
ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে পুরোপুরি আস্থা ফেরেনি। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্রের সুদহার আপাতত অপরিবর্তিত থাকায় নিরাপদ বিনিয়োগের খোঁজে আবারও এই মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন সঞ্চয়ধারী মানুষ। এর প্রমাণ মিলেছে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসের বিক্রিতে। জুলাইয়ে ২ হাজার ৫৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের

জীবনবিমা কোম্পানিগুলোর হাতে থাকা গ্রাহকদের দীর্ঘমেয়াদি তহবিল বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে আয় করা হয়। এই আয় থেকে ভবিষ্যতে পলিসিধারীদের দাবি, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা পরিশোধের সক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের বিপরীতে জীবনবিমা খাতের নামমাত্র আয় পরিলক্ষিত হয়েছে।

খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধি দেশের ব্যাংকিং খাতের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে। বর্তমানে মোট ঋণের ৩২ শতাংশের বেশি খেলাপি হওয়ায় ঋণ আদায় ও পুনঃবিনিয়োগের চক্র ব্যাহত হচ্ছে। এতে ব্যাংকের তারল্য, মুনাফা ও মূলধন সক্ষমতার পাশাপাশি নতুন ঋণ বিতরণও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সম্প্রতি পশ্চিম ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের ছোট শহর মিরাজে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। এই শহরেই তাঁর বেড়ে ওঠা। সেখানে পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়কের পাশে তিনি ৫০ টিরও বেশি মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র দেখতে পেয়েছেন।