
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেল পরিবহন স্থগিত করেছে বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় তেল ও বাণিজ্যিক কোম্পানি। রয়টার্সসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
একটি শীর্ষস্থানীয় ট্রেডিং কোম্পানির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, আপাতত আমাদের জাহাজগুলো আগামী কয়েক দিন যেখানে আছে সেখানেই অবস্থান করবে (চলাচল করবে না)। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিগুলো।
কেন এই হরমুজ প্রণালি এত গুরুত্বপূর্ণ
আরব উপদ্বীপ এবং ইরানের মধ্যবর্তী এই সরু জলপথটি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান ধমনি হিসেবে পরিচিত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি এই পথ দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পরিবাহিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি এই পথে তেল পরিবহন দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে, তবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতে চরম অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
জর্জ ম্যাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বিশ্লেষক উমুদ শোকরি বলেন, ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়া খুবই বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করবে। আংশিক বিঘ্ন ঘটলেও দামের বড় উল্লম্ফন হবে, সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক মন্দারও ঝুঁকি তৈরি হবে।’ তবে এটিকে শেষ অস্ত্র হিসেবেই দেখা হয়। কারণ, এতে ইরানের নিজের বাণিজ্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তথ্যমতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত জ্বালানি তেলের প্রায় ৭০ শতাংশেরই ভোক্তা দক্ষিণ এশিয়া। এর মধ্যে রয়েছে চীন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাও সরাসরি মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে। ফলে হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ধরনের প্রভাবের প্রতিক্রিয়া এসব দেশের জ্বালানি তেলের বাজারেও পড়বে।
ইরানের হাতে এখন সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো বিশ্ববাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার নাড়ি চেপে ধরা। আর এটি হলো হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ এলএনজি এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান হুমকি দিয়েছে, আক্রান্ত হলে তারা এই পথ বন্ধ করে দেবে। তবে আজ এখন পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি নিয়ে কোনো তথ্য দেয়নি।
যদি তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তবে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে চরম মূল্যস্ফীতি ও মন্দা তৈরি করবে।

দেশে সোনা ও রুপার দাম বৃদ্ধির সাড়ে ৮ ঘণ্টার মাথায় দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, আগামীকাল ১ মার্চ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯০ টাকা।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পর বিশ্ব অর্থনীতি এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন সংঘাত কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নয়, বরং বিশ্ববাজারের প্রতিটি সূচককে প্রভাবিত করছে। তেলের দাম থেকে শুরু করে স্বর্ণের বাজার এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মানে দেখা দিচ্ছে বড় ধরণের অস্থিরতা।
১ ঘণ্টা আগে
চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরাও। তাঁরা বলছেন, ১০ হাজার টাকার গাড়ি ভাড়া ২০ হাজার টাকা হয়ে যাচ্ছে। যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর পড়ছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন করে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা প্রয়োজন। চাঁদাবাজি সমঝোতার মাধ্যমে হোক আর জোর করেই হোক, চাঁদাবাজি সব সময়ই
৭ ঘণ্টা আগে
সোনা ও রুপার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, তেজাবি সোনা ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম বাড়ায় দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো হয়েছে। বাজুসের নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪২৯ টাকা।
১১ ঘণ্টা আগে