নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা তিন মাস নেতিবাচক ধারায় থাকার পর জানুয়ারি মাসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি আয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা ৫৭২ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছেন। গত বছরের একই সময়ে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫১৩ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
রপ্তানি আয় এমন সময় বাড়ল যখন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের রিজার্ভ দিন দিন কমছে। ডলারে মজুত কমে যাওয়ায় সরকার জ্বালানি পণ্য যেমন তেল, গ্যাস, কয়লাসহ কিনতে ও আমদানি বিল মেটাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সরকারকে।
তবে মাসের হিসাবে রপ্তানি আয় বাড়লেও কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়নি। ২০২৩–২৪ অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। এর জন্য জানুয়ারি মাসে রপ্তানির কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। কিন্তু রপ্তানি আয় এসেছে ৫৭২ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ কম।
ইপিবির হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে জানুয়ারি মাসে সার্বিক রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৫২ শতাংশ।
জানুয়ারিতে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি স্বস্তি দিলেও সার্বিকভাবে রপ্তানি আয় আহরণের গতি খুবই কম বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টানা নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির পর জানুয়ারির প্রবৃদ্ধি দিয়ে রপ্তানি আয়ের গতিপ্রকৃতি নিয়ে উপসংহার টানা বোকামি হবে। চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা সেটা অর্জনে ৮ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি দরকার। কিন্তু জুলাই–জানুয়ারি এই প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে।’
জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে তৈরি পোশাকের অবদান সবচেয়ে বেশি। ইপিবির হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৮৩৬ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার ডলার যা আগের অর্থবছরের ছিল ২ হাজার ৭৪১ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার ডলার। গেল সাত মাসে তৈরি পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
তৈরি পোশাকের মধ্যে নিট পোশাকে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়ে গত সাত মাসে রপ্তানি আয়ে এসেছে এই খাত থেকে ১ হাজার ৬১৭ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই খাত থেকে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৪৯৬ কোটি ৩৮ হাজার ডলার। অন্যদিকে নেতিবাচক ধারায় আছে ওভেন পোশাক। এই সাত মাসে ওভেনে ২ দশমিক ২০ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ওভেন পোশাকে গত সাত মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় তুলনায় রপ্তানি কমেছে ২৭ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এই সময়ে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকে সার্বিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের গত সাত মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৮৩৬ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার ডলার যা আগের অর্থবছরের ছিল ২ হাজার ৭৪১ কোটি ৪০ লাখ।
তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মো. হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তৈরি পোশাক খাতে যে প্রবৃদ্ধি দেখানো হচ্ছে সেটা ঠিক নয়। গত কয়েক মাস ধরে আমাদের কারখানাগুলো মোট উৎপাদন সক্ষমতার ৫০–৬০ শতাংশে চলছে। এই অবস্থায় প্রবৃদ্ধি হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’
ইপিবির তথ্যে দেখা যায়, প্লাস্টিক, রাবার, তুলা বর্জ্যে, সিমেন্ট, কৃষিজাত পণ্য, ফুটওয়্যার ইতিবাচক ধারায় থাকলেও হোম টেক্সটাইল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে।
ইপিবির তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরেরে প্রথম তিন মাস জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সার্বিক রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। তার পর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত নেতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল। জানুয়ারি মাসে এসে রপ্তানি আয়ে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা তিন মাস নেতিবাচক ধারায় থাকার পর জানুয়ারি মাসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রপ্তানি আয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা ৫৭২ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছেন। গত বছরের একই সময়ে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫১৩ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
রপ্তানি আয় এমন সময় বাড়ল যখন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ডলারের রিজার্ভ দিন দিন কমছে। ডলারে মজুত কমে যাওয়ায় সরকার জ্বালানি পণ্য যেমন তেল, গ্যাস, কয়লাসহ কিনতে ও আমদানি বিল মেটাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সরকারকে।
তবে মাসের হিসাবে রপ্তানি আয় বাড়লেও কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়নি। ২০২৩–২৪ অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। এর জন্য জানুয়ারি মাসে রপ্তানির কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। কিন্তু রপ্তানি আয় এসেছে ৫৭২ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ কম।
ইপিবির হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে জানুয়ারি মাসে সার্বিক রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৫২ শতাংশ।
জানুয়ারিতে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি স্বস্তি দিলেও সার্বিকভাবে রপ্তানি আয় আহরণের গতি খুবই কম বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টানা নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির পর জানুয়ারির প্রবৃদ্ধি দিয়ে রপ্তানি আয়ের গতিপ্রকৃতি নিয়ে উপসংহার টানা বোকামি হবে। চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা সেটা অর্জনে ৮ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি দরকার। কিন্তু জুলাই–জানুয়ারি এই প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে।’
জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে তৈরি পোশাকের অবদান সবচেয়ে বেশি। ইপিবির হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৮৩৬ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার ডলার যা আগের অর্থবছরের ছিল ২ হাজার ৭৪১ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার ডলার। গেল সাত মাসে তৈরি পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
তৈরি পোশাকের মধ্যে নিট পোশাকে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়ে গত সাত মাসে রপ্তানি আয়ে এসেছে এই খাত থেকে ১ হাজার ৬১৭ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই খাত থেকে আয় হয়েছিল ১ হাজার ৪৯৬ কোটি ৩৮ হাজার ডলার। অন্যদিকে নেতিবাচক ধারায় আছে ওভেন পোশাক। এই সাত মাসে ওভেনে ২ দশমিক ২০ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ওভেন পোশাকে গত সাত মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় তুলনায় রপ্তানি কমেছে ২৭ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এই সময়ে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকে সার্বিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের গত সাত মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৮৩৬ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার ডলার যা আগের অর্থবছরের ছিল ২ হাজার ৭৪১ কোটি ৪০ লাখ।
তৈরি পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মো. হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তৈরি পোশাক খাতে যে প্রবৃদ্ধি দেখানো হচ্ছে সেটা ঠিক নয়। গত কয়েক মাস ধরে আমাদের কারখানাগুলো মোট উৎপাদন সক্ষমতার ৫০–৬০ শতাংশে চলছে। এই অবস্থায় প্রবৃদ্ধি হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’
ইপিবির তথ্যে দেখা যায়, প্লাস্টিক, রাবার, তুলা বর্জ্যে, সিমেন্ট, কৃষিজাত পণ্য, ফুটওয়্যার ইতিবাচক ধারায় থাকলেও হোম টেক্সটাইল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে।
ইপিবির তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরেরে প্রথম তিন মাস জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সার্বিক রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। তার পর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত নেতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল। জানুয়ারি মাসে এসে রপ্তানি আয়ে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১০ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১১ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৫ ঘণ্টা আগে