
ভারত-যুক্তরাজ্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের পোশাক ক্রেতারা তিরুপ্পুর থেকে ক্রয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন। বাংলাদেশ থেকে সংগ্রহ করা কিছু ক্রেতাও ভারতের দিকে ঝুঁকছেন বলে দাবি করেছে ভারতীয় রপ্তানি খাত।

ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির গড় ইউনিট মূল্য ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণও কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। ফলে শুধু অর্ডার কমেনি, কম দামে...

ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রতিযোগিতার দৌড়ে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ার আভাস মিলছে বাংলাদেশের। বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব সব রপ্তানিকারক দেশের ওপর পড়লেও, বাংলাদেশে প্রভাব একটু বেশি। বিশেষ করে ইইউর বাজারে অন্যতম প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ছন্দপতন উল্লেখ করার মতো।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প নিয়ে উদ্বিগ্ন বিদেশি ক্রেতারা। প্রভাব হিসেবে অনেক ক্রেতা তাঁদের ক্রয়াদেশ ধীরে ধীরে ভারতসহ বিকল্প বাজারে সরিয়ে নিচ্ছেন। এ অবস্থায়, পরিস্থিতি মোকাবিলায় রপ্তানি আয়ের ওপর বর্তমান ১ শতাংশ উৎসে কর কমিয়ে