নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া ও ঋণাত্মক সম্পদমূল্যের এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার জেনেশুনে কারা কিনছেন?
বর্তমানে অবসায়ন বা বন্ধের তালিকায় রয়েছে মোট ৯টি এনবিএফআই, যার মধ্যে ৮টি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর একপর্যায়ে এক টাকার নিচে নেমে আসে। আর্থিক অনিয়ম, ঋণখেলাপি ও নেতিবাচক সম্পদমূল্যের তথ্য প্রকাশের পর দীর্ঘ সময় এসব শেয়ার দরপতনের মধ্যেই ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই মঙ্গলবার সেগুলোতে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ও লেনদেন দেখা যায়।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো– পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারদর ৭ পয়সা বা প্রায় ১১ শতাংশ বেড়ে ৭২ পয়সায় উঠেছে। ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের দর ৫ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে ৫৫ পয়সা, এফএএস ফাইন্যান্সের দর ৭ পয়সা বা প্রায় ১১ শতাংশ বেড়ে ৭২ পয়সা, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের দর ৬ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে ৬৭ পয়সা এবং প্রিমিয়ার লিজিংয়ের দর ৫ পয়সা বা ১১ শতাংশ বেড়ে ৫২ পয়সায় উঠেছে।
অন্যদিকে পিপলস লিজিংয়ের ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজারমূল্য ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৭ লাখ ৫ হাজার ৫৮৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকায়। ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকায় এফএএস ফাইন্যান্সের ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৬টি শেয়ার, ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ১০ লাখ ৬৬০টি শেয়ার এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, অবসায়ন বা বন্ধের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে এ ধরনের দরবৃদ্ধি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য, নগদ প্রবাহ ও ইপিএস—সবই নেতিবাচক। এমন বাস্তবতায় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্বাভাবিক নয় বলেই মনে করছেন তাঁরা। এর পেছনে কোনো কারসাজি বা ইন্ধন থাকলে তা খুঁজে বের করা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের সদস্য আল-আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য, ক্যাশ ফ্লো, ইপিএস– সবই নেতিবাচক। এরপরও যদি বিনিয়োগকারীরা এসব শেয়ার কিনে থাকে, তার মানে হলো তারা জেনেশুনে এসবের দায় নিতে রাজি হচ্ছেন।’ তিনি আরও বলেন, যদি কোনো গ্রুপ মার্কেট থেকে ‘এক্সিট’ নেওয়ার জন্য গুজব তৈরি করে থাকে, তবে তা এড়িয়ে চলা বিনিয়োগকারীদের দায়িত্ব। আর এর পেছনে কারসাজি থাকলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত ব্যবস্থা নেওয়া।
ট্রেজার সিকিউরিটিজের চিফ অপারেটিং অফিসার মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দর বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার লেনদেন হয়েছে কি না, সেটি দেখলেই কিছুটা ধারণা করা যাবে এগুলো কারা করছে। আকর্ষণ করার চেষ্টা কি না, তা বিবেচনা করতে হবে। সবার সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত; কারণ, যার পুঁজি তাকেই রক্ষা করতে হবে।’
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকটি সিকিউরিটিজ হাউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন বন্ধের তালিকায় থাকা ৯টি এনবিএফআইয়ের সবগুলো বন্ধ হচ্ছে না। এখান থেকে কয়েকটি বিশেষ শর্তে ছাড় পেতে পারে। তবে কোনটি ছাড় পাবে আর কোনটি অবসায়নে যাবে, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে বন্ধের তালিকায় থাকা অন্য ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারদর ও লেনদেনও বাড়তে দেখা গেছে। বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) লিমিটেডের শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ৮ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ৩০ পয়সা হয়েছে। প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ১০ পয়সা এবং জিএইপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসির শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ৭ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ৫০ পয়সা হয়েছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব শেয়ারের দাম বৃদ্ধির পেছনে কোনো কারসাজি বা কারসাজিকারকদের হাত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া ও ঋণাত্মক সম্পদমূল্যের এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার জেনেশুনে কারা কিনছেন?
বর্তমানে অবসায়ন বা বন্ধের তালিকায় রয়েছে মোট ৯টি এনবিএফআই, যার মধ্যে ৮টি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর একপর্যায়ে এক টাকার নিচে নেমে আসে। আর্থিক অনিয়ম, ঋণখেলাপি ও নেতিবাচক সম্পদমূল্যের তথ্য প্রকাশের পর দীর্ঘ সময় এসব শেয়ার দরপতনের মধ্যেই ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই মঙ্গলবার সেগুলোতে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ও লেনদেন দেখা যায়।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো– পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারদর ৭ পয়সা বা প্রায় ১১ শতাংশ বেড়ে ৭২ পয়সায় উঠেছে। ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের দর ৫ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে ৫৫ পয়সা, এফএএস ফাইন্যান্সের দর ৭ পয়সা বা প্রায় ১১ শতাংশ বেড়ে ৭২ পয়সা, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের দর ৬ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে ৬৭ পয়সা এবং প্রিমিয়ার লিজিংয়ের দর ৫ পয়সা বা ১১ শতাংশ বেড়ে ৫২ পয়সায় উঠেছে।
অন্যদিকে পিপলস লিজিংয়ের ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার বাজারমূল্য ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৭ লাখ ৫ হাজার ৫৮৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকায়। ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকায় এফএএস ফাইন্যান্সের ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৬টি শেয়ার, ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ১০ লাখ ৬৬০টি শেয়ার এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, অবসায়ন বা বন্ধের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে এ ধরনের দরবৃদ্ধি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য, নগদ প্রবাহ ও ইপিএস—সবই নেতিবাচক। এমন বাস্তবতায় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্বাভাবিক নয় বলেই মনে করছেন তাঁরা। এর পেছনে কোনো কারসাজি বা ইন্ধন থাকলে তা খুঁজে বের করা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের সদস্য আল-আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য, ক্যাশ ফ্লো, ইপিএস– সবই নেতিবাচক। এরপরও যদি বিনিয়োগকারীরা এসব শেয়ার কিনে থাকে, তার মানে হলো তারা জেনেশুনে এসবের দায় নিতে রাজি হচ্ছেন।’ তিনি আরও বলেন, যদি কোনো গ্রুপ মার্কেট থেকে ‘এক্সিট’ নেওয়ার জন্য গুজব তৈরি করে থাকে, তবে তা এড়িয়ে চলা বিনিয়োগকারীদের দায়িত্ব। আর এর পেছনে কারসাজি থাকলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত ব্যবস্থা নেওয়া।
ট্রেজার সিকিউরিটিজের চিফ অপারেটিং অফিসার মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দর বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার লেনদেন হয়েছে কি না, সেটি দেখলেই কিছুটা ধারণা করা যাবে এগুলো কারা করছে। আকর্ষণ করার চেষ্টা কি না, তা বিবেচনা করতে হবে। সবার সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত; কারণ, যার পুঁজি তাকেই রক্ষা করতে হবে।’
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেকটি সিকিউরিটিজ হাউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন বন্ধের তালিকায় থাকা ৯টি এনবিএফআইয়ের সবগুলো বন্ধ হচ্ছে না। এখান থেকে কয়েকটি বিশেষ শর্তে ছাড় পেতে পারে। তবে কোনটি ছাড় পাবে আর কোনটি অবসায়নে যাবে, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে বন্ধের তালিকায় থাকা অন্য ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারদর ও লেনদেনও বাড়তে দেখা গেছে। বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) লিমিটেডের শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ৮ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ৩০ পয়সা হয়েছে। প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ১০ পয়সা এবং জিএইপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসির শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ৭ শতাংশ বেড়ে ১ টাকা ৫০ পয়সা হয়েছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব শেয়ারের দাম বৃদ্ধির পেছনে কোনো কারসাজি বা কারসাজিকারকদের হাত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত পে কমিশন আগামীকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর কমিশনের সম্ভাব্য সুপারিশগুলো
২ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ইউএসবিসিসিআই) আয়োজিত এক্সক্লুসিভ মিট অ্যান্ড গ্রিট নেটওয়ার্কিং সেশনে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ আকিজ রিসোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
অর্থনীতির চলমান চাপ এবং রাজস্ব ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সরকারি খরচ চালাতে আয়ের অন্যতম উৎসে বড় ধরনের টান পড়েছে। এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাজস্ব আদায়ে। এতে করে অর্থবছরের মাঝপথেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বড় ঘাটতির মুখে পড়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
এক সপ্তাহ না যেতেই আবারও দেশের বাজারে সোনার দামে রেকর্ড হয়েছে। এবার ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা। এটিই দেশের বাজারে সোনার ভরির রেকর্ড দাম। সোনার নতুন এই দাম আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সারা দেশ
১ দিন আগে