আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

কাঁটাতারের বেড়ায় আমতলীর দক্ষিণ কালিপুরা গ্রামের ৫০ পরিবারকে অনেকটাই অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। একই গ্রামের সামসুল হক প্যাদা ও তাঁর ছেলে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য আরিফুর রহমান প্যাদা বেড়া দিয়ে বন্দোবস্তের নামে জমি দখল করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। রাস্তার দুই পাশের গাছ কেটে বাবা-ছেলে বিক্রি করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।গতকাল সোমবার ভুক্তভোগীরা আমতলীর ইউএনওর কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। সামছুল হক প্যাদা ও আরিফুর রহমান প্যাদা নিজেদের গাছ কেটেছেন বলে দাবি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিপুরা গ্রামের সামসুল হক প্যাদা ভূমিহীন পরিচয়ে ভূমি অফিসে জমি বন্দোবস্তের আবেদন করলে ২০১১ সালে সরকার এক একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। সেখানে গ্রামবাসীরা বাড়ি বানিয়ে বাস করছিলেন। তাঁদের বাধায় জমির দখল নিতে পারেননি সামসুল হক প্যাদা। পরে এলাকাবাসী বন্দোবস্ত জমি বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে সামসুল হক প্যাদা ভূমিহীন নয় মর্মে বন্দোবস্ত জমি বাতিলের সুপারিশ করেন তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। তা উপজেলা ভূমি বন্দোবস্ত ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদন দেয়।ভুক্তভোগী বশির তালুকদার, আকলিমা, হালিমা অভিযোগ করেন, গত ১৭ জুন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য আরিফুর রহমান সন্ত্রাসী এনে অস্ত্রের মুখে গ্রামবাসীদের ভোগদখল করা জমি দখল করে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে দেন। ওই জমির ওপরের রাস্তার দুই পাশের ৫ শতাধিক গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর প্রতিবাদে গ্রামবাসী দক্ষিণ কালিপুরা গ্রামে গত রোববার মানববন্ধন করেন।
সামসুল হক প্যাদা বলেন, ‘আমার জমির গাছ আকেটে বিক্রি করেছি। বন্দোবস্ত না পেলে জমি ছেড়ে দেব।’
মো. আরিফুর রহমান মোবাইল ফোনে সন্ত্রাসী এনে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাবার জমির গাছ কেটেছি।’
আমতলীর ইউএনও কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাঁটাতারের বেড়ায় আমতলীর দক্ষিণ কালিপুরা গ্রামের ৫০ পরিবারকে অনেকটাই অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। একই গ্রামের সামসুল হক প্যাদা ও তাঁর ছেলে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য আরিফুর রহমান প্যাদা বেড়া দিয়ে বন্দোবস্তের নামে জমি দখল করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। রাস্তার দুই পাশের গাছ কেটে বাবা-ছেলে বিক্রি করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।গতকাল সোমবার ভুক্তভোগীরা আমতলীর ইউএনওর কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। সামছুল হক প্যাদা ও আরিফুর রহমান প্যাদা নিজেদের গাছ কেটেছেন বলে দাবি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিপুরা গ্রামের সামসুল হক প্যাদা ভূমিহীন পরিচয়ে ভূমি অফিসে জমি বন্দোবস্তের আবেদন করলে ২০১১ সালে সরকার এক একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। সেখানে গ্রামবাসীরা বাড়ি বানিয়ে বাস করছিলেন। তাঁদের বাধায় জমির দখল নিতে পারেননি সামসুল হক প্যাদা। পরে এলাকাবাসী বন্দোবস্ত জমি বাতিলের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে সামসুল হক প্যাদা ভূমিহীন নয় মর্মে বন্দোবস্ত জমি বাতিলের সুপারিশ করেন তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। তা উপজেলা ভূমি বন্দোবস্ত ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদন দেয়।ভুক্তভোগী বশির তালুকদার, আকলিমা, হালিমা অভিযোগ করেন, গত ১৭ জুন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য আরিফুর রহমান সন্ত্রাসী এনে অস্ত্রের মুখে গ্রামবাসীদের ভোগদখল করা জমি দখল করে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে দেন। ওই জমির ওপরের রাস্তার দুই পাশের ৫ শতাধিক গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছেন। এর প্রতিবাদে গ্রামবাসী দক্ষিণ কালিপুরা গ্রামে গত রোববার মানববন্ধন করেন।
সামসুল হক প্যাদা বলেন, ‘আমার জমির গাছ আকেটে বিক্রি করেছি। বন্দোবস্ত না পেলে জমি ছেড়ে দেব।’
মো. আরিফুর রহমান মোবাইল ফোনে সন্ত্রাসী এনে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাবার জমির গাছ কেটেছি।’
আমতলীর ইউএনও কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে