে আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। নারাজি দিয়ে অধিকতর তদন্তের দাবি করেন বাদী। দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান। পরে বিকেলে আদেশ দেন।
বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের দুপুরের আগে আদালতে হাজির হয়ে নারাজি আবেদন দাখিল করেন তাঁর আইনজীবীদের মাধ্যমে। আবেদনে অধিকতর তদন্ত দাবি করা হয়। একই সঙ্গে এই মামলায় জব্দ করা হাদির দুটি মোবাইল ফোন জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন।
বাদীপক্ষে মামলা শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল। এ সময় ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।
শুনানি শেষে আদালত বলেন, ‘মামলাটি যেহেতু চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর; নারাজি দাখিল করার জন্য আপনারাও সময় নিয়েছেন, আমিও কিছুটা সময় নিয়ে নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেব।’ পরে বিকেলে আদেশ দেন আদালত।
মূল পরিকল্পনাকারী শনাক্ত হয়নি, মূল রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি
শুনানিতে বাদীর আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল বলেন, হাদির প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচার হোক। যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়, তারা হয়রানির শিকার না হোক।
আইনজীবী বলেন, ডিবি পুলিশ তদন্ত করে একটি হাস্যকর প্রতিবেদন দিয়েছে। একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পরিকল্পনা এবং খুনিদের পালাতে সহযোগিতার কথা চার্জশিটে বলা হয়েছে। এটা রীতিমতো হাস্যকর। মূল পরিকল্পনাকারী ও মূল রহস্য উদ্ঘাটন ছাড়াই অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পরিকল্পনায় হাদি হত্যা—ডিবি পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন রীতিমতো হাস্যকর: বাদীপক্ষআইনজীবী বলেন, এ মামলায় মূল শুটার ফয়সালসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৯ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী কেউই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন। অন্যান্য অভিযোগে তাঁদের এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শুনানিতে বাদীর আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে যারা হত্যা করেছে, তারা কীভাবে সেফ এক্সিট পায়? তা বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দেয়। কার পরিকল্পনায় কীভাবে পালাল শুটার, তার কোনো বর্ণনা চার্জশিটে স্পষ্ট করা নেই। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা বলে দেয়, এটা বড় ধরনের কোনো পরিকল্পনা। একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের এত সাহস পাওয়ার কথা নয়।’
হাদির মোবাইল ফোন জিম্মায় দেওয়ার আবেদন
অধিকতর তদন্তের আবেদন করার পাশাপাশি দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হাদির ব্যবহৃত দুটি মোবাইল হ্যান্ডসেট জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন বাদী।
হাদি নিহত হওয়ার পর মামলার তদন্ত চলাকালে মোবাইল হ্যান্ডসেট জব্দ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানিতে বাদীর আইনজীবী বলেন, দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রম চলতে থাকা অবস্থায় উক্ত দুটি হ্যান্ডসেট নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে পুলিশ। তাই সেগুলো বাদীর জিম্মায় দেওয়া প্রয়োজন। আদালত যখন চাইবেন, উক্ত হ্যান্ডসেট দুটি আবার আদালতে হাজির করা হবে।
এ পর্যায়ে আদালত বলেন, যেহেতু মামলার অধিকতর তদন্ত চেয়েছেন বাদী, সেহেতু অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিলে মোবাইল হ্যান্ডসেট পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। তাই এটা জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ আদালত পরে দেবেন। পরে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পর আবেদনটি নথিভুক্ত করা হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দাখিল করা চার্জশিট (অভিযোগপত্র) প্রত্যাখ্যান করে বাদীর নারাজি দাখিলের পর মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ নির্দেশ দেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) প্রসিকিউশন আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুপুরের আগে আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। নারাজি দিয়ে অধিকতর তদন্তের দাবি করেন বাদী। দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান। পরে বিকেলে আদেশ দেন।
বাদী আবদুল্লাহ আল জাবের দুপুরের আগে আদালতে হাজির হয়ে নারাজি আবেদন দাখিল করেন তাঁর আইনজীবীদের মাধ্যমে। আবেদনে অধিকতর তদন্ত দাবি করা হয়। একই সঙ্গে এই মামলায় জব্দ করা হাদির দুটি মোবাইল ফোন জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন।
বাদীপক্ষে মামলা শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল। এ সময় ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।
শুনানি শেষে আদালত বলেন, ‘মামলাটি যেহেতু চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর; নারাজি দাখিল করার জন্য আপনারাও সময় নিয়েছেন, আমিও কিছুটা সময় নিয়ে নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেব।’ পরে বিকেলে আদেশ দেন আদালত।
মূল পরিকল্পনাকারী শনাক্ত হয়নি, মূল রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি
শুনানিতে বাদীর আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল বলেন, হাদির প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচার হোক। যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়, তারা হয়রানির শিকার না হোক।
আইনজীবী বলেন, ডিবি পুলিশ তদন্ত করে একটি হাস্যকর প্রতিবেদন দিয়েছে। একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পরিকল্পনা এবং খুনিদের পালাতে সহযোগিতার কথা চার্জশিটে বলা হয়েছে। এটা রীতিমতো হাস্যকর। মূল পরিকল্পনাকারী ও মূল রহস্য উদ্ঘাটন ছাড়াই অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পরিকল্পনায় হাদি হত্যা—ডিবি পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন রীতিমতো হাস্যকর: বাদীপক্ষআইনজীবী বলেন, এ মামলায় মূল শুটার ফয়সালসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৯ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী কেউই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন। অন্যান্য অভিযোগে তাঁদের এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শুনানিতে বাদীর আইনজীবী আদালতকে বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে যারা হত্যা করেছে, তারা কীভাবে সেফ এক্সিট পায়? তা বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দেয়। কার পরিকল্পনায় কীভাবে পালাল শুটার, তার কোনো বর্ণনা চার্জশিটে স্পষ্ট করা নেই। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা বলে দেয়, এটা বড় ধরনের কোনো পরিকল্পনা। একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের এত সাহস পাওয়ার কথা নয়।’
হাদির মোবাইল ফোন জিম্মায় দেওয়ার আবেদন
অধিকতর তদন্তের আবেদন করার পাশাপাশি দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হাদির ব্যবহৃত দুটি মোবাইল হ্যান্ডসেট জিম্মায় নেওয়ার আবেদন করেন বাদী।
হাদি নিহত হওয়ার পর মামলার তদন্ত চলাকালে মোবাইল হ্যান্ডসেট জব্দ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানিতে বাদীর আইনজীবী বলেন, দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রম চলতে থাকা অবস্থায় উক্ত দুটি হ্যান্ডসেট নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছে পুলিশ। তাই সেগুলো বাদীর জিম্মায় দেওয়া প্রয়োজন। আদালত যখন চাইবেন, উক্ত হ্যান্ডসেট দুটি আবার আদালতে হাজির করা হবে।
এ পর্যায়ে আদালত বলেন, যেহেতু মামলার অধিকতর তদন্ত চেয়েছেন বাদী, সেহেতু অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিলে মোবাইল হ্যান্ডসেট পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। তাই এটা জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ আদালত পরে দেবেন। পরে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পর আবেদনটি নথিভুক্ত করা হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে