কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে ভেসে আসা ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া হাত-পা বাঁধা সেই ১০ মরদেহের পরিচয় মিলেছে। তাঁরা গভীর সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত ১০ জনের মধ্যে ট্রলারমালিকও ছিল। তাঁরা সকলেই মহেশখালী ও চকরিয়ার বাসিন্দা।
উদ্ধার হওয়া ট্রলারের মালিক মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের বাসিন্দা সামশুল আলম। দুই সপ্তাহ আগে ১০ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ট্রলারমালিক মাছ ধরতে সাগরে যান। এরপর দুই দিনের মাথায় তাঁরা দস্যুতার কবলে পড়েন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সদর হাসপাতালের মর্গে নিহত ট্রলারমালিকের স্ত্রী ও স্বজনেরা ১০ জনের পরনের কাপড় দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়ার রফিক মিয়ার ছেলে সামশুল আলম (২৩), শাপলাপুর ইউনিয়নের মিঠাছড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৮), জাফর আলমের ছেলে শওকত উল্লাহ (১৮), মুসা আলীর ছেলে ওসমান গনি (১৭), সাহাব মিয়ার ছেলে সাইফুল্লাহ (২৩), মোহাম্মদ আলীর ছেলে পারভেজ মোশাররফ (১৪), মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে নুরুল কবির (২৮), চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৪), শাহ আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহজাহান (৩৫) ও চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা এলাকার জসিম উদ্দীনের ছেলে তারেক জিয়া (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল ট্রলারটিতে আক্রমণের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে পুলিশ প্রথমে জলদস্যুর হামলা এবং দ্বিতীয়ত পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছে।
মরদেহ উদ্ধারের বিবরণ দিয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১০ জেলের মরদেহ ট্রলারের বরফ রাখার কক্ষ থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। কয়েকজনের শরীরে জাল প্যাঁচানো ছিল। একটি মরদেহের গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন ছিল। আরেকটির হাত বিচ্ছিন্ন ছিল। ট্রলারের যে কক্ষ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়, সেই কক্ষের ঢাকনা পেরেক দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এতে সন্দেহ হয়, পরিকল্পিতভাবে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর ট্রলারটি ডুবিয়ে দেওয়া হয়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পিবিআই তদন্ত শুরু করে। এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—এ বিষয় সামনে রেখেই তদন্তকাজ চলছে।
সাগরে ডুবন্ত এই ট্রলারটি অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের জালে আটকা পড়ে। পরে ওই ট্রলারটির সাহায্যে রোববার দুপুরে জেলেরা রশি দিয়ে ডুবন্ত ট্রলারটি টেনে মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেলে নিয়ে আসেন। বেলা দেড়টার দিকে ডুবন্ত ট্রলারটি কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে পৌঁছালে ট্রলারে মরদেহ থাকার বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস পৌঁছে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ট্রলার থেকে ১০ জনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে ভেসে আসা ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া হাত-পা বাঁধা সেই ১০ মরদেহের পরিচয় মিলেছে। তাঁরা গভীর সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত ১০ জনের মধ্যে ট্রলারমালিকও ছিল। তাঁরা সকলেই মহেশখালী ও চকরিয়ার বাসিন্দা।
উদ্ধার হওয়া ট্রলারের মালিক মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের বাসিন্দা সামশুল আলম। দুই সপ্তাহ আগে ১০ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ট্রলারমালিক মাছ ধরতে সাগরে যান। এরপর দুই দিনের মাথায় তাঁরা দস্যুতার কবলে পড়েন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সদর হাসপাতালের মর্গে নিহত ট্রলারমালিকের স্ত্রী ও স্বজনেরা ১০ জনের পরনের কাপড় দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়ার রফিক মিয়ার ছেলে সামশুল আলম (২৩), শাপলাপুর ইউনিয়নের মিঠাছড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৮), জাফর আলমের ছেলে শওকত উল্লাহ (১৮), মুসা আলীর ছেলে ওসমান গনি (১৭), সাহাব মিয়ার ছেলে সাইফুল্লাহ (২৩), মোহাম্মদ আলীর ছেলে পারভেজ মোশাররফ (১৪), মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে নুরুল কবির (২৮), চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৪), শাহ আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহজাহান (৩৫) ও চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা এলাকার জসিম উদ্দীনের ছেলে তারেক জিয়া (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল ট্রলারটিতে আক্রমণের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে পুলিশ প্রথমে জলদস্যুর হামলা এবং দ্বিতীয়ত পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছে।
মরদেহ উদ্ধারের বিবরণ দিয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১০ জেলের মরদেহ ট্রলারের বরফ রাখার কক্ষ থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। কয়েকজনের শরীরে জাল প্যাঁচানো ছিল। একটি মরদেহের গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন ছিল। আরেকটির হাত বিচ্ছিন্ন ছিল। ট্রলারের যে কক্ষ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়, সেই কক্ষের ঢাকনা পেরেক দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এতে সন্দেহ হয়, পরিকল্পিতভাবে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর ট্রলারটি ডুবিয়ে দেওয়া হয়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পিবিআই তদন্ত শুরু করে। এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—এ বিষয় সামনে রেখেই তদন্তকাজ চলছে।
সাগরে ডুবন্ত এই ট্রলারটি অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের জালে আটকা পড়ে। পরে ওই ট্রলারটির সাহায্যে রোববার দুপুরে জেলেরা রশি দিয়ে ডুবন্ত ট্রলারটি টেনে মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেলে নিয়ে আসেন। বেলা দেড়টার দিকে ডুবন্ত ট্রলারটি কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে পৌঁছালে ট্রলারে মরদেহ থাকার বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস পৌঁছে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ট্রলার থেকে ১০ জনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে