ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পর বিশ্ব অর্থনীতি এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন সংঘাত কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নয়, বরং বিশ্ববাজারের প্রতিটি সূচককে প্রভাবিত করছে। তেলের দাম থেকে শুরু করে স্বর্ণের বাজার এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মানে দেখা দিচ্ছে বড় ধরণের অস্থিরতা।
নিচে বিশ্ববাজারের ওপর এই যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাবগুলোর একটি বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হলো:
জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ
মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো উত্তজনা মাপার প্রধান ব্যারোমিটার হলো জ্বালানি তেল। ইরান বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ এবং ‘হরমুজ প্রণালী’র পাশেই এর অবস্থান, যেই প্রণালী দিয়েই বিশ্ব তেলের ২০ শতাংশ সরবরাহ হয়।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের উদীয়মান বাজার অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম জ্যাকসন সতর্ক করেছেন, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি আরও ০.৬-০. ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্থগিত হওয়ার খবরে বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
বিনিয়োগ
যুদ্ধের ডামাডোলে বিনিয়োগকারীরা যখন ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে আসছেন, তখন স্বর্ণ ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো ‘সেফ হেভেন’ বা নিরাপদ সম্পদের চাহিদা বাড়ছে। ২০২৬ সালে স্বর্ণের দাম ইতিমধ্যে রেকর্ড ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের চাহিদাও বাড়ছে। তবে এই সংঘাতের মাঝে বিটকয়েন অবস্থান হারিয়েছে; শনিবার এর দাম ২ শতাংশ কমেছে এবং গত দুই মাসে এর মূল্যের এক-চতুর্থাংশ পতন হয়েছে।
মুদ্রা বাজারের অস্থিরতা
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিন ডলার অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে আরও শক্তিশালী হতে পারে। কারণ আমেরিকা এখন নিজেই একটি নিট জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ, ফলে তেলের দাম বাড়লে তারা লাভবান হয়। অন্যদিকে, ইরানের পাল্টা হামলার শিকার ইসরায়েলের মুদ্রা ‘শেকেল’-এর মান বড় ধরনের পতনের মুখে পড়তে পারে। যদিও অতীতে এ ধরণের পতনের পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেকেল। তবে জেপি মরগানের মতে, এবার সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের শেয়ার বাজার
আগামীকাল রোববার যখন সৌদি আরব ও কাতারের শেয়ার বাজারগুলো খুলবে, তখন বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের প্রকৃত প্রতিফলন দেখা যাবে। নিওভিশন ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী রায়ান লেমান্ডের মতে, সংঘাতের মাত্রাভেদে উপসাগরীয় দেশগুলোর শেয়ার বাজার ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই সৌদি আরবের মূল সূচক গত দুই সপ্তাহ ধরে পতনের দিকে রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে বিমান সংস্থাগুলো তাদের ফ্লাইট বাতিল করতে শুরু করেছে। এর ফলে এয়ারলাইন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বড় ধরণের চাপে পড়বে। বিপরীতে, যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়ে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।

দেশে সোনা ও রুপার দাম বৃদ্ধির সাড়ে ৮ ঘণ্টার মাথায় দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, আগামীকাল ১ মার্চ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯০ টাকা।
২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত জ্বালানি তেলের প্রায় ৭০ শতাংশেরই ভোক্তা দক্ষিণ এশিয়া। এর মধ্যে রয়েছে চীন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাও সরাসরি মধ্যপ্রাচ্য...
৩ ঘণ্টা আগে
চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরাও। তাঁরা বলছেন, ১০ হাজার টাকার গাড়ি ভাড়া ২০ হাজার টাকা হয়ে যাচ্ছে। যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর পড়ছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন করে এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা প্রয়োজন। চাঁদাবাজি সমঝোতার মাধ্যমে হোক আর জোর করেই হোক, চাঁদাবাজি সব সময়ই
৮ ঘণ্টা আগে
সোনা ও রুপার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, তেজাবি সোনা ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম বাড়ায় দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো হয়েছে। বাজুসের নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪২৯ টাকা।
১২ ঘণ্টা আগে